
ভোলার চরফ্যাশনে চার পা নিয়ে একটি দেশি
প্রজাতির মুরগির বাচ্চা ফুটেছে। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওই গ্রামের বাসিন্দা মিলন কাজীর স্ত্রী
জরিনা বেগমের পালিত মুরগি ডিমে ‘তা’ দেওয়ার পর চার
পাওয়ালা বাচ্চাটি ফোটে।
বাড়ির বাসিন্দারা জানান, গত শুক্রবার চার
পা নিয়ে ডিম থেকে একটি মুরগির বাচ্চা ফুটেছে। প্রথম তারা বিষয়টি খেয়াল করেননি। রোববার
বিকালে বাড়ির উঠানে মুরগির বাচ্চাটিকে মায়ের সঙ্গে হাঁটতে দেখে বিষয়টি তাদের নজরে আসে।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার উৎসুক জনতা
মুরগির বাচ্চাটিকে একনজর দেখতে কাজীবাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জোবাইদা জানান, কিছু
দিন আগে জরিনা বেগমের বসতঘরের খামারে ডিম ফুটে ১৫টি বাচ্চা হয়। ১৪টি বাচ্চা দুই পা
নিয়ে ফুটলেও একটি বাচ্চার চার পা দেখা যায়।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ
কুমার মণ্ডল জানান, জেনিটিক ডিজঅর্ডার বা জিনগত ত্রুটির কারণে এমনটি হতে পারে। তবে
এ ধরনের মুরগির বাচ্চা স্বাভাবিক জীবন হারিয়ে ফেলে দুর্বল হয়ে পড়ে। তারা বেশিদিন বাঁচতে
পারে না। তবে স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণ করতে পারলে বেঁচে যেতেও পারে।

