
বগুড়ার শেরপুরে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে
এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। তার নাম সমীর সাহা পাপ্পা (৩০)।
সোমবার সন্ধ্যায়
শহরের গোসাইপাড়াস্থ বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়না তদন্তের জন্য
লাশ বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত
সমীর সাহা পাপ্পা একই এলাকার শ্যামল সাহার ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা
যায়, সোমবার বিকেলে নিজের ফেসবুক আইডির টাইমলাইনে ‘আমার মৃত্যুর জন্য আমার বাবা-মা ও শ্বশুর দায়ী’ লিখে পোস্ট
দেন পাপ্পা। এই পোস্ট দেওয়ার দেড় ঘণ্টা পর সন্ধ্যায় লাইভে এসে নিজ ঘরের দরজা-জানালা
বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী
জানান, বছর দুয়েক আগে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হন সমীর সাহা
পাপ্পা। ওই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। পাশাপাশি
বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন তিনি। এছাড়া আয়-রোজগার না থাকায় পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত।
এমন পরিস্থিতিতে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে জানান।
জানতে চাইলে শেরপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,
পারিবারিক কলহের কারণেই সমীর সাহা আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজনের খবরের ভিত্তিতে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল
মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

