শনিবার , ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং , ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী
NEWSPOST24
জলঢাকায় তিস্তা সেচ ক্যানেল রক্ষা বাধকে জমি বানিয়ে কেনা বেচার অভিযোগ জলঢাকায় তিস্তা সেচ ক্যানেল রক্ষা বাধকে জমি বানিয়ে কেনা বেচার অভিযোগ
হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী ,জলঢাকা(নীলফামারী)প্রতিনিধি : দেশের বৃহত্তম তিস্তা সেচ ক্যানেলের দুধারের জমি দখলের মহৎসব চলছে। যে যার মত করে নির্মান করছে বসতবাড়ি আবার কেউ সেচ... জলঢাকায় তিস্তা সেচ ক্যানেল রক্ষা বাধকে জমি বানিয়ে কেনা বেচার অভিযোগ

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী ,জলঢাকা(নীলফামারী)প্রতিনিধি : দেশের বৃহত্তম তিস্তা সেচ ক্যানেলের দুধারের জমি দখলের মহৎসব চলছে। যে যার মত করে নির্মান করছে বসতবাড়ি আবার কেউ সেচ ক্যানেলের বাধ রক্ষার মাটি কেটে বিক্রি করছেন দেদাচ্ছে। এমন অভিযোগ করছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

এতে করে শুকনো মৌসুমের লক্ষে নির্মিত বৃহৎ সেচ ক্যানেলটির হুমকির মুখে পড়বে বলে জানান অভিযোগকারীরা। নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া ক্যানেল ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে। ক্যানেলের দুধারে অবৈধ ভাবে তৈরি হচ্ছে বসতবাড়ি। স্থানীয় প্রভাবশালী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাদু কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজসে এমনটি হচ্ছে অভিযোগ পাওয়া যায়।

উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের চাওড়াডাঙ্গী এলাকার সেচ ক্যানেলের বাধরক্ষা মাটি বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন এলাকার তছলিম উদ্দিন, রিয়াজুল ইসলাম, রশিদুল ইসলাম। বালাগ্রাম ইউনিয়নের চাওড়াডাঙ্গী এলাকার সোয়েব আহমেদ মুনান জানায়, সেচ কাজে ব্যবহৃত ক্যানেলটি আজ এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের দখলে।

তিনি আরও জানান এখানে মাটি কেটে চাষাবাদের জমি বের করে বিক্রি করে দিচ্ছে ওই সব ভূমিদস্যুরা। অথচ শুকনো মৌসুমের জন্য দেশের বৃহত্তম সেচ ক্যানেলটি রক্ষনাবেক্ষনের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মকছুদার রহমানের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিব। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজার রহমান বিষয়টি অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

Comments

comments

Scroll Up

Send this to a friend