
জিনজিয়াংয়ের সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের
কাছ থেকে বলপ্রয়োগে শ্রম আদায় নৈতিকভাবে জঘন্য এবং অর্থনৈতিকভাবেও গ্রহণযোগ্য না।
উন্নত অবকাঠামো নির্মাণে নিম্ন ও মধ্য
আয়ের দেশগুলোকে সহায়তা কারতে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন চীনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করতে চাওয়া জি৭ নেতারা। বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা চীনের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে শনিবার (১২ জুন)
এ উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে।
পশ্চিমা দেশগুলো মনে করে চীনের বেল্ট অ্যান্ড
রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এ প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নশীল
দেশগুলোর অবকাঠামো নির্মাণে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অর্থ ঢালছে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির
দেশটি।-খবর বিবিসির
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, আমি
চাচ্ছি, চীনা কর্মসূচির উন্নতমানের বিকল্প হবে মার্কিন সমর্থিত বিল্ড ব্যাক বেটার ওয়ার্ল্ড
(বি৩ডব্লিউ) পরিকল্পনা। অর্থাৎ চীনারা যেসব অবকাঠামো নির্মাণ করে আসছে, নতুন পরিকল্পনার
অধীন তার চেয়েও ভালো মানের প্রকল্প নেওয়া হবে।
বিভিন্ন দেশকে ট্রেন, সড়ক ও বন্দর নির্মাণে
আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে চীনের অর্থনৈতিক উদ্যোগ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ। কিন্তু
সহায়তা নেওয়া দেশগুলোর ওপর চীন ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ সমালোচকদের।
কর্নওয়ালের ইংলিশ কাউন্টিতে সম্মেলনে জি৭
নেতারা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তারা একটি মূল্যবোধ-তাড়িত উঁচু মানের ও
স্বচ্ছ অংশীদারিত্ব চাচ্ছেন।’ তবে এই পরিকল্পনায় জি৭-এর দেশগুলো
কীভাবে অর্থায়ন করবে, তা নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
চীনের ঋণ-কূটনীতির সবচেয়ে বেশি সমালোচক
যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা মূল্যবোধের জয়জয়কার দেখতে চাচ্ছেন বাইডেন প্রশাসনের
কর্মকর্তারা।
তাদের যুক্তি, অনেক বেশি মূল্য নিয়ে আসে
চীনের বিনিয়োগ। জিনজিয়াংয়ের সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের কাছ থেকে বলপ্রয়োগে শ্রম আদায়
নৈতিকভাবে জঘন্য এবং অর্থনৈতিকভাবেও গ্রহণযোগ্য না।
এদিকে মহামারি বন্ধে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে বিশ্বের সাত ধনী গণতান্ত্রিক দেশের জোট জি৭। যার মধ্যে একটি হচ্ছে টিকা উৎপাদনের সময় কমিয়ে নিয়ে আসা। কর্নওয়ালের ক্যারবিস উপসাগরীয় রিসোর্টে তিন দিনের এই সম্মেলনের আয়োজন করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

