
পশ্চিম ইউরোপে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায়
মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭০ জনে। নিখোঁজ হাজারো মানুষের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন
উদ্ধারকারীরা। বানের তোড়ে বহু ঘর-বাড়ি ভেসে যাওয়ায় সব হারিয়ে পথে বসেছেন বাস্তচ্যুত
মানুষ।
রেকর্ড বর্ষণে জার্মানি, নেদারল্যান্ডসের
বহু জায়গা তলিয়ে গেছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় জার্মানি। দেশটিতে বন্যায় এখন পর্যন্ত
১৪৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে চারজন দমকলকর্মী রয়েছেন। গত ৫০ বছরেও
এমন পরিস্থিতি দেখেনি এখানকার মানুষ।
পশ্চিম জার্মানির স্টেইনবাস্টাল বাঁধ ভেঙে
পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। শহরের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বাঁধের চারপাশের প্রায়
সাড়ে ৪ হাজার বাসিন্দাকে ইতোমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে।
বন্যায় রিনেল্যান্ড পালাটিনাটে এবং নথস
রিনে-ভেসপালিয়া রাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। গত বেশ কয়েকদিন ধরে পুরো অঞ্চলের জনবসতিগুলো
বিদ্যুৎবিহীন ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। ফ্লাশ ফ্লাড বা আকস্মিক বন্যায় পানির
স্রোতে বহু পুরনো বাড়ি-ঘর পানির নিচে। ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠত ধ্বংস্তূপে ফিরে এসেছেন
অনেকে। কিন্তু কিছুই আগের মতো নেই। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জার্মান
চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।
বেলজিয়ামের পরিস্থিতিও খুব একটা ভালো নয়।
এখন পর্যন্ত ২৪ জনের জন মারা গেছেন। নেদারল্যান্ডসে মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও আকস্মিক
বন্যার প্রভাব পড়েছে। এমন দুর্যোগকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

