
‘দেশের মানুষকে
সেবা নিতে এখন সরকারি দপ্তরে যেতে হয় না, সরকারি দপ্তর সবার বাড়িতে পৌঁছে গেছে’ বলে মন্তব্য
করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, প্রযুক্তির
প্রসারে জমির পরচা তোলা থেকে শুরু করে পরীক্ষার ফরম পূরণ, বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার মতো কাজে
জেলা ও উপজেলায় যেতে হয় না। এখন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে বসে এসব কাজ করা যায়।
এমনকি আমাদের ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজের
শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের মাধ্যামে আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেন বলেও
জানান পলক।
গতকাল সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জে রঘুনাথপুর মহাবিদ্যালয় মাঠে ‘জনতার মুখোমুখি
জনপ্রতিনিধি’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে বিদ্যালয় মাঠে বৃক্ষ রোপণ এবং শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব পরিদর্শন
করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের মুখোমুখি সেই
জনপ্রতিনিধি দাঁড়াতে পারে যার সততা ও সৎ সাহস আছে। জনগণের করের টাকা দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের
বেতন হয়, ভাতা হয়, সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাই জনগণের সেবা করাই জনপ্রতিনিধিদের
পবিত্র দায়িত্ব। এমপি শিবলী সাদিকের সততা এবং সৎ সাহস আছে বলেই জনতার আদালতে দাঁড়িয়ে
জনগণের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা
গত ১৩ বছরে ১৩ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছেন, আগামী শেখ রাসেলের জন্মদিনে
পাঁচ হাজার ডিজিটাল ল্যাব উদ্বোধন করবেন, ৩০০ শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার উদ্বোধন করবেন।
এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত হবে।
অনুষ্ঠানের উন্মুক্ত মুখোমুখি প্রশ্নোত্তর
পর্বে সাধারণ জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেন দিনাজপুর-৬ আসনের এমপি শিবলী সাদিক। জনগণের
মুখোমুখি অনুষ্ঠানে কৃষক, নারী শ্রমিক, শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা সরকারি বরাদ্দে সঠিক
ব্যবহার, সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম তৃণমূলে
ছড়িয়ে দেওয়া, সেচ, সারের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা পাকাকরণসহ
বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে এমপি শিবলী সাদিকের করণীয় সম্পর্কে জানতে চান।

