Logo
শিরোনাম

১৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়

১৬ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩২০তম (অধিবর্ষে ৩২১তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৪৫ দিন বাকি রয়েছে। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়

 

ঘটনাবলি

    ১৩৮০ - ফ্রান্সের রাজা ষষ্ঠ জর্জ করমুক্তির ঘোষণা দেন।

    ১৩৮৪ - জাডউইগা পোলান্ডের রাজ্যভার গ্রহণ করেন।

    ১৮০১ - নিউ ইয়র্ক ইভনিং পোস্টের প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়।

    ১৮২৪ - নিউ ইয়র্ক নগরীর ফিফথ এভিনিউ খুলে দেওয়া হয়।

    ১৮৬৯ - পোর্ট সৈয়দে সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে নৌ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়।

    ১৯০৫ - স্বদেশি আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় সরকারি বিদ্যাচর্চা বর্জন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আশতোষ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশন স্থাপিত হয়।

    ১৯২৩ - অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতির পর জার্মানিতে নতুন মুদ্রাব্যবস্থা চালু হয়।

    ১৯৪৫ - ভিয়েতনামে ফ্রান্সের সেনাদের হামলা শুরুর মধ্য দিয়ে দেশটির জনগণের দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়।

    ১৯৪৬ - বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।

    ১৯৯৩ - জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরে ৩২ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটে।

 

জন্ম

    ১৭৯৩ - ফ্রান্সিস ড্যানবি, আইরিশ চিত্রকর।

    ১৮৯০ - হেমেন্দ্রনাথ ঘোষ,ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।

    ১৮৯৫ - চৌধুরী রহমত আলি, ব্রিটিশভারতীয়-পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদি, পাকিস্তান শব্দের প্রবক্তা।

    ১৮৯৬ - রনদা প্রসাদ সাহা, সমাজসেবক ও দানবীর

    ১৯১৪ - কমলকুমার মজুমদার, বাঙালি সাহিত্যিক ও শিল্পী।

    ১৯২০ - সৌরীন্দ্র মিত্র, ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রগবেষক ও প্রাবন্ধিক।

    ১৯২২ - জিন আম্‌ডাল, নরওয়েজীয়- মার্কিন কম্পিউটার আর্কিটেক্ট এবং হাইটেক উদ্যোক্তা।

    ১৯৩০ - মিহির সেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি সন্তরণবিদ, প্রথম ভারতীয় হিসাবে ১৯৫৮ সালে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।

    ১৯৩০ - চিনুয়া আচেবে, নাইজেরিয়ার প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও আফ্রিকার আধুনিক সাহিত্যের জনক।

    ১৯৪৫ - নরেন বিশ্বাস, গবেষক ও লেখক।

 

মৃত্যু

    ১৮১২ - জন ওয়ালটার, দ্য টাইমস পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা।

    ১৯৩৪ - আয়াতুল্লাহিল উজমা আব্দুল করিম হায়েরি ইয়াযদি, বিশিষ্ট মুসলিম চিন্তাবিদ ও ফকীহ।

    ১৯৮৬ - বিধায়ক ভট্টাচার্য, নাট্যকার, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

    ১৯৯৬ - মাসুদ করিম, বাংলাদেশী গীতিকার

    ২০১২- সুভাষ দত্ত, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং অভিনেতা।

 

ছুটি ও অন্যান্য

    জাতীয় প্রেস দিবস (ভারত)

    আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস


আরও খবর

১০ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১

৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১




শোকাবহ জেলহত্যা দিবস আজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শোকাবহ জেলহত্যা দিবস আজ (৩ নভেম্বর)। জেলহত্যা দিবস বাঙালি জাতির জীবনে এক কলঙ্কময় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী এম. মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ. এম কামারুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালো রাত্রিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর কারান্তরালে এই জাতীয় চার নেতাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। এই জাতীয় চার নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ও চেতনাকে নির্মূল করা। পচাঁত্তরের পনেরই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় এই দিনটি।

দিবসটি উপলক্ষ‌্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ জাতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টি স্মরণ করবে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে পালিত হবে শোকাবহ এই দিনটি।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সূর্য উদয়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সর্বত্র দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ। সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে  ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে জাতীয় চার নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

একইভাবে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে সকাল ১১টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যায় যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল তা প্রমাণিত হয়েছে বলে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছে। জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায় (জেল হত্যা) পলাতক দুই আসামি এলডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধা ও দফাদার মারফত আলী শাহকে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেয়া ২৩৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যার পরদিন তৎকালীন উপ-কারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই ঘটনায় মামলা দায়েরের ২৩ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. মতিউর রহমান রায় ঘোষণা করেন।

বিচারিক আদালত রায়ে রিসালদার মোসলেম উদ্দিন (পলাতক), দফাদার মারফত আলী শাহ (পলাতক) ও এল ডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধাকে (পলাতক) মৃত্যুদণ্ড দেয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিন আহমেদসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ও তাহেরউদ্দিন ঠাকুরকে খালাস দেয়া হয়।


আরও খবর



ঢাবির পর বুয়েটেও ভর্তি পরীক্ষায় সেরা সিয়াম

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের মেফতাউল আলম সিয়াম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বুয়েটের ভর্তি ওয়েবসাইটে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ ফলে দেখা যায় প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগে প্রথম হয়েছেন সিয়াম।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ১১৭ দশমিক ৭৫ পেয়ে রেকর্ড গড়ে প্রথম হন সিয়াম। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হন তিনি। এছাড়া তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় তার অবস্থান ছিল তৃতীয়।

গত এপ্রিলে প্রকাশিত মেডিকেলের সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষার ফলে ২৮২ দশমিক ৭৫ নম্বর পেয়ে ৫৯তম হয়েছিলেন সিয়াম। মেধাতালিকার শুরুর দিকে থাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

তবে বুয়েটে প্রথম হতে পেরে বেশ উচ্ছ্বসিত সিয়াম জানান, বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে পড়তে চান তিনি। এ বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার পরিকল্পনা আছে।

এ সাফল্যের পেছনে মায়ের পরিশ্রম আর বাবার অনুপ্রেরণা সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'চিকিৎসক-প্রকৌশলী হতেই হবে, পরিবার থেকে এমন কোনো চাপ ছিল না। মা-বাবা পড়াশোনার ব্যাপারে সব সময়ই স্বাধীনতা দিয়েছেন।'


আরও খবর

অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে আজ

বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১




২২ বছর পরে ভারত বিশ্বকাপে লজ্জা ফিরিয়ে আনল কোহলী

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ১৩ বল বাকি থাকতে ১০ উইকেটে হার। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৩৩ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে হার। ২২ বছর পরে ভারত বিশ্বকাপে প্রথম দুটি ম্যাচে হারের লজ্জা ফিরিয়ে আনল।

১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে একদিনের বিশ্বকাপে ভারত প্রথম দুটি ম্যাচে হেরেছিল। সে বার মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নেতৃত্বে ভারত প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪ উইকেটে হারে। পরের ম্যাচে জিম্বাবোয়ের কাছে ৩ রানে হেরে যায় ভারত।

বিশ্বকাপে ভারতের খারাপ পারফরম্যান্স আরও আছে। ২০০৭ সালে একদিনের বিশ্বকাপ, ভারত গ্রুপ পর্বে বিদায় নিয়েছিল। ২০০৯ এবং ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। কিন্তু কোনও বারই প্রথম দুটি ম্যাচে ভারতকে হারতে হয়নি।

১৯৯৯ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৩ রান তোলে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ১৪২ বলে ৯৭ রান করেন। রাহুল দ্রাবিড় করেন ৭৫ বলে ৫৪ রান। লান্স ক্লুজনার ৬৬ রান দিয়ে সচিন তেন্ডুলকর, আজহারউদ্দিন ও দ্রাবিড়ের উইকেট নেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। জাক কালিস ১২৮ বলে ৯৬ রান করেন।

দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল দুর্বল জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে জিম্বাবোয়ে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৫২ রান তোলে। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ৮৫ বলে অপরাজিত ৬৮ রান এবং গ্রান্ট ফ্লাওয়ার ৮৯ বলে ৪৫ রান করেন। জাভাগাল শ্রীনাথ, বেঙ্কটেশ প্রসাদ ও অনিল কুম্বলে ২টি করে উইকেট নেন। রান তাড়া করার সময় বৃষ্টির জন্য ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৬ ওভারে ২৫৩। কিন্তু ৪৫ ওভারে ২৪৯ রানে শেষ হয়ে যায় ভারত। সদাগোপান রমেশ (৫৫) ও অজয় জাডেজা (৪৩) ছাড়া কেউ ভাল রান পাননি। হিথ স্ট্রিক ও হেনরি ওলঙ্গা ৩টি করে উইকেট নেন।

সে বার ভারত অবশ্য পরের রাউন্ড সুপার সিক্সে গিয়েছিল। এ বার বিরাট কোহলীর নেতৃত্বে প্রথম দুটি ম্যাচে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই।

 

নিউজ ট্যাগ: ভারতীয় ক্রিকেট

আরও খবর



দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার পর এবার তাদের পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টা শুরু হয়েছে। কিলিং মিশন সফল করতে বিভিন্ন কৌশলে ভাড়াটে খুনিরা ব্যবসায়ীদের আশপাশে থাকার চেষ্টা করছে। এতে দেশের ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা বলেছেন, বেসরকারি খাত ধ্বংস করতে রাষ্ট্রবিরোধী একটি চক্র তাদের নীলনকশা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে।

তারই অংশ হিসেবে হয়রানিমূলক মামলার পাশাপাশি হত্যাচেষ্টা শুরু হয়েছে। সর্বশেষ দেশের শীর্ষ শিল্পোদ্যোক্তা পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে একাধিকবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী গ্রুপ বসুন্ধরা দেশের অর্থনীতির বিকাশ এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে অসামান্য অবদান রাখছে। বসুন্ধরা গ্রুপ এক এক করে ৪০টির বেশি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছে।

এসব শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠানে ৭০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

এর কয়েক মাস আগে ঢাকার বোট ক্লাবের সাবেক সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদকে নানাভাবে হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে জেলে ঢোকানো হয়। পরে তিনি জামিন পেলেও নায়িকা পরীমণির দায়ের করা হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা থেকে এখনো অব্যাহতি পাননি। সে সময় নাসির ইউ মাহমুদকে সামাজিকভাবেও হেয় প্রতিপন্ন করা হয়।

এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর পেছনেও কোনো এক কুচক্রী মহল রয়েছে যাদের ক্ষমতার হাত অনেক লম্বা। রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহার  করে এ চক্রটি পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলে ফায়দা লোটার ধান্দা করছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হয়রানি নতুন বিষয় নয়। স্বাধীনতার পর থেকে এমনকি ২০০৭ সালে ১/১১-এর সময়ও ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছিল।

সে সময় তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বিপুল পরিমাণ টাকাও আদায় করা হয়েছিল। অন্যায়ভাবে জেলে নেওয়া হয়েছিল স্বনামখ্যাত অনেক ব্যবসায়ীকে। ফলে সে সময় স্থবির হয়ে পড়ে ছিল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতি। তবে এখন তারা আর শুধু হয়রানিতেই থেমে নেই।

কুচক্রীরা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে রাষ্ট্রেরই বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আড়ালে ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করে ব্যবসায়ীদের হত্যার পরিকল্পনা করে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য আবারও হুমকির সম্মুখীন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। করোনা মহামারীর আঘাতে এমনিতেই সারা বিশ্বের অর্র্থনীতি বিপর্যস্ত। করোনা অচলাবস্থার পর বাংলাদেশের অর্থনীতি যখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ঠিক সেই মুহূর্তে শুরু হয়েছে দেশবিরোধী কুচক্রী মহলের গভীর ষড়যন্ত্র। তারা ব্যবসায়ীদের হত্যার নীলনকশা এঁকেছে। যার মাধ্যমে মূলত দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকেই বাধাগ্রস্ত করতে চায় এ কুচক্রী মহল।

কুচক্রীদের পরিকল্পনা ছিল গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আনভীরকে গুলি করে হত্যার। ওই দিনই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাউতুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে সাইফুল ইসলাম সাদ (২৩) নামে চট্টগ্রামের পটিয়ার এক যুবককে আটক করে রাজধানীর ভাটারা থানা পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদ জানান, শুক্রবার (৫ নভেম্বর) পবিত্র জুমার নামাজ চলাকালে সায়েম সোবহান আনভীরকে গুলি করে হত্যার প্রস্তুতি ছিল তার। পটিয়ার সংসদ সদস্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এবং তার ছেলে নাজমুল করিম ওরফে শারুন চৌধুরীর নির্দেশে হত্যার এ পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেন তিনি। তার আগে দুধের মধ্যে বিষ মিশিয়ে এবং ছুরিকাঘাতে হত্যার ষড়যন্ত্র করে ব্যর্থ হয়েছে চক্রটি।

এ ঘটনার পর সারা দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় শিল্পপতিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একের পর এক মামলার পর হত্যাচেষ্টার মতো ঘটনা রুখতে না পারলে দেশের অর্থনীতি আবার গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাধাগ্রস্ত হবে রপ্তানি ও শিল্পায়ন। ছন্দপতন ঘটবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। ব্যাহত হবে সরকারের প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন।

কৃষির পর ব্যবসা-বাণিজ্যই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। অথচ ব্যবসায়ীদেরই নানাভাবে হয়রানি ও হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আবার এ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এমনকি রাষ্ট্রের নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তারা দেশের উন্নয়নে যাঁরা ভূমিকা রাখছেন তাঁদেরই নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এতে শুধু ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হচ্ছে না, বরং দেশ ও দেশের অর্থনীতি আজ হুমকির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। কেননা শীর্ষ ব্যবসায়ীরাই বেসরকারি খাতের অর্থনীতি সচল রেখেছেন।

এমনকি যে কোনো ধরনের মহামারী, খরা, বন্যা বা সংকট উত্তরণে সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে বেসরকারি খাতই। আবার এ বেসরকারি খাতেই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান। পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বেসরকারি খাতের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে ব্যবসায়ীদের খুনের পরিকল্পনা করা হলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

উদ্যোক্তাদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে হবে : আইবিএফবি সভাপতি হুমায়ুন রশীদ

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) সভাপতি হুমায়ুন রশীদ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, আমরা চাই ব্যবসায়ীরা যেন সুষ্ঠু পরিবেশে ব্যবসা করেন। তা হলেই দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হতে পারে। নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বসুন্ধরা দেশে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। সুতরাং সরকারের কর্তব্য তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাতে তারা বর্তমান এবং ভবিষ্যতের বিনিয়োগে আতঙ্কিত না হন। যে কোনো বিনিয়োগকারীর কোনো সমস্যা হলে তা যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা উচিত বলে জানান এই ব্যবসায়ী।

তিনি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে হত্যার এ ধরনের জঘন্য প্রচেষ্টার নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ১/১১-এর জরুরি সময়ে কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছিল না, কিন্তু এখন আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সে অনুযায়ী সঠিকভাবে কাজ করছে। তাই আমরা চাই প্রকৃত ঘটনায় অপরাধীর শাস্তি হোক।

এ কুচক্রী মহলকে আইনের আওতায় আনতে হবে : রিহ্যাব সহসভাপতি কামাল মাহমুদ

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনের (বিহ্যাব) প্রথম সহসভাপতি কামাল মাহমুদ এ প্রসঙ্গে বলেন, এ কুচক্রী মহল যে-ই হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এটা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, উদ্বেগজনক ঘটনা। বসুন্ধরা গ্রুপের মতো একটি শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপের এমডিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা মানেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা। যাঁরা দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন, দেশের মানুষের কর্মসংস্থান করছেন, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখছেন তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা খুবই দুঃসাহসিক কাজ।

এটা যারা করেছে তারা নিশ্চই কোনো না কোনো পক্ষের স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এর ফলে হুমকির মুখে পড়বে দেশের আর্থিক খাত। বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে হত্যার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় আমরা ব্যবসায়ী সমাজ বিস্মিত, ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে এর পেছনে যারা রয়েছে তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

স্বার্থান্বেষী মহল অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত করতে চায় : বিএলডিএ মহাসচিব মোস্তফা কামাল মহীউদ্দিন

বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলডিএ) মহাসচিব মোস্তফা কামাল মহীউদ্দিন বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। দেশের বড় গ্রুপগুলো নিজেদের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে চেষ্টা করছে কর্মসংস্থান সৃষ্টির।

কিন্তুক্রমেই তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা কমে যাচ্ছে। সব পক্ষ ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। পদে পদে তাঁদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। সম্মান নিয়ে চলার জন্য সব জায়গায় আপস করে চলতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মর্যাদা বিবেচনা না করে কখন কে কোন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে একটা মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে দেবে এ নিয়েই উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সামাজিকভাবে হেয় করা, গ্রেফতার করা, জেলে দেওয়ার ঘটনা অহরহ হচ্ছে।

এই উদ্যোক্তা বলেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়ববদ্ধতা থেকে ব্যবসায়ীরা সব সময় দেশে বিনিয়োগ করতে চান। অনেক ব্যবসায়ী এমন অপমানের ভয়ে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। দেশে বিনিয়োগও করছেন না, দেশে থাকতে চাচ্ছেন না। নিরাপত্তাহীন, সম্মানহীন ও মূল্যায়নহীন সমাজে বসবাস করতে চাইলেও মর্যাদা পাবেন না- এমন আশঙ্কা বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতির যদি অবসান না হয় তাহলে আমাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি বলেন, বিদেশে ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়, যেহেতু তারা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন। সামাজিকভাবে ব্যবসায়ীদের সম্মানিত করা হয়। কিন্তু দেশে বিশেষভাবে যারা অনুগ্রহপ্রাপ্ত তারা ছাড়া প্রকৃত ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি নেই। বিএলডিএ মহাসচিব আরও বলেন, কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে তার আইনের আওতায় বিচার হবে।

কিন্তু স্পষ্টত ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কাউকে ফাঁসালে সেখানে কেন প্রটেকশন পাওয়া যাবে না? সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী যাঁরা সমাজে অবদান রেখে চলেছেন তাঁদের যদি হয়রানি করা হয় তাহলে অন্য ব্যবসায়ীরাও নেতিবাচক বার্তা পান। এ পরিস্থিতি যদি সরকারের সংশ্লিষ্ট ও সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে গভীরভাবে না দেখা হয় তাহলে দেশের কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কোনো কিছুর পরিণতি শুভ হবে না।

 


আরও খবর



ক্যারিবীয়দের হারে ভাগ্য খুললো বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপ থেকে খালি হাতে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। অস্ট্রেলিয়ার কাছে মূল পর্বের শেষ ম্যাচে হেরে যাওয়ায় টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের নয় নম্বরে অবস্থান হয়েছিল টাইগারদের। তাতে শঙ্কা জেগেছিল আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও বাছাই পর্বে খেলার।

অবশেষে বাছাই পর্বের ঝামেলা আর পোহাতে হচ্ছে না টাইগারদের। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হারাতে নিশ্চিত হয়ে গেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরের আসরে বাংলাদেশের সুপার টুয়েলভে খেলা।

শনিবার আবু ধাবিতে চলতি বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ খেলেছে উইন্ডিজ। গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা অজিদের কাছে হেরেছে ৮ উইকেটে। ১৫৭ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে অজিরা ২২ বল বাকি থাকতেই জিতে নেয় ম্যাচ।

এই হারে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা প্রথমবারের মতো খেলতে হবে আসন্ন অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্ব আর ক্যারিবীয়দের হারে প্রথমবারের মতো প্রাথমিক পর্ব এড়াল বাংলাদেশ।

আইসিসি আগেই জানিয়ে দেয় চলতি আসরে ১২ দলের মধ্যে আটটি দল সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলবে। সে অনুযায়ী ৯ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে প্রাথমিক পর্বে শ্রীলঙ্কা, স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়াকে খেলতে হবে।

আইসিসির রেটিং পয়েন্ট অনুযায়ী ২৩৪ নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল আট নম্বরে। একই রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে ছিল বাংলাদেশ। এখন উইন্ডিজ অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যাওয়ায় ১ রেটিং পয়েন্ট কমে ২৩৩ পয়েন্ট নিয়ে চলে গেছে ৯ নম্বরে। ২৩৪ পয়েন্ট নিয়ে আটে উঠে এসেছে টাইগাররা।

গেইল-পোলার্ডদের হারে শুধু বাংলাদেশ নয়, ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত হয়েছে আফগানিস্তানেরও। আফগানরা ২৩৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে র‍্যাঙ্কিংয়ের সাত নম্বরে।

বাংলাদেশ ছাড়াও আগামী বছর বিশ্বকাপে সরাসরি মূল পর্বে খেলবে ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আফগানিস্তান।


আরও খবর