
মাত্র ২৯ রানে
সাত উইকেটের পতন হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবাগত দলটির। শেষ দিকে কিছুটাও হলে প্রতিরোধ
গড়ার চেষ্টা করে পিএনজি। যদিও বাংলাদেশি বোলাররা ৯৭ রান খরচ করে সব কয়টি উইকেট তুলে
নেয়। এতে ৮৪ রানের বড়য় জয়ে মূল পর্ব নিশ্চিত করলো টাইগাররা।
বৃহস্পতিবার
(২১ অক্টোবর) বাংলাদেশের দেয়া ১৮২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি
পিএনজি’র টপ অর্ডার।
অষ্টম উইকেটে
২৬ বলে ২৫ রানের জুটি গড়েন চাদ সোপার ও কিপলিন ডরিগা মিলে। ১২ বলে ১১ করে বিদায় নেন
সোপার।
আল আমেরাত ক্রিকেট
স্টেডিয়ামে নবম উইকেটে কাবুয়া মরেয়াকে নিয়ে ১৭ বলে আরও ২৫ রান তুলেন ডরিগা। ৬ বলে ৩
রান করে মাঠ ছাড়েন মরেয়া।
ওমানের রাজধানী
মাস্কাটের এই মাঠে ডরিগার সঙ্গে ১১ বলে ১৭ যোগ করেন শেষ ব্যাটার ডেমিয়েন রাভু। পাঁচ
বলে পাঁচ রান করে ফেরেন রাভু। অন্যদিকে একা লড়াই চালিয়ে যাওয়া ডরিগা ৩৪ বলে ৪৬ রান
করে অপরাজিত ছিলেন। যা নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রান। তার ব্যাট থেকে দুটি করে ছক্কা
ও চার আসে।
বাংলাদেশের হয়ে
চারটি উইকেট আদায় করেন সাকিব আল হাসান। অন্যদিকে ব্যাট হাতে ৩৭ বলে ৪৬ রান তুলেন তিনি।
ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ম্যাচ সেরা হয়েছেন সাকিব।
এদিন দুটি করে
উইকেট শিকার করেছেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও তাসকিন আহমেদ। একটি উইকেট তুলেছেন শেখ মাহাদী
হাসান।
মূল পূর্ব নিশ্চিতের
লড়াইয়ে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ দলনেতা মাহমুদউল্লাহ
রিয়াদ।
২৮ বলে অধিনায়াকের
করা ৫০ রানের ইনিংসে ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৮১ রান করে লাল-সবুজরা। তিন ছক্কা ও তিনটি
চারে ইনিংসটি সাজান মাহমুদউল্লাহ।
দুই বল খেলে রানের
খাতা না তুলেই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশের ওপেনার নাঈম শেখ। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে
সুবিধা না করতে পারা লিটন দাস এদিন ২৩ বলে ২৯ রান তোলেন। একটি করে ছক্কা ও চার আসে
ডান-হাতি এই ওপেনারের ব্যাট থেকে।
অন্যদিকে তিন
ছক্কায় ৩৭ বলে ৪৬ রান করেন সাকিব আল হাসান। তিনটি চার হাঁকিয়ে ১৪ বলে ২১ রান তুলেন
আফিফ হোসেন ধ্রুব। প্রথম বলেই ফিরে যান নুরুল হাসান সোহান।
৬ বলে ১৯ রানের
ইনিংস খেলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। দুটি ছক্কা ও একটি চার আসে তার ব্যাট থেকে।
পিএনজির জার্সিতে
আসাদ ভালা ড্যামিয়েন রাভু, কাবুয়া মরেয়া দুটি করে উইকেট আদায় করেন। একটি উইকেট তুলেন
সিমন আতাই।

