
আসন্ন বাজেটে
স্বাস্থ্যখাতে বেশি বরাদ্দ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী
জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘আজ থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু। আমি যতটুকু জেনেছি এবারের বাজেটে গতবছরের
তুলনায় স্বাস্থ্যখাত বেশি বরাদ্দ পাবে। আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
যাতে বেশি বরাদ্দ পায়।’
রবিবার রাজধানীর
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গ্র্যান্ড বলরুমে নিউরোলজিকাল বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জন
আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বলেন, ‘প্রয়োজন অনেক কিন্তু সারাদেশে নিউরোসার্জন মাত্র ২১০ জন। নার্স, টেকনোলজিস্ট
দরকার। তাই একটি প্রোপোজাল পাঠানো হয়েছে। করোনা বিশ্বজুড়েই অনেক প্রভাব ফেলেছে। করোনার
মধ্যে ১৫ হাজার নার্স, ১০ হাজার ডাক্তার নিয়োগ এবং আট বিভাগে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
হচ্ছে।’
বিভাগীয় পর্যায়ে
হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সব ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে গেছে।
এখন বিভাগের দিকে নজর দিতে হবে। আমরা ডি সেন্ট্রালাইজেশনের দিকে নজর দিচ্ছি। সমালোচনা
অনেক হয়েছে। কিন্তু করোনা এমন একটি ভাইরাস যা সম্পর্কে কারোরই জানা ছিল না। বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থাই আটবার মত পাল্টিয়েছে। ভারতে পাঁচ লাখ ও আমেরিকায় ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সে তুলনায় বাংলাদেশে অত্যন্ত কম। গত দুই-আড়াই মাস ধরে দেশে কোনো মৃত্যু নেই।’
স্বাস্থ্যসেবার
কথা উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ভালো, কিন্তু
টার্শিয়ারি পর্যায়ে এখনো পিছিয়ে।’
সংগঠনের সভাপতি
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক
ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে কনফারেন্সে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের চিকিৎসা
পেশাজীবীদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা
জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ,বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ
প্রমুখ।

