Logo
শিরোনাম

১৬ জানুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজকের দিনটি কাল হয়ে যায় অতীত। তাই প্রতিটি দিনই এক একটি ইতিহাস। আজ ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, সোমবার। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের আজকের এই দিনে কি কি ঘটেছিল। কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

ঘটনাবলি :

৯২৯ - স্পেনের মুসলিম শাসক আবিদ উর রহমান স্পেনের কর্ডোভায় রাজধানী স্থাপন করেন।

১৪৯২ - স্পেনিশ ভাষার প্রথম গ্রামার রানি ইসাবেলা প্রথম এর কাছে হস্তান্তর করে।

১৬০৫ - বিখ্যাত উপন্যাস ডন কুইকসোট এর প্রথম প্রকাশ।

১৬৬৬ - ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফ্রান্স ও হল্যান্ডের যুদ্ধ ঘোষণা।

১৭৬১ - ফরাসিদের কাছ থেকে পন্ডিচেরি দখল নেয় ব্রিটিশরা।

১৭৬৮ - কলকাতায় প্রথম ঘোড়দৌড় শুরু হয়।

১৯২০ - লিগ অব নেশন্সের প্রথম সভা প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২২ - কুমিল্লায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম গ্রেফতার হন।

১৯২৯ - বিবিসির প্রথম পত্রিকা দি লিসেনার প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯৪৫ - অ্যাডলফ হিটলার ব্যাঙ্কারে অবস্থান গ্রহন করেন।

১৯৫৬ - মিসরের প্রসিডেন্ট গামাল আবদেল নামের প্যালিস্টাইন মুক্ত করার ঘোষণা দেন।

১৯৬৬ - নাইজেরিয়ায় সামরিক শাসক জেনারেল আগুইয়ির ক্ষমতা গ্রহণ।

১৯৬৯ - প্রাক্তন সৌভিয়েত ইউনিয়নের দুটো নভোযানের প্রথমবার সংযোগ সম্পাদিত হয়। সংযুক্ত হওয়ার পর এ দুটো নভোযান মহাশূন্যে আরও ৪ ঘণ্টা পরিভ্রমণ করে।

১৯৭০ - গাদ্দাফি লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯৭৫ - অ্যাংগোলার স্বাধীনতা স্বীকৃতি দেয় পতুর্গাল।

১৯৭৯ - ইরানের শাহ পরিবারসহ ইরান থেকে পলায়ন করে।

১৯৮২ - ৪৫০ বছর বিছিন্ন অবস্থা থাকার পর ভ্যাটিকান আর ব্রিটেনের মধ্যে আবার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ - উপসাগরীও যুদ্ধ: আমেরিকা ইরাকের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

২০০০ - রিকার্ডো লাগোস চিলির প্রথম সমাজবাদী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

২০০১ - কঙ্গোর প্রসিডেন্ট লুরান্ট কাবালা নিজ দেহরক্ষির হাতে নিহত হন।

২০০২ - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে ওসামা বিন লাদেন, আল-কায়েদা এবং অবশিষ্ট তালেবান সদস্যদের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা জারি এবং সম্পদ জব্দ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

২০০৬ - আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে লাইবেরিয়ায় নারী প্রেসিডেন্ট অ্যালেন-জনসন সিরলিফের অভিষেক।

জন্ম :

১৮৭৪ - বিখ্যাত কানাডীয় কবি রবার্ট সার্ভিস।

১৯০১ -বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্য বিশারদ সুকুমার সেন।

১৯১০ - ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বাঙালি বিপ্লবী রামকৃষ্ণ বিশ্বাস।

১৯১৯ - বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এম মনসুর আলী।

১৯৩৩ - খ্যাতিমান মার্কিন লেখিকা ও সাহিত্য সমালোচক সুসান সনট্যাগ।

১৯৮৭ - ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিতর্কিত মার্কিন সাহিত্যিক কাব্য বিশ্বনাথন।

মৃত্যু : 

১৯১৫ - ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ।

১৯৩৮ - জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

২০০১ - রাজধানী কিনসাসায় নিজ দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট লরা কাবিলা।

২০০১ - নেপালের যুবরাজ দীপেন্দ্র কর্তৃক রাজা বীরেন্দ্র বীর বীক্রম শাহদেব ও রানী ঐশ্বর্য সহ ১১ জন বন্দুকের গুলিতে নিহত হন।


আরও খবর

১৮ জানুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩

১৭ জানুয়ারি: আজকের এই দিনে

মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩




বিশ্বে করোনায় কমেছে মৃত্যু ও শনাক্ত

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় কমেছে দেড় শতাধিক। এ সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৬৩ জন। যা আগের দিনের তুলনায় কমেছে ৬৫ হাজারের বেশি। আর সুস্থ্য হয়েছেন ৯৮ হাজার ৬৫৭ জন। সোমবার (৯ জানুয়ারি) সকালে করোনাভাইরাস হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। এ সময় দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৩৮ জন এবং মারা গেছেন ৪০৭ জন।

এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৫২৬ জন এবং মারা গেছেন ৮ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার ৭৬৬ জন এবং মারা গেছেন ৩৪ জন। ব্রাজিলে মারা গেছেন ৯ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৫ জন। রাশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১২৭ জন এবং মারা গেছেন ৪৫ জন। মেক্সিকোতে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৭৭৮ জন এবং মারা গেছেন ৫১ জন। তাইওয়ানে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৪১১ জন এবং মারা গেছেন ৩৬ জন। হংকংয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ১১৩ জন এবং মারা গেছেন ৬৬ জন।

বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৪২ হাজার ৫০ জন। এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬৭ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৬৩ কোটি ৯৯ লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ জন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে।


আরও খবর



চট্টগ্রাম পাত্তাই পেলো না মাশরাফির সিলেটের কাছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তিনি চারবারের চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক। শুরুটাও চ্যাম্পিয়নের মতোই হলো মাশরাফি বিন মর্তুজার। বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে শুভাগতহোমের চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স পাত্তাই পেলো না মাশরাফির সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রামকে ৮ উইকেট আর ৪৫ বল হাতে রেখে হারিয়েছে সিলেট।

বোলাররাই অর্ধেক কাজ সেরে রেখেছিলেন। সিলেটের সামনে লক্ষ্য ছিল মাত্র ৯০ রানের। শুরুতেই কলিন আকারম্যানকে (১) উইকেট রক্ষকের ক্যাচ বানিয়ে একটু আশা জাগিয়েছিলেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

তবে এরপর খুব একটা বেগ পেতে হয়নি সিলেটকে। ২১ বলে ২ চার আর ১ ছক্কায় ২৭ রান করে আউট হন কদিন আগেই জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া জাকির হাসান।

নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুশফিকুর রহিম মিলে বাকি পথটা অনায়াসেই পাড়ি দিয়েছেন। শান্ত ৪১ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় ৪৩ আর মুশফিক ৮ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে দর্শক বিনোদন তো দূরের কথা, রীতিমত টেস্টের ব্যাটিং প্রদর্শনী ছিল বিপিএলের শুরুতেই। সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ধুঁকতে ধুঁকতে ৯ উইকেটে ৮৯ রান তোলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

টস জিতে প্রথমে শুভাগতহোমের চট্টগ্রামকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান সিলেট অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে চট্টগ্রাম। টপঅর্ডার চার ব্যাটারের কেউ ন্যুনতম একশ স্ট্রাইকরেটেও রান করতে পারেননি।

মেহেদি মারুফ ১৪ বলে ১১ করে রানআউট হন। দারউইশ রসুল ৯ বলে ৩, আল আমিন ২০ বল খেলে ১৮ আর অধিনায়ক শুভাগতহোম ৭ বলে করেন ১ রান।

এরপর উসমান খান (২), উম্মুক্ত চাঁদরাও (৫) দ্রুত ফিরে গেলে ৬৭ রানে ৭ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। আফিফ হোসেন একটা প্রান্ত ধরে কিছুটা সময় লড়েছিলেন। ২৩ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৫ করে আউট হন তিনি। পুরো ২০ ওভার খেলেও ৮৯ রানের বেশি করতে পারেনি চট্টগ্রাম।

সিলেটের পেসার রেজাউর রহমান রাজা ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট। ৭ রানে ২ উইকেট শিকার মোহাম্মদ আমিরের। অধিনায়ক মাশরাফি ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

কুকুর বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো যুবকের

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




গ্রিন হাইড্রোজেনে ভারতের ২৩০ কোটি ডলারের তহবিল

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন, ব্যবহার ও রফতানিতে ২৩০ কোটি ডলারের তহবিল অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। এর মধ্য দিয়ে ভারতকে বর্ধনশীল খাতটির বৈশ্বিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

চলতি দশকের শেষ নাগাদ ৫০ লাখ টন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে তৈরি করা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পানির তড়িৎ বিশ্লেষণ থেকে বানানো হয় গ্রিন হাইড্রোজেন। বিশ্বের মোট হাইড্রোজেনের বেশির ভাগই তৈরি করা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে।

ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, গ্রিন হাইড্রোজেন সহজলভ্য করা এবং আগামী পাঁচ বছরে এর দাম কমিয়ে আনাই এ তহবিল অনুমোদনের উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে ভারতে কার্বন নিঃসরণও কমে আসবে এবং এ খাতে দেশ সবচেয়ে বড় রফতানিকারক হয়ে উঠতে পারে। এ অর্থায়নের কারণে ২০৩০ সাল নাগাদ ১২৫ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। গত অক্টোবর পর্যন্ত ভারতের ১৬৬ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে। তাছাড়া ৫০ হাজারের বেশি নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা, এ খাতে আরো বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করা, জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানি কমানো এবং পাঁচ কোটি টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোও এমন পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল।

ভারতের সেরা নবায়নযোগ্য কিছু জ্বালানি প্রতিষ্ঠান যেমন আদানি গ্রুপের মালিকানাধীন কোম্পানি, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রি ও জেএসডব্লিউ এনার্জি, সরকারি খাতের কোম্পানি যেমন ইন্ডিয়ান অয়েল, এনটিপিসি লিমিটেড এবং নবায়নযোগ্য প্রতিষ্ঠান রিনিউ পাওয়ার গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনে মনোযোগ দিচ্ছে।

বিশ্বে বর্তমানে যে পরিমাণ হাইড্রোজেন ব্যবহার হচ্ছে তার খুব অল্পই গ্রিন হাইড্রোজেন। এর মোট পরিমাণ বছরে সাত কোটি টন। সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা হয় গ্রে হাইড্রোজেন, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে তৈরি। এছাড়া ব্লু হাইড্রোজেনও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে তৈরি করা হয়। কিন্তু সেখানে নিঃসরণ কমানোর জন্য কার্বন ক্যাপচার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের ফলে কার্বন নিঃসরণ আরো কমে আসবে অথবা কোনো নিঃসরণই হবে না।

গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনে উৎসাহিত করতে ভারত বেশকিছু দেশ যেমন চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা, আগামী কয়েক বছরে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের খরচ অনেক কমে আসবে। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিন হাইড্রোনের বাজার ২০ গুণ বেড়ে ৮ হাজার কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে।


আরও খবর



৬ মাসে অ্যালকোহল বিক্রি থেকে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অ্যালকোহল বিক্রি করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কেরু অ্যান্ড কোম্পানি জুলাই ২০২২ থেকে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত ৬ মাসে আয় করেছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১% বেশি।

এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৬ মাসে কোম্পানিটির মদ বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড এটি। কোম্পানিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদেশি মদ আমদানিতে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও বিক্রি উভয়ই বেড়েছে।

শুল্ক ফাঁকি রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২১ সালে মদ আমদানির ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে। ফলে আইনি মাধ্যমে মদ আমদানি কমেছে। আর এটিই দেশীয় কোম্পানিটির মুনাফা অর্জনে সহায়তা করেছে।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানির সিনিয়র কর্মকর্তা সৈয়দ মাসুদুল হক বলেছেন, অনুমোদিত বারগুলোতে বিদেশী মদের ঘাটতি রয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় দেশীয় কোম্পানি থেকে মদ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এই কারণে, মদ বিক্রি এবং আয় উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।

কোম্পানির তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অ্যালকোহল বিক্রি থেকে আয় হয়েছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় হয়েছিল ১৯২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে। আয় বেড়েছে ২১%।

এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে পুরো সময়ে সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড ছিল কোম্পানিটির। সেই সময় কোম্পানিটি আয় করে ৪২৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ওই বছর রাজস্ব আদায় ও কোম্পানি পরিচালনাসহ সব খরচ বাদে কোম্পানি প্রকৃত মুনাফা করে ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তার আগের ২০২০-২১ পুরো অর্থবছরে অ্যালকোহল বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৩১৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে এই আয় আরও বাড়বে। কারণ প্রতিষ্ঠানটি একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়িয়েছে একই সঙ্গে দেশজুড়ে বিক্রয় ও বিক্রয় কেন্দ্র বাড়িয়েছে। দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার ৮৪ বছরের পুরোনো একমাত্র অ্যালকোহল উৎপাদনকারী কেরু মোট ৯টি ব্যান্ডের অ্যালকোহল উৎপাদন করে।

কোম্পানিটির হিসাব অনুযায়ী, প্রতিমাসে প্রায় ২১ হাজার কেসেরও বেশি অ্যালকোহল বিক্রি করছে কেরু। প্রতিষ্ঠানটি ১৭৫ মিলিলিটার, ৩৭৫ মিলিলিটার ও ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলে অ্যালকোহল বাজারজাত করে। একটি কেসে ৭৫০ মিলিলিটারের ১২টি, ৩৭৫ মিলিলিটারের ২৪টি এবং ১৭৫ মিলিলিটারের ৪৮টি বোতল থাকে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেরুর উৎপাদিত অ্যালকোহল বিক্রির পরিমাণও বেড়েছে। গত বছর কোম্পানি প্রতি মাসে গড়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার কেস বিক্রি করেছিল। বিগত ৬ মাসে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।

সারা দেশে কেরুর ১৩টি ওয়্যারহাউস ও ৩টি বিক্রয়কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে কক্সবাজারে একটি নতুন বিক্রয় কেন্দ্র চালু হয়েছে। এছাড়া রূপপুর ও কুয়াকাটায় ১টি করে বিক্রয় কেন্দ্র এবং রাজশাহী ও রামুতে ১টি করে ওয়্যারহাউস নির্মাণের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে ওেকাম্পানিটির।

কেরুর কর্মকর্তারা বলছেন, চুয়াডাঙার দর্শনায় অবস্থিত কারখানা আরও বেশি উৎপাদনে সক্ষম। বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫০% ব্যবহৃত হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তারা। এ নিয়ে ১০২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের কাজ চলমান। অ্যালকোহলের পাশাপাশি ভিনেগার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সার, চিনি ও গুড়ের মতো অন্যান্য পণ্যও উৎপাদন করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (ফাইন্যান্স) সাইফুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, গত দুই বছরে মদের উৎপাদন ও চাহিদা বেড়েছে। আগে কেরু অফ সিজনে নিজস্ব ও পার্শ্ববর্তী চিনিকল থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করত। কিন্তু বর্তমানে, কোম্পানিটি মদের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অধীনে সমস্ত চিনিকল থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করছে।

তিনি আরও বলেন, এইভাবে চাহিদা বাড়লে মদের জন্য আরও কাঁচামালের প্রয়োজন হবে। এ জন্য কৃষকদের উচ্চ উৎপাদনশীল আখ চাষে উৎসাহিত করা দরকার। সেটি করা হচ্ছে।


আরও খবর



হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের রোডমার্চে পুলিশের বাধা

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাত দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে স্মারকলিপি দিতে রমনা কালীমন্দির থেকে রোডমার্চ শুরু করে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। আজ শনিবার টিএসসি হয়ে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে পৌঁছালে রোডমার্চ সামনে এগোতে দেয়নি পুলিশ।

জানা যায়, রমনা কালীমন্দির থেকে রোডমার্চ শুরু করে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। রোডমার্চ শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে পৌঁছালে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা হয়। এরপর রোডমার্চ সমাপ্ত করে দেওয়া হয়। এ সময় পরিষদের অন্যতম সভাপতি নিম চন্দ্র ভৌমিকের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অভিমুখে রওনা দেয়। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন রানা দাশ গুপ্ত, কাজল দেবনাথ, উষাতন তালুকদার, জয়ন্ত কুমার দে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্র নাথ পোদ্দার।


আরও খবর