
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা
একটি লঘুচাপ ঘণীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায়
ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল
রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাস পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
এ ছাড়া ১২ অঞ্চলের নদীবন্দরে ২ নম্বর নৌ
হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের
দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানান, আজ
রোববার সকাল ৯টায় সেটি নিম্নচাপ আকারে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়
অবস্থান করছিল। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য
বিরাজ করছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর
স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
পূর্ণিমা ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের
প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী,
ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জলোচ্ছ্বাসে
প্লাবিত হতে পারে। একই সঙ্গে এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক
জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুটের বেশি উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে
বলেও জানান আবহাওয়া বিভাগ।
আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ
নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ঢাকা, যশোর,
কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার
অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে
বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে
২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

