
দেশের সব কারাগার ও থানায় ক্রমান্বয়ে বায়োমেট্রিক
পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রকৃত আসামি শনাক্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ও কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।
আজ (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি এম ইনায়েতুর
রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের
পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি
জেনারেল বিপুল বাগমার।
একই সঙ্গে নাশকতার মামলায় ভুল আসামি জহির
উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।
এছাড়াও তিনটি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে
বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। এর প্রথমটি হলো বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে সব থানায়
আসামির হাতের আঙুল ও তালুর ছাপ, চোখের মণি, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন। দ্বিতীয়টি
গ্রেফতারের পর আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি ধারণ ও কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষণ। তৃতীয়টি
দেশের সব কারাগারে আঙুল ও হাতের তালুর ছাপ, চোখের মণি সংরক্ষণের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক
তথ্য সংরক্ষণ সিস্টেম চালু করা।

