Logo
শিরোনাম

১৩ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ১৩ হাজার ৯৮৭ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পূরক বাজেট সংসদে পাস হয়েছে। সোমবার (৭ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল-২০২১উত্থাপন করলে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে সম্পূরক বাজেটের ওপর সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্যরা আলোচনা করেন। এ সময় সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখে পড়তে হয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। এসময় উঠে আসে স্বাস্থ্যখাতের নানান অনিয়ম ও দুর্নীতিও। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি।

সম্পূরক বাজেটের উপর বিরোধীদল জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও গণফোরামের ১১ জন সংসদ সদস্য ১৯০টি ছাঁটাই প্রস্তাব দেন। যদিও সেগুলো কণ্ঠভোটে বাতিল হয়। ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো দেন জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, মুজিবুল হক চুন্নু, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, লিয়াকত হোসেন খোকা, রওশন আরা মান্নান, বিএনপির হারুনুর রশীদ, রুমিন ফারহানা, মোশারফ হোসেন, গণফেরামের মোকাব্বির খান ও স্বতন্ত্র রেজাউল করিম বাবলু।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ১৯টি মঞ্জুরি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূরক বাজেটটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

উল্লেখ্য, আগামী ৩০ জুন শেষ হতে যাওয়া অর্থবছরের কার্যক্রম নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল থেকে মঞ্জুরিকৃত অর্থের বেশি বরাদ্দ ও নির্দিষ্টকরণের কর্তৃত্ব প্রদানের জন্য এ সম্পূরক বিল আনা হয়। বরাদ্দকৃত ব্যয়ের চাইতে কোনো মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যয় বৃদ্ধি হলে বা বরাদ্দকৃত টাকা খরচ করতে না পারলে তা অনুমোদন করতে যে বিল পাস করা হয় বা নতুন যে বরাদ্দ দেয়া হয়, তাই মূলত সম্পূরক বিল।


আরও খবর



বাংলাদেশকে টিকা দিবে না ভারত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ভারতের থেকে পাওয়া প্রথম দফার টিকা নিয়ে বসে রয়েছেন পরবর্তী ডোজের জন্য। দ্বিতীয় ডোজের সময় পেরিয়ে গেছে আড়াই-তিন মাস। তবে নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, আপাতত যা পরিস্থিতি তাতে কোনোভাবেই অন্য কোনও দেশকে কোভিডের প্রতিষেধক পাঠাতে পারবে না ভারত। বরং ভারতই এখন আমদানির চেষ্টা করছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, প্রতিষেধক এবং অন্যান্য সরঞ্জাম বাইরের দেশগুলোতে রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতই সবার আগে ছিল। কিন্তু এখন আমরাই বাইরে থেকে টিকা আমদানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। সেই প্রেক্ষাপটে প্রতিষেধক রপ্তানির করার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা এখন স্থানীয়ভাবে টিকা তৈরির কর্মসূচিকেই মূল লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছি।

এদিকে করোনা টিকা দেয়া না নেয়া প্রসঙ্গে বাংলাদেশ শুরু থেকেই বলে আসছে যে, ভারতের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অন্য কোনও দেশের দিকে তাকায়নি ঢাকা। এমনকি প্রাথমিকভাবে চীনকেও ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল। ঢাকা সূত্র বলছে, উপায় না দেখে সেই চীনেরই দ্বারস্থ হতে হচ্ছে এখন। যদিও আমরা এখনও জানি না, যারা ভারত থেকে কেনা অক্সফোর্ডে-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে কি হবে?

যদিও বাংলাদেশ সূত্র এ কথাও জানিয়েছে যে, পররাষ্ট্র সচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বেশ কিছুদিন আগেই ঢাকাকে সতর্ক করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশ যেন তাদের নাগরিকদের জন্য প্রতিষেধকের বিকল্প ব্যবস্থা করতে শুরু করে। কারণ অন্য দেশকে দেয়ার মতো বাড়তি টিকা ভারতের হাতে নেই।


আরও খবর



টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে দুই ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ২২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ২৬০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইল থেকে শরিফুল ইসলাম

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাঘিল বাজারের উত্তর পাশের একটি পুকুর থেকে সহোদর দুই ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২২ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো টাঙ্গাইল পৌর শহরের পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার আদম মন্ডলের মেয়ে আবিদা (১২) ও ছেলে রিফাত (১০)।

দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লাভলু মিয়া জানান, নিহত শিশু দুইটি বাবার সাথে আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে যায়। শনিবার দুপুরে আত্বীয় বাড়ীর পাশের একটি পুকুরে শিশু দুটির মরদেহ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন পানি থেকে শিশু দু'টির মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর খবর পেয়ে শিশু দুটির লাশ পুলিশ এসে নিয়ে গেছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



আরও খবর



দেশে আজ আসছে ফাইজারের টিকা

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভ্যাক্স থেকে ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা বাংলাদেশে আসবে আজ সোমবার রাতে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএএইচ অপারেশনাল প্ল্যানের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক এ তথ্য দিয়েছেন।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে টিকা আসবে সোমবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে। কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে।

যদিও ওই টিকা আসার কথা ছিল রবিবার। তবে ফ্লাইট সিডিউল না পাওয়ায় টিকা আসতে দেরি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনাভাইরাসের টিকা সঙ্কটের মধ্যে গত ১৯ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছিলেন, ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা আগামী ২ জুন আসবে। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, রবিবার এই টিকার চালান আসবে।

এই প্রক্রিয়ার মধ্যে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা করোনাভাইরাসের এই টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে এখন এ টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে।


নিউজ ট্যাগ: ফাইজারের টিকা

আরও খবর



ভারতে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩২০৭ মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড ১৯-এর দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত ভারত। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে তিন হাজার ২০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এ সময়ে নতুন করে এক লাখ ৩২ হাজার ৭৮৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। 

বুধবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ৭৮৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছে দুই কোটি ৮৩ লাখ সাত হাজার ৮৩২ জন।  গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ২০৭ জনসহ মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়াল তিন লাখ ৩৫ হাজার ১০২ জনে।

করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় লকডাউন আরোপসহ নানা পদক্ষেপ নেয় ভারত সরকার। এতে করে সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমেছে।  মঙ্গলবার শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল এক লাখ ২৭ হাজার ৫১০ জন। আর মৃত্যুর সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৭৯৫ জন।  তবে মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার মৃত্যু এবং সংক্রমণ দুটোই বেড়েছে। এর আগে মে মাসে প্রায় প্রতিদিনই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল তিন থেকে চার লাখের মধ্যে। কয়েক দিন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল চার লাখেরও বেশি। এ সময় প্রায় প্রতিদিনই  তিন থেকে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে।


আরও খবর



যশোর ও নওয়াপাড়া পৌর এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধ শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। ঊর্ধ্বমুখী এ হার রুখতে বুধবার মধ্যরাত থেকে যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বুধবার (৯ জুন) মধ্যরাত থেকে যশোর ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। এই বিধিনিষেধ চলবে ১৬ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট ও লোকাল রুটের বাস চলাচল। তবে দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনাকাটার জন্য খোলা রয়েছে কাঁচাবাজার, মুদিবাজার ও ফার্মেসি।

এর আগে, যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার সকালে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামান জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। ঊর্ধ্বমুখী এ হার রুখতে বুধবার মধ্যরাত থেকে যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিধিনিষেধের প্রথম দিন প্রশাসন থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যশোর পৌর এলাকায় ১৩টি ফিডার রোড এই দিনগুলোর জন্য বন্ধ করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এর আওতায় ঢাকা রোড (বারান্দিপাড়া), ডিআইজি রোড, পলিটেকনিক রোড, ঘোপ বাবলা তলা, পুরাতন কসবা চুয়াডাঙ্গা স্ট্যান্ড বাইলেন, পুরাতন কসবা লিচু তলা রোড, ধর্মতলা মোড়, চাঁচড়া বাজার, যশোর কলেজ রোড, সন্যাসি দিঘির পাড়, শংকরপুর বটতলা, শংকরপুর বাবলা তলা ও বেজতলা মেইন রোড, বিআরটিএ অফিসের সামনের রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, যশোর শহরে দশটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। এসব চেকপোস্টে পুলিশের একজন এসআই, একজন এএসআই, চারজন কনস্টেবল ও দুজন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সাতজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এসব চেকপোস্ট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে র‍্যাবেরও একটি টিমও মাঠে রয়েছে।


আরও খবর