Logo
শিরোনাম

‘দখল-ভরাটে বিলুপ্ত ২১ খাল’ পুনরুদ্ধারের ঘোষণা মেয়রের

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুলাই ২০২৩ | ২৭১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগাপ্রকল্পের আওতায় নগরীর ৩৫টি খাল খনন ও সম্প্রসারণ করলেও ২১টি খাল বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়। সিএস খতিয়ানে খালগুলোর অস্তিত্ব থাকলেও এখানে বহুতল ভবনসহ নানা ধরণের স্থাপনা রয়েছে। দখল হওয়া এই খালগুলো চিহ্নিত করে এগুলো অবশ্যই পুনরুদ্ধার করা হবে এবং কাউন্সিলররা এই খালগুলো চিহ্নিত করবেন।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) নগরীর আন্দরকিল্লা পুরাতন নগর ভবনে কেবি আবদুচ সাত্তার মিলনায়তনে চসিকের ৬ষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদের ১১তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র আবদুস সবুর লিটন, মো. গিয়াস উদ্দিন, আফরোজা কালাম, সচিব খালেদ মাহমুদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুন নাহার, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলীসহ কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর, বিভাগী প্রধান, শাখা প্রধান ও সেবা সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

মেয়র আরও বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের কাজে অধিকতর গতিশীলতা চাই। শুকনো মৌসুমে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। ছোট-বড় নালা নর্দমা ও খালগুলো থেকে আবর্জনা, মাটি ও পলিথিন সরিয়ে ফেলা হবে। মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের কাজে খালগুলো যেখানে বাঁধ বা দেয়াল আছে সেগুলো সিডিএর সাথে সমন্বয় করে সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সিডিএর মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নিরাপত্তা বলয়ের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে প্রাণঘাতী কোন বিপর্যয় না ঘটে।

মেয়র রাজস্ব আয়ের পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শুধুমাত্র গৃহকরের মধ্যেই রাজস্ব আয়ের পরিধি প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। অনেকেই ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করছে। তাদেরকে লাইসেন্সের আওতায় আনতে হবে। গৃহকরের ক্ষেত্রেও ফাঁকিবাজি আছে। অনেক বাড়ি মালিক বাড়ির কর দিতে অনীহা করে এবং কর আদায়কারীর সাথেও দুর্ব্যবহার করে। এসব বাড়ির মালিকদের সাথে টিও বা রাজস্ব কর্মকর্তাদের আলোচনা করে কর আদায়ে সচেষ্ট হতে হবে। রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে যে ২৬টি খাত রয়েছে সেই খাতগুলোর আয় নিশ্চিত করতে হবে। এই খাতগুলো থেকে কর আদায়ের ক্ষেত্রে কোন ঢিলেমী চলবে না বলে সর্তক করেন মেয়র।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর