
দিনাজপুরের হিলিতে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত
রয়েছে, সেইসঙ্গে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। সকাল থেকে রোদের দেখা মিললেও সূর্যের তেজ খুব
কম। বিশেষ করে বিপাকে রয়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। কষ্টে দিন পার করছেন তারা।
শফিকুল ইসলাম নামে এক শ্রমিক জানান, শীতের
কারণে সকালে বাড়ি থেকে বের হতে কষ্ট হয়। তবুও কাজের সন্ধানে বাজারে যাচ্ছি। কারণ, সংসারে
৪ জন সদস্য রয়েছে। বাড়িতে বসে থাকলে সংসার চালাতে কষ্ট হয়।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ তোফাজ্জল
হোসেন জানান, রোববার (৩০ জানুয়ারি) দিনাজপুরে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮
দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ৯০ শতাংশ, বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩ থেকে
৪ কিলোমিটার। তবে বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এটি উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায়
৮ থেকে ১০ কিলোমিটার গতিতে ধাবিত হতে পারে।
এ ছাড়াও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৭ দশমিক
৫, তেঁতুলিয়া ৭ দশমিক ৬, সৈয়দপুর ৮ দশমিক ২, রংপুর ৯ দশমিক ৫, ডিমলা ৮ দশমিক ৯, নওগাঁ
৮ দশমিক ৫, রাজশাহী ৮ দশমিক ৬, চুয়াডাঙ্গা ৮ দশমিক ৬, শ্রীমঙ্গল ৯ দশমিক শূন্য ডিগ্রি
তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখন পর্যন্ত তেঁতুলিয়ায়
৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও জানান, চলমান শৈত্যপ্রবাহটি অব্যাহত
রয়েছে। সেই জন্য শীতের প্রকোপ একটু বেশি রয়েছে।

