Logo
শিরোনাম

খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় সতর্ক পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৭৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের সব দেশের মধ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায় বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. মোমেন এ কথা জানান। তিনি বলেন, যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আমাদের সামনে আরো চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশ এই যুদ্ধের কারণে বিপাকে পড়েছে। আসন্ন শীতে ইউরোপের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ যাতে আগে থেকে প্রস্তুত থাকতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেয়া শুরু হয়েছে। সরকারের এসব অগ্রীম পদক্ষেপের কারণে আমাদের দেশ খুব একটা সমস্যায় পড়বে না বলে আশা করছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সারা বিশ্ব, বিশেষ করে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়। বিশ্বায়নের এই যুগে শান্তি ও স্থিতিশীলতা না থাকলে তা সবার জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে তা আমরা জানি না। যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী পণ্য সরবরাহ ও আর্থিক ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, যার প্রভাবে সবার ওপর পড়ছে। সে জন্যই আমাদের বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। এর আগে শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশ এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না। আমরা সব শিশুর জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, বঙ্গবন্ধু বার্ট্রান্ড রাসেলের নাম অনুযায়ী তার ছোট ছেলের নাম রাখেন। সেই সময়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছিলেন বার্ট্রান্ড রাসেল। বঙ্গবন্ধু শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী বলেই তার ছেলের নাম রাখেন রাসেল।

নোবেলজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী এক ভিডিও বার্তায় বলেন, শেখ রাসেলকে হত্যার ঘটনা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। শেখ রাসেলের মতো কোনো শিশুর ভাগ্যে যেন এমন ঘটনা না ঘটে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস ও শেখ রাসেলের সহপাঠী হাফিজুল হক বক্তব্য দেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

আলোচনা সভার শুরুতে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব।


আরও খবর