ভোলায় মেঘনার পানির চাপে বেড়ি বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

অমাবস্যা ও নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল মেঘনা নদীর পানির তীব্র চাপে ভোলায় বেড়ি বাঁধে আঘাত করেছে। ২০ আগস্ট দুপুরে সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের মুরাদ ছবুল্লাহ গ্রামে বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। জোয়ারের পানির চাপে ওই এলাকায় অন্তত পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এর আগে সকাল থেকে ভোলায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় উত্তাল মেঘনা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে ভোলার চার উপজেলার বেড়ি বাঁধের ভিতরে ও বাইরে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৈরী আবাওয়ার কারনে ১ দিন বন্ধ ছিল ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি ও ভোলা-বরিশাল রুটে লঞ্চ চলাচল।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত থেকে ভোলায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বৃহস্পাতিবার সন্ধা পর্যন্ত ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। তার সাথে স্বাভাবিকের চাইতে বিপদ সীমার উপর দিয়ে মেঘনার পানি প্রবাহিত হতে থাকে। যে ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় অতি জোয়ারের পানি বেড়ি বাঁধের উপর দিয়ে লোকালয়ে ডুকে পড়ে। তীব্র জোয়ারের পানির চাপে পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের মুরাদ

ছবুল্লা গ্রামে পাউবোর প্রায় ১৫ মিটার বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে যায়। বিকালে ফের জোয়ার এলে ওই ভাঙ্গা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি হুহু করে কয়েকটি গ্রামে প্রবেশ করে। এতে ৩/৪ ফুট পানিতে প্লাবিত হয় কয়েক হাজার ঘর বাড়ি। ভাসিয়ে নিয়ে যায় জমির ফসল, পুকুরের মাছ। এছাড়াও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে বেড়ি বাঁধের বাইরের ভোলার রাজাপুর, ধনিয়া, কাচিয়া, শিবপুর, দৌলতখানের মদরপুর, ভবানিপুরের চর হাজারীসহ ৭, ৮ নম্বর ওয়ার্ড, সৈয়দপুর, চরপাতা, বোরহানউদ্দিন, মনপুরা, তজুমদ্দিনের অন্তত ২০ গ্রাম। পানি বন্দি হয়ে পড়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। জোয়ার এলে পানি বন্দি হয়ে এসব গ্রামের পরিবার গুলো চরম দুভোর্গে পড়ে।

এদিকে শুক্রবার সকালে থেকে পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের মুরাদ ছবুল্লা গ্রামে পাউবোর প্রায় ১৫ মিটার ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ি বাঁধ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। মাটি কাটার ভেকু মেশিন দিয়ে কয়েক শত শ্রমিক জিও ব্যাগে মাটি ভরে পাইলিং করে ফের জোয়ার আসার আগেই মেরামত কাজ করছে। তবে পানির প্রবল স্রোতে মেরামতের কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি সার্ভিসের ব্যবস্থাপক কে এম এমরান খান জানান, দুযোর্গপূর্ন আবহাওয়া হওয়ায় কারনে বৃহস্পতিবার

ভোলা লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। শুক্রবার ফের চালু হয়েছে। ২ পাড়ে আটকা পড়েছে শত শত পরিবহন। এছাড়া ভোলা বিআইডব্লিউটিএর নদী বন্দরের সহকারি পরিচালক মো: কামরুজ্জামান জানান, নদী উত্তাল হওয়ায় বৃহস্পতিবার ভোলা-বরিশাল রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিল। শুক্রবার সকাল থেকে তা চালু হয়েছে।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments