শুক্রবার , ১৯শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং , ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ , ৯ই সফর, ১৪৪০ হিজরী
NEWSPOST24

‘ও’ ব্লাড গ্রুপের ভালো – মন্দ দিক

বিভাগঃ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ১২/১২/২০১৬ নিউজ পোস্ট ডেস্ক

‘ও’ ব্লাড গ্রুপের ভালো – মন্দ দিক ‘ও’ ব্লাড গ্রুপের ভালো – মন্দ দিক
দর্পণ ডেস্ক : সাধারণত অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজোনের ভিত্তিতে মানুষের রক্তকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ‘এ’, ‘বি’, ‘এবি’ এবং ‘ও’। এদের মধ্যে ‘ও’... ‘ও’ ব্লাড গ্রুপের ভালো – মন্দ দিক

দর্পণ ডেস্ক : সাধারণত অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজোনের ভিত্তিতে মানুষের রক্তকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ‘এ’, ‘বি’, ‘এবি’ এবং ‘ও’। এদের মধ্যে ‘ও’ ব্লাড গ্রুপকে ‘সার্বজনীন দাতা’ গ্রুপ বলা হয়। আর দাতা হওয়ায় এই গ্রুপের মানুষজনের মধ্যে একটা প্রছন্ন গর্ব কাজ করে। নিজেদের ‘উদার’ প্রতিপন্ন করার একটা চেষ্টা থাকেই। তবে তা তারা করতেই পারেন। সবাইকে রক্ত দিতে পারেন আর শুধু নিজের গ্রুপের রক্ত নিতে পারেন বলে কিন্তু ‘ও’ গ্রুপের লোকজন ‘অনন্য’ নয়। এই গ্রুপের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যর কারণেই তারা ইউনিক।

ভালো দিক

এক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে জাপানের প্রসঙ্গ টেনে আনা যায়। জাপানিরা মনে করেন, ‘ও’ গ্রুপের মানুষজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। যে কারণে চাকরির ইন্টারভিউয়ে আগে ব্লাড গ্রুপ জানা হয়। যদি ‘ও’ হয় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। বাকিদের থেকে কয়েক কদম এগিয়েই থাকেন তারা। এর কারণ হল, ‘ও’ গ্রুপের অসাধারণ দায়িত্বজ্ঞানবোধ। যে কোনও কাজ কাঁধে নিলে, নিশ্চিত ভাবেই তারা উতরে দেবেন।

এই গ্রুপের মানুষরা একটা শৃঙ্খলাবোধ পছন্দ করেন। পরিকল্পনা করে কাজে হাত দেন। গুছিয়ে কথা বলতে পারেন। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে চলেন। শুধু তাই নয়, চারপাশের পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কেও তারা সমান সচেতন। সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন।

এখানেই শেষ নয়, তারা কখনই আবেগের বশে ভুলভাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন না। এসব গুণের সমাহারের কারণেই কর্তৃপক্ষ চোখ বন্ধ করে ‘ও’ গ্রুপের লোকজনের উপর ভরসা করতে পারে। মনে করা হয়, এদের পূর্বসূরি ছিলেন দক্ষ শিকারী। আবার এদের সহজাত নেতা বলেও মনে করা হয়।

উল্টো দিক

‘ও’ ব্লাড গ্রুপের হয়ে থাকলে আপনার শরীরে সহজেই আলসার, সুগার, ওবেসিটি, থাইরয়েডের মতো হাজারো রোগ বাসা বাঁধতে পারে । আর শরীর ভালো না থাকলে, কিছুই করতে পারবেন না। তাই নিজেকে ফিট রাখাটা জরুরি। এজন্য সবসময় ডায়েটে জোর দিতে হয়।

আপনার ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকা উচিত। তার কারণ, এই গ্রুপের মানুষজনের মধ্যে এমনিতেই অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা অন্য গ্রুপের তুলনায় বেশি। এরপর আবার শরীরে ক্যাফেইন (কফি জাতীয় পানীয়) গেলে অ্যাড্রেনালিন অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পায়।

মনে রাখবেন, আপনার রক্তের গ্রুপ ‘ও’ মানেই আপনি হাইপারঅ্যাকটিভ। ইমপালসিভও। বিশেষত যখন স্ট্রেসের মধ্যে থাকেন। এমন পরিস্থিতে সহজেই আপনি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। এরপর যদি ডায়েট অস্বাস্থ্যকর হয়, তা হলে কথাই নেই। যাকে বলে, বিপাকীয় প্রক্রিয়ার বারোটা। হজমের গন্ডগোল তো আছেই থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগতে পারেন। এমনকি ইনসুলিন নিয়েও সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিডের উপস্থিতিতে আলসারের সম্ভাবনাও প্রবল। এছাড়া খাওয়া দাওয়ায় একটু বেহিসেবি হলেই ওজন দ্রুত বাড়ে। কাজেই আপনি ‘ও’ ব্লাড গ্রুপের হলে, শরীর চাঙ্গা রাখতে দিনে অন্তত তিন থেকে চার বার কিছুক্ষণ করে হলেও ব্যায়াম করুন। এতে সুস্থ থাকার পাশাপাশি আপনার কর্মক্ষমতাও বাড়বে।

তথ্যসূত্র: এই সময়।

Comments

comments

Send this to a friend