মুন্সীগঞ্জে আলুর বাম্পার ফলনের স্বপ্নে কৃষকরা

696

মো: সুজন,মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : মাটি ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় চলতি মৌসুমে আলু আবাদে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন মুুন্সীগঞ্জ আলু কৃষকরা তবে সিরাজদিখান উপজেলায় কিছু আলু জমিতে দেখা দিয়েছে রোগবালাই । আলু কৃষকদেও পরামর্শ দেওয়াম মত যেন কেউ নেই । জেলায় এবার ফলন ভালো হওয়ায় আলু চাষীদের মুখে যেমন হাসি ।

তেমন র্দুশচিন্তায় আছে সিরাজদিখান উপজেলা আলু কৃষকরা দেশের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদনকারী জেলা মুন্সীগঞ্জের আর এখানকার সার্বিক অর্থনীতি অনেকটাই আলুর উপর নির্ভরশীল। একটানা কয়েক বছর আলুর বাম্পার ফলনের পরেও লাভের মুখ দেখেনি কৃষক। এ নিয়ে র্দুশচিন্তায় ভুগছে কৃষকরা। জেলা সদরসহ ৬ উপজেলায় ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে চলতি অর্থ বছরে সর্বমোট ৩৯ হাজার ৩শ ২১ হেক্টার জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। এর উৎপাদন লক্ষ মাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৪ লক্ষ টন। যা গতবছরের তুলনায় ১ লক্ষ টন বেশি। তবে আলু চাষে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে জেলার টঙ্গিবাড়ি,লৌহজং ও মুন্সীগঞ্জ এ ৩টি উপজেলায় অবস্থীত পদ্মার চরে। ২০-২৫দিন পরই আলু উঠানোর ধুম পড়ে যাবে।

তার পরেও এ বছর আলু বাম্পার ফসল আনন্দ কৃষকের মনে। আবহাওয়া ক্রমেই চলে যাচ্ছে আলু চাষীদের প্রতিকূলে। জমিতে ছড়িয়ে পড়ছে রোগবালাই। রোগ দমনে ব্যর্থ হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষীরা। এ বছর আলু চাষাবাদের টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ হাজার ৯শ ৪২ হাজার হেক্টর। আবাদ এবছর আবহাওয়া ভালা থাকার কারনে সার বীজ কীটনাশক গত কয়েক বছরে চেয়ে বেশি লাগছে।

আলুর গাছ শীতকালীন ছত্রাকনাশক রোগ লেটব্রাইটে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। ক্ষেতের গাছগুলো কুকড়ে মাটিতে পড়ে যাচ্ছে। হলুদ হয়ে ক্ষেতের গাছ পচে নষ্ট হচ্ছে। হলদে হয়ে মরে যাচ্ছে আলু গাছ। দফায় দফায় জমিতে ওষুধ স্প্রে করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। কোনো ভাবেই রোগের প্রাদুর্ভাব কমছে না। চোখের সামনেই ক্ষেতের গাছগুলো পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অথচ চেষ্টা করেও জমির ফসল রক্ষা করতে পারছেন না তারা।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি মোকাবেলায় মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও কেন কর্মকর্তার দেখা যায় না। কৃষিবিদ হুমায়ন কবির, উপ-পরিচাল কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর,মুন্সীগঞ্জ।

দেশের অন্যতম আলু উৎপাদন কারী জেলা মুন্সীগঞ্জ । তাই ব্যাপক আলু চাষের এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন এমনটাই প্রত্যাশা এখানকার কৃষককুল ও সচেতন মহলের।

Comments

comments