
পর পর সারি বেঁধে
বসানো রয়েছে অসংখ্য মাটির পাত্র। সবই সাদা কাপড়ে বাঁধা। পাত্রগুলোতে রয়েছে করোনায়
মৃত নাম-পরিচয়হীন সহস্রাধিকের চিতাভস্ম। বেঙ্গালুরু শহরের সুমনাহল্লি শ্মশানের চিত্র
এটি।
প্রতিটি পাত্রের
একটি নম্বর রয়েছে। পাত্রগুলো কাবেরী নদীর ঘাটে
আনা হয় প্রথা মেনে। ঘাট থেকে ভাসিয়ে দেওয়া
হয় ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ এক হাজার ২০০ জনের দেহাবশেষ। খবর আনন্দবাজারের।
ঘটনা বেশ অমানবিকই
বটে। করোনা মহামারির ভয় মানুষের মধ্যে এমনভাবে ঢুকে গেছে যে, মানুষ মরদেহ সৎকারের ক্ষেত্রেও
বাছবিচার শুরু করতে বাধ্য হয়েছে। করোনার আতঙ্কে বহু পরিবার মৃত স্বজনের চিতাভস্ম পর্যন্ত
নিতে রাজি নয়। আবার প্রথা মেনে আচার-অনুষ্ঠান করার সামর্থ্যও নেই অনেকের।
বেঙ্গালুরু টিআর
মিলস শ্মশানের কনট্রাক্টর কিরণ কুমার বলেন, একটা পরিবারে দুই-তিনজন করোনায় মারা গেলে
বাকি সদস্যরা আর শ্মশানে এসে ছাই সংগ্রহ করেন না।
দীর্ঘদিন ধরে
প্রচুর ছাইভর্তি মাটির পাত্র জমেছে শহরের প্রায় সবকটি শ্মশানেই। তাই বাধ্য হয়ে সরকারকেই
চিতাভস্ম নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কাজ করতে হচ্ছে।

