
কয়েক দফায় বাড়ার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি
তেলের দাম কমেছে। সেই সাথে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও কমেছে। গত এক সপ্তাহে অপরিশোধিত
তেল এবং ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমেছে প্রায় এক শতাংশ। হিটিং অয়েলের দাম কমেছে দুই
শতাংশের ওপরে। আর প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম কমেছে প্রায় সাড়ে ১৩ শতাংশ।
করোনার কারণে গেলো এপ্রিলে বিশ্ববাজারের
ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতনের মধ্যে পড়ে তেল। প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ঋণাত্মক
৩৭ ডলারের নিচে নেমে যায়। এই দরপতনের পর বাড়তে থাকে তেলের দাম। গেলো বছর প্রতি ব্যারেল
অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ ডলারের আশেপাশে ছিলো। এরপর গেলো অক্টোবরে অপরিশোধিত ও ব্রেন্ট
ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে যায়। তবে নভেম্বর থেকে আবার বাড়তে শুরু করে তেলের
দাম।
কয়েক দফা দাম বেড়ে করোনার মধ্যে প্রথমবার
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৬০ ডলারে
উঠে আসে। তারপর জুনে অপরিশোধিত তেরের ব্যারেল ৭৫ ডলারে উঠে আসে। আর অক্টোবরের শেষে
তেলের দাম ৮৪ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এর মাধ্যমে গেলো সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হয় তেলের
দাম।
এদিকে গত এক সপ্তাহে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম কমেছে ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।এতে মাসের ব্যবধানে প্রকৃতিক গ্যাসের দাম কমেছে ১৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

