
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকা
উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট নিয়ম
মেনে তাড়াতাড়ি টিকা দিতে চাইলে এক মাসের মতো সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ওষুধ উৎপাদনকারী
প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নাজমুল হাসান
পাপন।
আজ সোমবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে এক সংবাদ
সম্মেলনে এ কথা বলে পাপন। সেরামের ভ্যাকসিন দেশে আমদানির জন্য সরকার ও সেরামের সঙ্গে
যুক্ত তৃতীয় পক্ষ বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।
পাপন বলেন, ভারতের
সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বাংলাদেশে আনতে জি টু জির
(সরকার থেকে সরকার) কোনও প্রশ্নেই ওঠে না, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব জি টু জির কথা
কিভাবে বললেন, সেটি আমার জানা নেই ।
এর আগে সোমবার
সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো.
আবদুল মান্নান বলেন, ভারত সরকার কেবল কমার্শিয়াল কর্মকান্ডের উপর ভ্যাকসিন প্রেরণে
নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের সাথে হওয়া চুক্তির উপরে ভারতের নিষেধাজ্ঞা থাকবে
না বলেই জানা গেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ভ্যাকসিন হাতে পেতে হয়তো বড়জোর ফেব্রুয়ারি মাস
লাগতে পারে।
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের এমডি পাপন বলেন, ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট টিকা সঙ্গে বেক্সিমকোর যে চুক্তি হয়েছে সেই চুক্তির সবগুলো নিয়মকানুন মেনে টিকা আনতে প্রায় ১ মাস সময় লাগতে পারে। প্রতি মাসে ১ কোটি করে টিকা এলে তিন মাসে ৩ কোটি টিকা আসার কথা রয়েছে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের আগেই চুক্তি হয়েছে। টিকা আমদানিতে কোনো সমস্যা নেই।

