Logo
শিরোনাম

১৬ জানুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | ১০০৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজকের দিনটি কাল হয়ে যায় অতীত। তাই প্রতিটি দিনই এক একটি ইতিহাস। আজ ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, সোমবার। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের আজকের এই দিনে কি কি ঘটেছিল। কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

ঘটনাবলি :

৯২৯ - স্পেনের মুসলিম শাসক আবিদ উর রহমান স্পেনের কর্ডোভায় রাজধানী স্থাপন করেন।

১৪৯২ - স্পেনিশ ভাষার প্রথম গ্রামার রানি ইসাবেলা প্রথম এর কাছে হস্তান্তর করে।

১৬০৫ - বিখ্যাত উপন্যাস ডন কুইকসোট এর প্রথম প্রকাশ।

১৬৬৬ - ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফ্রান্স ও হল্যান্ডের যুদ্ধ ঘোষণা।

১৭৬১ - ফরাসিদের কাছ থেকে পন্ডিচেরি দখল নেয় ব্রিটিশরা।

১৭৬৮ - কলকাতায় প্রথম ঘোড়দৌড় শুরু হয়।

১৯২০ - লিগ অব নেশন্সের প্রথম সভা প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২২ - কুমিল্লায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম গ্রেফতার হন।

১৯২৯ - বিবিসির প্রথম পত্রিকা দি লিসেনার প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯৪৫ - অ্যাডলফ হিটলার ব্যাঙ্কারে অবস্থান গ্রহন করেন।

১৯৫৬ - মিসরের প্রসিডেন্ট গামাল আবদেল নামের প্যালিস্টাইন মুক্ত করার ঘোষণা দেন।

১৯৬৬ - নাইজেরিয়ায় সামরিক শাসক জেনারেল আগুইয়ির ক্ষমতা গ্রহণ।

১৯৬৯ - প্রাক্তন সৌভিয়েত ইউনিয়নের দুটো নভোযানের প্রথমবার সংযোগ সম্পাদিত হয়। সংযুক্ত হওয়ার পর এ দুটো নভোযান মহাশূন্যে আরও ৪ ঘণ্টা পরিভ্রমণ করে।

১৯৭০ - গাদ্দাফি লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯৭৫ - অ্যাংগোলার স্বাধীনতা স্বীকৃতি দেয় পতুর্গাল।

১৯৭৯ - ইরানের শাহ পরিবারসহ ইরান থেকে পলায়ন করে।

১৯৮২ - ৪৫০ বছর বিছিন্ন অবস্থা থাকার পর ভ্যাটিকান আর ব্রিটেনের মধ্যে আবার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ - উপসাগরীও যুদ্ধ: আমেরিকা ইরাকের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

২০০০ - রিকার্ডো লাগোস চিলির প্রথম সমাজবাদী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

২০০১ - কঙ্গোর প্রসিডেন্ট লুরান্ট কাবালা নিজ দেহরক্ষির হাতে নিহত হন।

২০০২ - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে ওসামা বিন লাদেন, আল-কায়েদা এবং অবশিষ্ট তালেবান সদস্যদের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা জারি এবং সম্পদ জব্দ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

২০০৬ - আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে লাইবেরিয়ায় নারী প্রেসিডেন্ট অ্যালেন-জনসন সিরলিফের অভিষেক।

জন্ম :

১৮৭৪ - বিখ্যাত কানাডীয় কবি রবার্ট সার্ভিস।

১৯০১ -বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্য বিশারদ সুকুমার সেন।

১৯১০ - ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বাঙালি বিপ্লবী রামকৃষ্ণ বিশ্বাস।

১৯১৯ - বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এম মনসুর আলী।

১৯৩৩ - খ্যাতিমান মার্কিন লেখিকা ও সাহিত্য সমালোচক সুসান সনট্যাগ।

১৯৮৭ - ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিতর্কিত মার্কিন সাহিত্যিক কাব্য বিশ্বনাথন।

মৃত্যু : 

১৯১৫ - ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ।

১৯৩৮ - জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

২০০১ - রাজধানী কিনসাসায় নিজ দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট লরা কাবিলা।

২০০১ - নেপালের যুবরাজ দীপেন্দ্র কর্তৃক রাজা বীরেন্দ্র বীর বীক্রম শাহদেব ও রানী ঐশ্বর্য সহ ১১ জন বন্দুকের গুলিতে নিহত হন।


আরও খবর

২০ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

সোমবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০23

১৯ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে

রবিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩