
দেশের দ্রুততম
মানব মোঃ ইসমাইলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন।
২ অক্টোবর ফেডারেশন তাকে এক বছরের জন্য সকল প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করেছিল। ৬ ডিসেম্বর
তার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে চিঠি ইস্যু করে ফেডারেশন।
টোকিও অলিম্পিকসে
ফেডারেশন ৪০০ মিটার স্প্রিন্টে জহির রায়হানকে মনোনীত করে। দ্রুততম মানব ইসমাইল ভেবেছিলেন ফেডারেশনের সিদ্ধান্তে
তার অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। ফেডারেশনের এই সিদ্ধান্তের পুনঃবিবেচনার জন্য অলিম্পিক এসোসিয়েশনকে
চিঠি দেন এবং মিডিয়ায় ফেডারেশনের সিলেকশন নিয়ে মন্তব্য করেন। ইসমাইলের অলিম্পিকে চিঠি
দেয়া এবং মিডিয়ায় মন্তব্য করা নিয়ে ফেডারেশন একটি তদন্ত কমিটি করে এবং সেই রিপোর্টের
ভিত্তিতে কার্যনির্বাহী কমিটি সভায় তাকে দেশ-বিদেশের সকল খেলা থেকে ২ অক্টোবর থেকে
১ বছরের জন্য নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত হয় ।
২ মাসের বেশি
সময় নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকার পর এখন মুক্তি অনুভব করছেন দেশের দ্রুততম মানব, 'এই ২
মাস অনেক মানসিক চাপে ছিলাম। ফেডারেশনের সভাপতি স্যারের কাছে মাফ চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম।
সভাপতি ও ফেডারেশন আমার চিঠি আমলে নেয়ায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ফেডারেশনের পাশাপাশি আমার
সংস্থা নৌবাহিনীকেও ধন্যবাদ জানাই কঠিন সময়ে পাশে থাকায়।
অ্যাথলেটিক্স
ফেডারেশনের সভাপতি আলী কবিরকে ইসমাইল চিঠি দিয়েছিলেন গত মাসে। সভাপতি চিঠি পেয়ে শাস্তি
প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন কয়েকদিন পর। ফেডারেশনের কিছু আনুষ্ঠানিকতা ছিল সেগুলো
গতকাল সম্পন্ন হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আসন্ন জাতীয় অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে বাঁধা নেই ইসমাইলের। ১-৩ জানুয়ারি জাতীয় অ্যাথলেটিক্স বিকেএসপিতে হওয়ার কথা ছিল। ভেন্যু ও সময়ের পরিবর্তন হতে পারে। অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন বিকেএসপির বদলে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেক্ষেত্রে ১ জানুয়ারির পরিবর্তে ৩ অথবা ৪ জানুয়ারি শুরু হবে জাতীয় আসর।

