
শ্রীলংকার যারা গৃহকর্মীর কাজ করছে কিংবা
যারা এই পেশায় নিয়োগ পেতে চায়, তাদের সবাইকে স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে নিবন্ধন
করার আদেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। এ মাসে বিরোধী দলীয় এক রাজনীতিবিদের বাড়িতে কর্মরত
১৬ বছর বয়স্ক একটি মেয়ের মৃত্যুর পর এই পদক্ষেপ নেয়া হলো। এ খবর বিবিসি বাংলা’র।
শ্রীলংকায় হাজার হাজার গৃহকর্মীর কাজের পরিবেশ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। সেই মেয়েটি আগুনে পোড়ার ক্ষতের কারণে মারা যায়। কিন্তু ময়না তদন্তে দেখা যায়, তার ওপর যৌন অত্যাচার চালানো হয়েছিল। পরে দেশটির একজন মন্ত্রী বলেছেন, এই পদ্ধতির ফলে তাদের যেন জোর করে কাজ করানো না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।
শ্রীলংকার আইন অনুযায়ী, বাবুর্চি ও অন্যান্য গৃহকর্মীদের জন্য ন্যূনতম বেতন ঠিক করা নেই। এদের বেশিরভাগই তামিল জাতিগোষ্ঠীর, ব্রিটিশ জামানায় যাদের পূর্বপুরুষকে চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে ভারত থেকে আনা হয়েছিল। অনেকেই গৃহকর্তার বাড়িতে থেকেই কাজ করেন এবং গড়পড়তা মাসে ১০০ ডলার সমপরিমাণ অর্থ বেতন পান।
অধিকার কর্মীরা অভিযোগ করছেন,
এই গৃহকর্মীদের অনেককেই কোন বিরতি ছাড়া দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয় এবং নানা রকম নির্যাতন
ভোগ করতে হয়।

