
মানিলন্ডারিং
আইনে দুদকের করা মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড পাওয়া ডেসটিনির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান
হারুন-অর-রশিদকে বিদেশ ভ্রমণে চার মাসের অনুমতি দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৩
জানুয়ারি) এ মামলায় জামিনে থাকা হারুনের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নজরুল
ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আসামি
পক্ষে আইনজীবী রবিউল আলম বুদু, দুদকের পক্ষে আইনজজীবী মো. খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক শুনানি করেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী
খুরশীদ আলম খান বলেন, আদালতের জিম্মায় থাকা পাসপোর্ট নিয়ে হারুন-অর-রশিদ চার মাসের
জন্য বিদেশে যেতে পারবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে
হবে।
২০২২ সালের
১২ মে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের এই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)
রফিকুল আমীন, কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদসহ ৪৬ জনকে বিভিন্ন
মেয়াদে কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল
আলম।
এ সময় রফিকুলকে
১২ বছরের কারাদণ্ড ও ২০০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ
হোসেনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট
ও সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও অন্য আসামিদের ৫ থেকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড দেওয়া
হয়েছে।
জানা গেছে,
মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি
টাকা সংগ্রহ করে। সেখান থেকে আত্মসাৎ করা হয় ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
এরপর ডেসটিনির
এমডি রফিকুল আমিনসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়। এরমধ্যে কো-অপারেটিভ সোসাইটির
মামলায় ৪৬ জন এবং ট্রি-প্ল্যানটেশন মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। মোট আসামি ৬৫ জন হলেও
রফিকুল আমিনসহ ১৪ জনের নাম দুই মামলায় থাকায় মোট আসামি ৫১ জন।

