
শুরু হয়েছে
পবিত্র রমজান মাস। তীব্র গরমের এই সময় সারাদিন
রোজা রাখার কারণে অনেকেরই শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাহরি-ইফতারে
এমন কিছু খাবার রাখা উচিত যা সারাদিনের অনেকটা সময় শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারে।
যেমন-
শসা: শসায়
৯৫ শতাংশ পানি থাকে। এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ থাকায় সারাদিন রোজা রাখলেও শরীরে
শক্তি জোগাবে। এটি অন্ত্রের গতিবিধিও নিয়ন্ত্রণ করে।
তরমুজ: দিনের
তাপমাত্রা উপবাসের সময় শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। তাই হাইড্রেটেড থাকার জন্য
পানির উপাদান সমৃদ্ধ ফল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম। এটি শুধুমাত্র
শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখে না হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে ও প্রদাহ কমায়।
ডাবের পানি: এই হালকা পরিষ্কার পানীয়টি ৯৪ শতাংশ জলীয় উপাদান দিয়ে গঠিত। এটি শরীরে আর্দ্রতা
বজায় রাখার পাশাপাশি কিডনিতে পাথর প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
অল্প লবণযুক্ত
খাবার: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের ফলে শরীরে ঘাম হয় এবং শরীর আরও পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই
শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে রমজানে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া
হয়। এছাড়াও, শরীরে যে লবণের প্রয়োজন তা ফল এবং সবজি থেকে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যেতে
পারে। তাই ভাজা নোনতা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
ফলের রস: যদিও
তাজা ফল খাওয়া ভালো, ফলেরও রস তাৎক্ষণিকভাবে শরীরে শক্তি দেয়। শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য এই সময় কমলা, আপেল
থেকে শুরু করে পিচ ফল এবং যেকোন ধরনের তাজা ফলের রস খেতে পারেন। এই সময় লবণ এবং মসলা
এড়ানোর চেষ্টা করুন।
দুধ: যদি একবারে
বেশি পানি পান করতে না পারেন, তাহলে রোজায় খাদ্যতালিতায় দুধ যোগ করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র
পানিশূন্যতা রোধ করে তাই নয়, রোজায় সুস্থ থাকতে শরীরে ভাল পরিমাণে ক্যালসিয়াম দেবে।
দই: রোজায়
পানিশূন্যতা রোধ করতে দইও ভাল। কারণ এতে 88 শতাংশ পানি এবং প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম
রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাজা বেরির সাথে দই মিশিয়ে খেলে শরীরে আর্দ্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি
শক্তিও বাড়ে।

