মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত জাতির পিতার কন্যা

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

এদেশের মাটি আর মানুষকে ভালোবেসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন। যাদের ধমনিতে সেই পিতার রক্ত তাঁরা মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করে আসছে বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে।

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ৪টি গ্রাম- জামশেদপুর, ধলীপাড়া, মাখরগাঁও এবং আমতৈল মিলে বৃহত্তর আমতৈল গ্রাম নামে পরিচিত। আমতৈল গ্রামে প্রতিবন্ধী হওয়া মানুষের হার সিলেটের সামগ্রিক হারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। মানবিক এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা তাঁর বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে আনেন।

তা অবগত হয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি তৎক্ষণাৎ আমলে নেন। তিনি রামপাশা ইউনিয়নের ৪৬১ জন প্রতিবন্ধীকে জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতি পরিবারের জন্য একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি বরাদ্দের জন্য ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেসসচিব এম এম ইমরুল কায়েস বিষয়টি জানিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, আমতৈল গ্রামের বর্তমান প্রতিবন্ধী শিশুদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতে সুস্থ প্রজন্ম নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নিম্নরূপ নির্দেশনাও দেন:

১. গ্রামের সকল প্রতিবন্ধীর সমস্যা যথাযথভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনতে হবে।

২. সকলকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সেলিং করা।

৩. নিজ বাসস্থানসহ আশেপাশের পরিবেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

৪. খাদ্যের সকল পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারি ওষুধ সরবরাহ এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা।

৫. গ্রামে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ সিস্টেম চালু এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে।

৬. প্রতিবন্ধীদের চাহিদা মোতাবেক বহুমাত্রিক শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করে প্রতিবন্ধী স্কুল স্থাপন ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করা।

৭. চাহিদামাফিক প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ যেমন:- হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল, হেয়ারিং ডিভাইস ও দৃষ্টি সহায়ক উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।

মাতৃভূমি বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু পরিবারের ইমোশনাল অ্যাটাচমেন্ট বাঙালি জাতি সর্বদা কৃতজ্ঞচিত্তে।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments