
নতুন দিনের বার্তা
দেওয়ার কথা ছিল। অথচ ব্যাটারদের মধ্যে দেখা গেল পুরোনো রোগ। ২৮ রানে নেই ৪ উইকেট। শুরুতেই
বড় বিপর্যয়ে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে ৭ উইকেটে ১২৭ রান, সম্মানজনক পুঁজিই
বলা যায়। অর্থাৎ জিততে হলে আফগানিস্তানকে করতে হবে ১২৮ রান।
শারজাহ আন্তর্জাতিক
ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। এক চারে ৮ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরত
যান দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা নাঈম শেখ। মুজিব-উর-রহমানের বলে বোল্ড হয়েছেন তিনি।
এই স্পিনার নিজের
দ্বিতীয় ওভারেই ফিরিয়েছেন এনামুল হক বিজয়কে। এই ওপেনার সুইপ করতে গেলে বল প্যাডে লাগে,
শুরুতে আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউতে বাঁচতে পারেননি তিনি। ১৪ বল খেলে কেবল ৫ রান
করেন বিজয়।
সাকিব আল হাসানকে
বেশ সাবলীলই মনে হচ্ছিল। টানা দুই বলে দুই চারও হাঁকিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মুজিবের
বলে বোল্ড হয়ে থেমেছে ৯ বলে তার ১১ রানের ইনিংস। এরপর মুশফিকুর রহিমও নিজের ইনিংসকে
লম্বা করতে পারেননি।
৪ বলে ১ রান করেন
তিনি, এলবিডব্লিউ হন রশিদ খানের বলে। একই দশা হওয়া আফিফ ১৫ বলে ১২ রান করেন। ক্রিজে
অনেক্ষণ টিকে থাকলেও নিজের ইনিংসকে অর্থবহ করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রশিদের
বলে ইব্রাহিম জাদরানের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে ১ চারে ২৭ বলে ২৫ রান করেন তিনি।
বাংলাদেশকে লড়াই
করার মতো সংগ্রহ এনে দেন মোসাদ্দেক হোসেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৩ চার ও ১ ছক্কায়
৩১ বলে ৪৮ রান করেন তিনি।

