Logo
শিরোনাম

১৫ একরজুড়ে সভা, পদ্মা সেতুর আদলে মঞ্চ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মাত্র দুদিন পরই প্রতীক্ষিত ২৫ জুন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে এখন বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। উন্নয়নের সেতু উদ্বোধনের পর মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে যে মঞ্চে তিনি ভাষণ দেবেন সেটি তৈরি হচ্ছে পদ্মা সেতুর আদলেই। ১১টি পিলারের ওপর ১০টি স্প্যান বসিয়ে তৈরি হচ্ছে ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪০ ফুট প্রস্থের মঞ্চটি। মঞ্চের সামনে থাকবে বিশাল আকৃতির নৌকা। দেখে মনে হবে পদ্মা সেতুর পাশ দিয়ে বড় একটি নৌকা চলছে।

সরেজমিন সভাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিশাল এ আয়োজন ঘিরে পদ্মা পাড়ের মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ লক্ষ করা গেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে মহাব্যস্ততা সংশ্লিষ্টদের। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রায় প্রতিদিনই সেতু এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন। তারা সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছেন।

জনসভা ঘিরে তিন বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে আলোকসজ্জার কাজ চলছে। মঞ্চের চারপাশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ হচ্ছে এই মঞ্চ। তারা অস্ত্র হাতে সার্বক্ষণিকভাবে স্পটে থাকছেন।

গোয়েন্দা বাহিনীর কর্মকর্তারাও যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে তৎপর রয়েছেন।

সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তার জন্য মঞ্চের ভেতরে ও বাইরে ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার ও দেড় শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, জনসভায় দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। এজন্য সভাস্থলে ৫০০ অস্থায়ী শৌচাগার, ভিআইপিদের জন্য ২২টি শৌচাগার, সুপেয় পানির লাইন, তিনটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল, নারীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা, প্রায় দুই বর্গকিলোমিটার আয়তনের সভাস্থলে দূরের দর্শনার্থীদের জন্য ২৬টি এলইডি মনিটর, ৫০০ মাইকের ব্যবস্থা থাকবে। নদীপথে যারা আসবেন তাদের জন্য তৈরি হচ্ছে ২০টি পন্টুন।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোও তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভ্রাম্যমাণ মোবাইল টাওয়ার নির্মাণ করছে।

সভামঞ্চ তৈরির কাজে নিয়োজিত ক্যানভাস বাংলাদেশ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের উন্নয়নকর্মী কবির হোসেন জানান, কয়েকদিন ধরে দিনরাত কাজ করছেন তারা। মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষ। তিনি বলেন, সেতুর আদলেই তৈরি হবে মঞ্চ। থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা শেড। মঞ্চের সামনে থাকবে পানি। তার ওপর ছোট-বড় বেশ কয়েকটি নৌকা ভাসতে থাকবে।

এখন সাজসজ্জার কাজ চলছে উল্লেখ করে কবির হোসেন বলেন, পুরো কাজের প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। শনিবারের আগেই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’

পিয়ারু সরদার অ্যান্ড সন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে জনসভাস্থলের দুই বর্গকিলোমিটার জায়গা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব। ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মোজ্জামেল হক বলেন, সভাস্থলে ওয়াচ টাওয়ার, এলইডি মনিটরসহ নিরাপত্তাবিষয়ক সব ধরনের কাজ শেষ করা হয়েছে। জনসভায় এসে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে।’

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ মোল্লা বলেন, আমরা শিবচর থেকে প্রায় এক লাখ মানুষ জনসভায় যাব। ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন ইউনিয়নে ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মিটিং করেছি। আমাদের সব প্রস্তুতি শেষের পথে।’


আরও খবর



হাজি কায়েসের মৃত্যুতে প্যারোলের আবেদন হাজি সেলিমের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা-৭ আসনের কারাবন্দি সংসদ সদস্য হাজি মো. সেলিমের বড় ভাই না ফেরার দেশে চলে গেছেন। হাজি কায়েসের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছেন হাজি সেলিম। শুক্রবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীতে নিজের বাসায় কায়েসের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

হাজি সেলিমের ব্যক্তিগত সচিব মহিউদ্দিন আহমেদ বেলাল জানান, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন হাজী কায়েস। জুমার পর চকবাজার শাহী জামে মসজিদে তার জানাজা হবে। পরে দাফন করা হবে আজিমপুর কবরস্থানে। বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য হাজি সেলিম প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন মহিউদ্দিন।

তবে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ বলেছেন, বেলা ১২টা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্যারোল অনুমোদনের কাগজ তারা হাতে পাননি।

দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের দণ্ডিত হাজি সেলিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গত ২২ মে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। ওইদিনই তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে কারা তত্ত্বাবধানে হাসপাতালেই আছেন এ সংসদ সদস্য।


আরও খবর



দুদক: ১১৬ ধর্মীয় বক্তার বিষয়ে অনুসন্ধানের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জঙ্গি অর্থায়ন ও দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে ১১৬ ধর্মীয় বক্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনদুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে যে খবর এসেছে তা বিভ্রান্তিকর বলছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ওই আলেমদের বিরুদ্ধে শ্বেতপত্রটি পরীক্ষা করতে একটি কমিটি করা হলেও অনুসন্ধানের জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন।

জঙ্গি অর্থায়ন ও দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অভিযোগ এনে ১১৬ ওয়ায়েজিনের (ধর্মীয় বক্তা) আর্থিক অনিয়ম খতিয়ে দেখতে দুদকে শ্বেতপত্র দিয়েছিল ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়ে গঠিত গণকমিশন

দুদক সচিব বলেন, ১১৬ জন ধর্মীয় বক্তা/আলেমের আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন হতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে কিছু কিছু গণমাধ্যমে আসা খবরে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

ওই শ্বেতপত্রটি পরীক্ষা করে সংক্ষিপ্তসার কমিশনে উপস্থাপন করার জন্য দুদক থেকে একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেটি পরীক্ষা করে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করাই এই কমিটির দায়িত্ব।

কমিশন সচিব বলেন, আলেমগণের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অনুসন্ধানের কোনো দায়িত্ব ওই কমিটিকে দেওয়া হয়নি। এমনকি কমিশন হতে কোনো অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১১ মে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লার হাতে মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১৬ সন্দেহভাজন ধর্মীয় বক্তার তালিকাসহ ২২১৫ পাতার একটি শ্বেতপত্র তুলে দেন গণকমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্য সচিব ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজসহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

সেসময় গণকমিশনের দেওয়া ১১৬ জনের তালিকা প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস বলেন, যিনি এই তালিকা প্রকাশ করেছেন তিনি নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু আমরা তাকে বিব্রত করি না। এগুলো করলে দেশে অশান্তি হবে, শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট হবে। এরা যারা উস্কানীমূলক কর্মকাণ্ড করছে, সরকার যেন তাদের শক্ত হাতে প্রতিকার করে।


আরও খবর



আঁচল ফাউন্ডেশন

গণপরিবহনে হয়রানির শিকার ৬৩ শতাংশ নারী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর বেসরকারি একটি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ঈষিকা খান। যিনি পুরান ঢাকার বাসা থেকে নিয়মিত লোকাল বাসে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করেন। স্নাতকের এ সময়ে কলেজে যাতায়াতকালে অন্তত ৩০ বারের বেশি হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ১০ থেকে ১২ দিন হাফ ভাড়া নিয়ে বাসের চালকের সহকারীর কটূক্তির শিকার হয়েছেন ঈষিকা। এ ছাড়া একাধিকবার তিনি বিকৃত যৌন ইচ্ছার প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত বা কুদৃষ্টির শিকার হয়েছেন।

ঈষিকা বলেন, প্রায়ই এ ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু এসব বিষয়ে বাসার কাউকে জানাইনি। বাসে একাধিকবার প্রতিবাদও করেছি। তবে প্রতিবাদের সময় আশপাশে খুব কম লোকই সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। এসব ঘটনার পর আমার মন খুবই খারাপ থাকত।

শুধু ঈষিকা নন, রাজধানী ঢাকায় জীবিকা নির্বাহ, পড়াশোনা অথবা অন্য কাজে বাইরে যাতায়াতের সময় প্রায় ৬৩ শতাংশ নারী নানা হয়রানির শিকার হন বলে আঁচল ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় উঠে এসেছে। আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা শহরে গণপরিবহনে হয়রানি: কিশোরী ও তরুণীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব শীর্ষক গবেষণাটির ফলাফল তুলে ধরার কথা জানিয়েছে আঁচল ফাউন্ডেশন।

১৩ থেকে ৩৫ বছরের ৮০৫ জন তরুণী ও নারীর অংশগ্রহণে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এতে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গত ছয় মাসে ৬৩.৪ শতাংশ কিশোরী ও তরুণী গণপরিবহনে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৬.৫ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। ১৫.৩ শতাংশ বুলিং, ১৫.২ শতাংশ সামাজিক বৈষম্য, ১৪.৯ শতাংশ লিঙ্গবৈষম্য এবং ৮.২ শতাংশ বডি শেমিংয়ের মতো হয়রানির মধ্য দিয়ে গিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গণপরিবহনে সাধারণ যাত্রীরা যৌন হয়রানি করায় এগিয়ে। যৌন নিপীড়নের শিকার নারীদের ৭৫ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁদের অন্য যাত্রীদের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। ২০.৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁদের হেলপার কর্তৃক এই ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এ ছাড়া ৩ শতাংশ হকারের মাধ্যমে এবং ১.৬ শতাংশ চালকের মাধ্যমে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। গণপরিবহনকে অনিরাপদ করে তোলার পেছনে সবচেয়ে দায়ী হিসেবে সাধারণ যাত্রীদের কথাই উঠে এসেছে।

গবেষণায় গণপরিবহনে কোন ধরনের যৌন হয়রানির শিকার হতে হয়েছে, সে বিষয়ে ১১.৯ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন, গণপরিবহনে চলাচলের সময় তাঁদের আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা হয়েছে। ৩০.৮ শতাংশ কিশোরী ও তরুণী জানিয়েছেন, গণপরিবহনে যথেষ্ট জায়গা থাকা সত্ত্বেও অন্য যাত্রীরা ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। ইচ্ছাকৃতভাবে হালকাভাবে স্পর্শ করে গেছেন ১৭.৯ শতাংশকে। এ ছাড়া ১৪.২ শতাংশ ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কার শিকার হয়েছেন। ১৩.৮ শতাংশ কিশোরী ও তরুণী জানিয়েছেন, তাঁরা বাজে মন্তব্যের শিকার হয়েছেন।

হয়রানি প্রতিরোধে আঁচল ফাউন্ডেশন থেকে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব হলো গণপরিবহনে যৌন নিপীড়িত নারীর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদে উৎসাহী করতে বিশেষ প্রচারণা চালানো; পরিবহনগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন; সিটের পাশে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক বিভিন্ন লিফলেট টাঙানো; সংরক্ষিত আসনসংখ্যা জরুরি ভিত্তিতে বাড়ানো; নারীদের জন্য আলাদা পরিবহনের ব্যবস্থা করা।


আরও খবর

ভিড় নেই লঞ্চে, ভাড়াও কমেছে

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




২৮ জুন থেকে ১৯ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গ্রীষ্মকালীন ছুটি এবং ঈদুল আযহা ও আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে ২৮ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৯ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে সরাসরি পাঠদান বন্ধ থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ খ্রিস্টাব্দের ছুটি তালিকায় গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মে নির্ধারিত ছিল। শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রদানের সুবিধার্থে পূর্বে নির্ধারিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মে'র পরিবর্তে ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই সমন্বয়পূর্বক নির্ধারণ করা হলো।

এমতাবস্থায়, আগামী ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ৬ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আযহা এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দরকার নেই : নূরুল হুদা

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রশাসন বা সেনাবাহিনীর দরকার নেই বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা।

রোববার (১২ জুন) সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিবদের সঙ্গে সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে এদিন বেলা ১১টায় সংলাপ শুরু হয়।

নূরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচন কমিশনকে আমরা শতভাগ স্বাধীন বলি। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারের মধ্য দিয়েই অনেক কিছু করতে হয়। ভোট সুষ্ঠু করতে নির্বাচনে প্রশাসন বা সেনাবাহিনীর দরকার নেই। এটা কোনো দেশে হয় না। তাছাড়া তারা আসলে কোনো কাজেও আসে না। নির্বাচনের ৭৫ শতাংশ টাকা তাদের পেছনে চলে যায়।

সাবেক এই সিইসি আরো বলেন, বর্তমানে প্রায় একটা থানার সমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি কেন্দ্রে মোতায়েন থাকে। তাছাড়া ইভিএম এমন একটা বিষয় যেখানে বাক্স ছিনতাই করা যায় না। জাতীয় নির্বাচন ছাড়া সব নির্বাচন আমাদের জনবল দেওয়া হয়েছিল। যারা যোগ্য তাদের রাখতে হবে। আর কিছু জায়গায় জেলা প্রশাসনকে রাখতে হবে। অনেক অভিযোগ থাকবে। সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। অনেক অভিযোগ সত্যও হয় না।

গত মার্চ থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান ইসি বিভিন্ন মহলের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে সংলাপ করছে। গত ১৩ ও ২২ মার্চ এবং ৬ ও ১৮ এপ্রিল যথাক্রমে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ-বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজ এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী/প্রধান বার্তা সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিকদের সংলাপ করে ইসি।

নিউজ ট্যাগ: কে এম নূরুল হুদা

আরও খবর