
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় অফিসে ঢুকে জনস্বাস্থ্যের সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদের আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। এ সময় অফিস কক্ষও ভাঙচুর করা হয়।
রোববার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪ টার সময় উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী শমেশ আলীকে মারধরের ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আহত প্রকৌশলীকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী শমেশ আলী।উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী শমেশ আলী।
ভুক্তভোগী প্রকৌশলী শমেশ আলী বলেন, তাসলিমা এন্টারপ্রাইজের মালিক ঠিকাদার আলমগীর হোসেন তাদের যাবতীয় টাকা তুলে নিয়ে গেছেন। কিন্তু অবৈধভাবে ম্যাজারমেন্ট বুক চেয়েছিল। আমি দিতে দেরি করায় আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে চুন্নু বেপারীসহ মোট ৪ জন মিলে আমাকে এলোপাথাড়ি ঘুষি, লাথি, থাপ্পড় ও জুতা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। তাদের মারধরে আমি কোয়াটার আশ্রয় নেই। পরে ইউএনও স্যার এসে আমাকে উদ্ধার করে।
ঠিকাদার এস এম আলমগীর হোসেন বলেন, ৬০ হাজার টাকা ঘুষের জন্য প্রকৌশলী শমেশ আলী দীর্ঘদিন ধরে আমার প্রতিষ্ঠানের এমবি আটকিয়ে রেখেছে। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার প্রথমে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও পরে ধস্তাধস্তি হয়। এখন সে নিজে সুবিধা নেওয়ার জন্য মিথ্যা মারধরের অভিযোগ করছে।
ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহালুল খান বলেন, এ ঘটনায় আটক ৪ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উপজেলা চত্বরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে শারীরিকভাবে হেনস্থাকারী ঠিকাদারসহ ৪ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

