দাঁড়ি কেটে ভারতে পালাতে চেয়েছিলেন গণধর্ষণের আসামি সাইফুর

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে রবিবার ভোরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দুদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পর রবিবার সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে গ্রেপ্তার এড়াতে নিজের চেহারায় পরিবর্তন এনেছিলেন সাইফুর। ধরেন ছদ্মবেশ।

পুলিশ জানায়, সাইফুরের মুখে লম্বা দাড়ি থাকলেও গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি দাঁড়ি কেটে ফেলেন। চুলও ছোট করে ফেলেন। তবে ছম্মবেশ ধরেও বাঁচতে পারেননি সাইফুর।

সিলেটের বালাগঞ্জের চান্দাইপাড়া গ্রামের তাহিদ মিয়ার ছেলে সাইফুর তরুণী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি। এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগ থেকে তিনি মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছেন। গত শুক্রবার এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে সাইফুরসহ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন।

গ্রেপ্তারের পর ইতোমধ্যে মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানা কাছে সাইফুরকে হস্তান্তর করেন।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার বিকেলে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার এক দম্পতি। ছাত্রলীগের ৫/৬ জন নেতাকর্মীকে তাদের ধরে ছাত্রাবাসে নিয়ে আসে। সেখানে দুজনকেই মারধর করে তারা। পরে স্বামীকে বেঁধে রেখে তার সামনেই স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের শিকার তরুণী বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি আছেন।

এঘটনায় শনিবার ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ধর্ষিতার স্বামী। পুলিশ রবিবার সকালে সুনামগঞ্জ থেকে সাইফুর রহমান ও হবিগঞ্জ থেকে অর্জুন লস্কর নামে দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে।

0
0
সর্বমোট
0
শেয়ার

Comments

comments