
যুক্তরাষ্ট্রে স্বর্ণ রফতানি বাড়িয়েছে সুইজারল্যান্ড। মূলত বিনিয়োগ খাতে মূল্যবান ধাতুটির চাহিদা বাড়ায় রফতানিতে প্রবৃদ্ধি এসেছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মাঝে ভীতির সঞ্চার করেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধস নামার হুমকি থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা এতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন। এছাড়া এটির মজুদও বাড়ানো হচ্ছে।
সম্প্রতি সুইস শুল্ক বিভাগ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দুই বছরের মধ্যে সর্বাধিক স্বর্ণ রফতানি করেছে সুইজারল্যান্ড। এর বাইরে ব্রিটেনেও রফতানি বাড়ানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশটিও স্বর্ণ বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে বিশ্বের শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীন ও ভারতে ধাতুটির রফতানি লক্ষণীয় মাত্রায় কমেছে।
স্বর্ণ পরিবহন ও পরিশোধনের জন্য সুইজারল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম কেন্দ্র। বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতিতে অচলাবস্থা দেখা দিলে ধাতুটি নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (ডব্লিউজিসি) জানায়, গত মাসে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার মূল্যের ১৮৫ টন স্বর্ণ মজুদ ছিল। ২০২০ সালের জুলাইয়ের পর এটিই সর্বোচ্চ মজুদ। এদিকে বিনিয়োগ খাতে ঊর্ধ্বমুখী চাহিদা ফেব্রুয়ারি ও মার্চে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে।
তথ্য বলছে, গত মাসে চীনের মূল ভূখণ্ড ও হংকংয়ে স্বর্ণ রফতানি কমে এক বছরের সর্বনিম্নে নেমেছে। তবে ব্রিটেনে রফতানির পরিমাণ এক বছরের সর্বোচ্চে আরোহণ করেছে। সর্বশেষ প্রতি আউন্স স্বর্ণ ১ হাজার ৯০০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

