হত্যার পর শিশুকে ধর্ষণ করে মাজেদ

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাজেদের লেবু ক্ষেতের পাশে বেড়াতে আসে শিশু শান্তা। তাকে দেখে মাথায় কুমতলব চাপে মাজেদের। ঠিক তখনি ঘটায় ঘটনা। ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শান্তার গলায় পেঁচানো ওড়না ধরে টান দেন মাজেদ। শান্তা চিৎকার করার চেষ্টা করলে সে ওড়না টান দিয়ে গলায় ধরে রাখে। এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে শান্তা এবং শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায়। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে লাশের ওপর চালায় তাণ্ডব। পরে তাকে ধর্ষণ করে লাশ ফেলে রেখে চলে যায় মাজেদ।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে এমনই লোমহর্ষক জবানবন্দি দিয়েছেন মাজেদ (২৫)। তিনি টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌধুরী মালঞ্চ মিরপুর মধ্যপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।  

জবানবন্দিতে মাজেদ জানায়, গেল বুধবার বিকেলে তার লেবু ক্ষেতের কাছে আসে শিশু শান্তা। তখন ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শান্তার গলায় পেঁচানো ওড়না ধরে টান দেয়। শান্তা চিৎকার করার চেষ্টা করলে সে ওড়না টান দিয়ে ধরে রাখে। এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে শান্তা। এরপর তাকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে সে চলে যায়।

টাঙ্গাইল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, গেল বুধবার শিশু শান্তার মরদেহ উদ্ধারের পর মাজেদসহ ওই গ্রামের চারজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেনের ছেলে মাজেদ রহমান শিশু শান্তাকে হত্যার পর ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। পরে শুক্রবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।     

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌধুরী মালঞ্চ মিরপুর মধ্যপাড়া গ্রামের সিএনজি চালক সাদেক আলীর মেয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ১০ বছরের শিশু শান্তা গেল 

বুধবার দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ হয়। এনিয়ে এলাকায় মাইকিংও করা হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে শান্তার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়। পরের দিন বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন হয়।

এ ঘটনায় নিহত শান্তার ভাই সানি আলম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments