
আগামী শুক্রবার
(২২ এপ্রিল) দেশের ২২টি জেলায় অনুষ্ঠিত হবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক
পদে প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন নিরাপত্তাব্যবস্থা
নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি
ও পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রাখতে জ্যামার বসানো
হচ্ছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, সেলফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে যাতে কেউ
পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন করতে না পারে সে জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রের এলাকাগুলোতে
জ্যামার বসানো হবে। পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল
ফোনের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রাখতে এসব জ্যামার বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া গোয়েন্দা
নজরদারিও অব্যাহত থাকবে।
প্রাথমিক শিক্ষা
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্নপত্র
ফাঁসের গুজব ঠেকাতে বিটিআরসি ও গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে। এ ছাড়া পরীক্ষায়
অনিয়ম বন্ধে প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্বে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। ম্যাজিস্ট্রেটের
তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র ঢাকা থেকে জেলার ট্রেজারি সংরক্ষণ এবং
উত্তরপত্র পৌঁছানো হবে। যেকোনো ইলেকট্রনিক কমিউনিকেটিভ ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষার্থীরা যাতে
কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টর বসানো
হবে। প্রার্থীদের কানে কোনো ডিভাইস আছে কি
না, তা কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।
সভা সূত্রে জানা
গেছে, মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে যাতে কেউ পরীক্ষার হলে অসদুপায়
অবলম্বন করতে না পারেন, সেজন্য প্রত্যেকটি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় জ্যামার
বসানো হবে। পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত মোবাইল ফোনের
নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রাখা হবে।
সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা
সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে
ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে। ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য
ডকুমেন্ট ঢাকা থেকে জেলার ট্রেজারি সংরক্ষণ এবং উত্তরপত্র পৌঁছানো হবে।যে কোনো প্রকার
ইলেকট্রনিকস কমিউনিকেটিভ ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষার্থীরা যাতে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারেন,
সেজন্য প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। নারী প্রার্থীদের কানে কোনো
ডিভাইস আছে কি না-তা কঠোরভাবে যাচাই করা হবে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব প্রতিরোধে বিটিআরসি ও গোয়েন্দা সংস্থা কাজ
করবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই সভায়।

