
ইয়েমেনের যুদ্ধরত পক্ষগুলো দুই মাসের অস্ত্রবিরতি
পালনের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। রমজান মাসের প্রথম দিন শনিবার এ অস্ত্রবিরতি শুরু হয়েছে।
মুসলমানদের কাছে মাসটি পবিত্র। তারা জ্বালানি সরবরাহ ও সানা বিমানবন্দরের বিষয়েও একটি
চুক্তি করে। এ তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘ।
একেবারে সংঘাতপূর্ণ এ দেশের ক্ষেত্রে এ
ঘোষণা থেকে একটি আশার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আরব বিশ্বের একেবারে দরিদ্র দেশ ইয়েমেনে এ
সংঘাতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে লাখ লাখ মানুষ দেশ
ছেড়ে চলে গেছেন।
ইয়েমেন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষ দূত হ্যান্স
গ্রুনবার্গ এক বিবৃতিতে বলেন, “সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলো দুই মাস যুদ্ধ
পালনে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবের ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দেয়। আর এটি ২ এপ্রিল শনিবার
থেকে শুরু হয়েছে।”
এ অস্ত্রবিরতি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে দুই মাসের মেয়াদের পর আরো বাড়ানো যেতে পারে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে দেশটিতে শান্তি আনয়নে ‘রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার’ অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ খবরকে
স্বাগত জানান এবং এটিকে ইয়েমেনের জনগণের জন্য সাময়িক উপশম বলে আখ্যায়িত করেন। তবে তিনি
বলেন, “এক্ষেত্রে আরো
উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রয়োজন।”

