
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি
পেয়েছে। কাঠালিয়া-রাজাপুর উপজেলার বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে ২৫ গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
বিশেষ করে কাঠালিয়া
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বড় কাঠালিয়া, পূর্ব কচুয়া, লতাবুনিয়া, রঘুয়ার দড়ির চর,
সোনার বাংলা, আওরাবুনিয়া, জাঙ্গালিয়া, ছিটকী ও আমুয়াসহ বিষখালী নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের
পনেরোটির অধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এছাড়াও রাজাপুর
উপজেলার চর পালট এলাকার কয়েকটি গ্রাম, বাদুরতলা, বড়ইয়া ও মানকীরচর এলাকার গুচ্ছগ্রামসহ
আরও দশটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা ও ২০০ টন চাল মজুদ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ৫৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ও ৪৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্রে রূপ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গঠন করা হয়েছে ৩৭টি মেডিক্যাল টিম।

