শুক্রবার , ১৯শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ , ৯ই সফর, ১৪৪০ হিজরী
NEWSPOST24
শিবচরে পদ্মাসেতুর এ্যাপ্রোচ সড়ক ও কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাট চালুর দাবী শিবচরে পদ্মাসেতুর এ্যাপ্রোচ সড়ক ও কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাট চালুর দাবী
অজয় কুন্ডু, মাদারীপুর থেকে: স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। এরই আওতায় ইতিমধ্যে মাদারীপুরের শিবচরের পাঁচ্চর থেকে শরীয়তপুরের নাওডোবা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটারেরও বেশি... শিবচরে পদ্মাসেতুর এ্যাপ্রোচ সড়ক ও কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাট চালুর দাবী

অজয় কুন্ডু, মাদারীপুর থেকে: স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। এরই আওতায় ইতিমধ্যে মাদারীপুরের শিবচরের পাঁচ্চর থেকে শরীয়তপুরের নাওডোবা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটারেরও বেশি এ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মিত হয়েছে। তবে কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌ-রুটের যাত্রীদের দাবী, এ্যাপ্রোচ সড়ক চালু করে কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটটি কাঁঠালবাড়ী পয়েন্টে স্থানান্তর করা হলে আড়াই কিলোমিটার নৌপথের দুরুত্ব কমার পাশাপাশি ভোগান্তি কমবে যাত্রী ও চালকদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সড়ক পথে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সাথে রাজধানীর যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটটি। যা ১৯৮৬ সালে চালু হয়। শীতে ঘন কুয়াশা, বর্ষায় তীব্র স্রোত ও গ্রীষ্মে নাব্য সংকটে নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়।

তার উপর এই নৌপথের দুরুত্ব ১৪ কিলোমিটার হওয়ায় ঘন্টার পর ঘন্টা ভোগান্তি পোহাতে হয় এই নৌরুটে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী ও চালকদের। সাম্প্রতি পদ্মা সেতুর এ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ শেষ হয়েছে। এই দেখে এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকদের দাবী দ্রুত এ্যাপ্রোচ সড়কটি খুলে দিয়ে কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটটি কাঁঠালবাড়ী পয়েন্টে স্থানান্তর করা হলে নৌপথের দ্ররুত্ব আড়াই কিলোমিটার কমে যাবে। ফলে এই নৌপথে ফেরি ও অন্য নৌযান পারাপারে আধা ঘন্টারও বেশি সময় কমে আসবে। এতে সার্বিকভাবে উপকৃত এই নৌরুট ব্যবহারকারী সকলে।

যাত্রী ও চালকদের দাবী, নবনির্মিত কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাট ও এ্যাপ্রোচ সড়কটি খুলে দেওয়া হলে বর্তমান এ রুটে আর যানজট হবে না। এর ফলে যাত্রী ও চালকদের সুবিধা হবে। সোহেল নামে এক পথচারী বলেন, কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটটি কাঁঠালবাড়ীতে সরিয়ে নেয়া হলে যাত্রীদের আর বিড়ম্বণা সইতে হবেনা। এছাড়াও নব নির্মিত ঘাট এবং এ্যাপ্রোচ সড়কটি অতি তাড়াতাড়ি চালু হলে দক্ষিণ বঙ্গের মানুষের অনেক ভোগান্তি কমবে।

কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটের টার্মিনাল সুপারইনটেন্ট (টিএস) মোস্তফা কামাল বলেন, কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটটি চালু করা হলে নৌপথের দুরত্ব কমে যাবে। বাস ট্রাকসহ সকল প্রকার যান চলাচলে সুবিধা হবে। এর ফলে ঘাটে কোন যানজট সৃষ্টি হবে না।

এদিকে আগামী জানুয়ারিতে কাঁঠালবাড়ী পয়েন্টে কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটটি স্থানান্তরের কথা জানালেন শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান আহম্মেদ। তিনি জানান, কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি, ৮৬টি লঞ্চ ও আড়াইশ’র বেশি স্পীডবোটে প্রতিদিন ৩০ হাজারের বেশি যাত্রী চলাচল করে। তাই যাত্রীদের সুবিধ কথা চিন্তা করেই এ রুটে যাত্রী সেবা আরও দ্রুত করতেই কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটটি অতি শীঘ্রই চালু করে দেওয়া হবে।

Comments

comments

Send this to a friend