
রাজধানীর শাহজাহানপুরে
আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী প্রীতি হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে
আরফান উল্লাহ দামাল নামে আরও একজনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের
সময় তার কাছে থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (০১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায়
ডিবি মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিবি ডিসি বলেন,
ঢাকার মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ওরফে টিপু হত্যার
ঘটনার আগে আরফান উল্লাহ দামালসহ কয়েকজন কমলাপুর রেলওয়ে স্কুল অ্যান্ড কলেজের পেছনে
রূপালী সমাজ উন্নয়ন সংস্থায় একটি বৈঠক করেছিল।
পুলিশ সূত্রে
জানা যায়, দামাল স্থানীয় যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। হত্যার আগে দামালসহ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের
একাধিক গ্রুপের বৈঠক হয়েছিল। এর আগে হত্যাকাণ্ডের মূল কিলার মাসুম মোহাম্মদ আকাশকে
রিমান্ডে নেয়ার পর চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। রিমান্ডে থাকা আকাশের দেয়া তথ্যে এরই
মধ্যে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও মাস্টারমাইন্ডের নাম পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে জাহিদুল মাইক্রোবাসে করে শাহজাহানপুর আমতলা কাঁচাবাজার হয়ে বাসায় ফিরছিলেন। শাহজাহানপুর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে পৌঁছালে হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে জাহিদুল ও তার গাড়িচালক মুন্না গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় জাহিদুলের গাড়ির পাশ দিয়ে রিকশায় যাচ্ছিলেন বদরুন্নেসা কলেজের ছাত্রী প্রীতি। তিনিও গুলিবিদ্ধ হন। তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জাহিদুল ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন।
আর গুলিবিদ্ধ
গাড়িচালক মুন্না বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায়।
এ ঘটনায় গত ২৫ মার্চ দুপুরে নিহত জাহিদুল ইসলাম টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি বাদী
হয়ে শাহজাহানপুর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

