
বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে আরও বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠন। তারা বলছেন এখনও বাংলাদেশে সহিংসতা হচ্ছে। পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক সমাবেশ ডাকা হচ্ছে এবং বিরোধী দলের বিক্ষোভ পুলিশি দমনের মুখোমুখী হচ্ছে।
বেশ কয়েকদিন আগে মার্কিন সিনেটের টম ল্যান্টোস মানবাধিকার কমিশনে বাংলাদেশের মানবাধিকার ইস্যুতে শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। শুনানীতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছাড়াও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।
এসময় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন আরও নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন পন্থা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানায়। তারা বলে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা হচ্ছে। প্রতিযেগিতামূলক রাজনৈতিক সমাবেশ হচ্ছে। ফলে আন্ত;দলীয় সহিংসতা বাড়ছে এবং বিরোধী দলের সমাবেশ বন্ধ করা হচ্ছে।
সংগঠনের নেতারা বলছেন, এর আগের নির্বাচনেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র। তারা বলছে, বাংলাদেশ সরকার এ ধরনের লংঘনের তদন্ত ও সমাধানের জন্য নিরপেক্ষ ও কার্যকর জবাবদিহি ব্যবস্থা গ্রহণ না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যামান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা উচিত হবে না।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের নবম নিরাপত্তা সংলাপ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ২০১৮ সালের যে নীতিমালা আছে সেটি পর্যালোচনা করবে বলেও জানা গেছে।
আসছে ২৩শে আগস্ট নির্বাচন কমিশন, তথ্য, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র তিন মন্ত্রনালয় এবং রাজস্ব বোর্ডের সাথে বৈঠকে বসবে। নীতিমালায় কোন পরিবর্তন দরকার কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে ঐ বৈঠকে।

