
সীতাকুণ্ডের
কনটেইনার ডিপোয় ভয়াবহ বিস্ফোরণে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে অনেকে চলে গেছেন। ৭০ জন চিকিৎসাধীন। আর ৪ জন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক মানুষ। হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা রয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাতে আগুন লাগার পর রাত পৌনে ১১টার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। গতকাল রাত থেকে আজ রোববার সকালে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত একে একে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২২ হয়েছে। আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ অবস্থায় অভিযানে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।
আজ সকাল পৌনে
১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন এসে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন সাংবাদিকদের
বলেন, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা, আগুন যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য সেনাবাহিনীর
১৫০ থেকে ২০০ সদস্য অভিযানে অংশ নেবেন।’
আগুনের সূত্রপাত
কীভাবে হলো, তা এখনো জানা যায়নি বলে জানান চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ঘটনা তদন্তে ৯ সদস্যের একটি কমিটি করা হবে। কমিটিকে চার থেকে পাঁচ দিনের
মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হবে।
ফায়ার সার্ভিস
চট্টগ্রামের উপপরিচালক আনিসুর রহমানে বলেন, কনটেইনার ডিপোটিতে হাইড্রোজেন পারক্সাইড
নামে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল রয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনো জানা যায়নি।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। কিন্তু কাছাকাছি যাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ পরপর
ভেতর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ আসছে।

