Logo
শিরোনাম

১৮ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | ১৬৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, শনিবার। ৫ ফাল্গুন ১৪২৯। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৪৯তম দিন। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) থেকে। এই হিসা‌বে ১৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপিত হবে।

ঘটনাবলি:

১১২৩ -  সম্রাট ফ্রেডরিক জেরুজালেম দখল করেন।

১৫৩৬ -  ফ্রান্স ও তুরস্ক বাণিজ্য চুক্তি করে।

১৭৮৭ -  অস্ট্রিয়ার সম্রাট শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করেন।

১৮৩৯ -  ডেট্রয়েট বোট ক্লাব গঠিত হয়।

১৮৬১ -  প্রথম ইতালিয় পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হয়।

১৮৮৫ -  মার্ক টোয়েনের বিখ্যাত বই এডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন প্রকাশিত হয়।

১৯০০ -  বোয়ের যুদ্ধে পারডারবাগে ৪ শ লোকসহ পিয়েত ক্রোনিয়ের বৃটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

১৯১৫ -  ডুবোজাহাজের মাধ্যমে জার্মানির ব্রিটেন অবরোধ শুরু হয়।

১৯২১ -  ব্রিটিশ সৈন্যরা ডাকলিন দখল করে।

১৯২৬ -  বিখ্যাত রীফ নেতা আবদুল করিম খাত্তাবি ফ্রান্স এবং স্পেনীয় যৌথ বাহিনীর হাতে পরাজিত হন।

১৯৩০ -  প্লুটো আবিষ্কৃত হয়।

১৯৩৪ -  আলজেরিয়ার বিখ্যাত যোদ্ধা আমির আবদুল কাদেরর হাতে আগ্রাসী ফরাসি সেনারা শোচনীয়ভাবে পর্যুদস্ত হয়।

১৯৪২ -  জাপানি সৈন্যরা বালিতে অবতরণ করে।

১৯৫১ -  নেপাল সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।

১৯৬৫ -  গাম্বিয়ার স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৯ -  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন।

১৯৭৬ -  বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের নাগিরকত্বে ভূষিত করা করা হয়।

১৯৭৯  -  বাংলাদেশের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

১৯৮৮ -  রাশিয়ার ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো থেকে বরিস ইয়েলৎসিনকে বরখাস্ত করে।

১৯৮৯ -  আফগানিস্তানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

১৯৯১ -  কেনিয়ায় গ্রিস দূতাবাসে লুকিয়ে থাকার ৩ দিন পর তুরস্কের কুর্দি নেতা আবদুল্লাহ ওজালানকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৯৩ -  হাইতিতে ফেরি ডুবে দুহাজার লোকের মৃত্যু ঘটে।

১৯৯৭ -  বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থার যাত্রীবহন শুরু হয়।

জন্ম:

১৩৭৪ -  পোলান্ডের রানি সেইন্ট জাডুইগার জন্মগ্রহন করেন।

১৪৮৬ -  শ্রী চৈতন্যদেবের জন্ম হয়।

১৮৩০ -  বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হ্যালহেডের জন্ম হয়।

১৮৩৬ -  শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের (গদাধর চট্টোপাধ্যয়) জন্ম হয়।

১৮৩৮ -  অস্ট্রীয় পদার্থবিদ, দার্শনিক ও মনোবিদ আর্নস্ট মাখের জন্ম হয়।

১৮৯৯ -  বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি জীবনানন্দ দাশ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৭ -  অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম হয়।

মৃত্যু:

১২৯৪ -  মোঙ্গল সম্রাট কুবলাই খানের মৃত্যু হয়।

১৫৬৪ -  রেনেসাঁস যুগের  ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি মাইকেলেঞ্জেলো মৃত্যুবরণ করেন।

১৫৪৬ -  প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের সংস্কারক জার্মান ধর্মতাত্ত্বিক মার্টিন লুথারের মৃত্যু হয়।

১৮৫১  -  বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ কার্ল গুস্তাফ ইয়াকপ ইয়াকবি এর মৃত্যু হয়।

১৯৪৯ -  স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিথেতো আলকালা-থামোরা মৃত্যুবরণ করেন।


আরও খবর

২০ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

সোমবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০23

১৯ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে

রবিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩