Logo
শিরোনাম

১৮ জানুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০২৩ | ১১৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৮ জানুয়ারি, ২০২৩, বুধবার। ০৪ মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১৮ তম (অধিবর্ষে ১৮ তম) দিন। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

৪৭৪ - দ্বিতীয় লিও এক বছরের থেকেও কম সময়ের জন্য বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সম্রাট হন।

১৪৮৬ - এলিজাবেথ অব ইয়র্কের সঙ্গে ইংল্যান্ডের রাজা সপ্তম হেনরী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

১৫৩৫ - স্পেনীয় দখলদার ফ্রান্সিস্‌কো পিজারো পেরুর রাজধানী, লিমা আবিষ্কার করেন।

১৬৪২  -  প্রথম ইউরোপীয় হিসাবে আবেল তাসমান নিউজিল্যান্ডে পা রাখেন।

১৬৭০ - ওয়েল্‌শ্‌ অ্যাডমিরাল স্যার হেনরী মোরগেন পানামা দখল করেন।

১৭৭৮ -  ইংরেজ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক হাওয়াই দ্বীপ আবিষ্কার করেছিলেন।

১৭০১ - প্রথম ফ্রেডরিক প্রুশিয়ার রাজা হন।

১৮৬২ - বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল গঠিত হয়।

১৮৭১ - ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে প্রথম ভিলহেল্ম জার্মানীর প্রথম সম্রাট ঘোষিত হন।

১৯১২ - বৃটিশ অভিযাত্রী রবার্ট ফ্যালকন স্কট দক্ষিণ মেরুতে পদার্পন করেন। তিনি প্রথম

দক্ষিণ মেরুতে পর্দাপন করেছিলেন বলে প্রথমে ভাবলেও পরে বুঝতে পারেন তার ভুল হয়েছে।

১৯১৯ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধ - ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে প্যারিস শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ - সোভিয়েত ইউনিয়নের বাহিনী রাশিয়ার লেনিনগ্রাড শহরটিকে নাৎসি জার্মান বাহিনীর কবল থেকে মুক্তি করে।

১৯৪৮ - হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা বন্ধ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গান্ধী তার ১২১ ঘন্টার অনশনের অবসান ঘটিয়েছিলেন।

১৯৫৬ - জাপান জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৭৮ - নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে বন্দিদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে যুক্তরাজ্য সরকার ইউরোপের মানবাধিকার আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়।

১৯৭৯ - ইরানের বিপ্লবী জনগণ স্বৈরচারী শাহ সরকারের শেষ প্রতিনিধি অর্থাৎ শাপুর বখতিয়ারের সরকারের বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ করে।

১৯৯৭ - একাকী এবং কারো সাহায্য ছাড়াই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে অ্যান্টার্কটিকা পাড়ি দেন নরওয়ের বোর্জ অসল্যান্ড।

১৯৯৮ - দ্রুজ রিপোর্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনস্কির সম্পর্ক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয়।

২০০২ - সিয়েরালিয়নে গৃহযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

২০০৬ - সংযুক্ত আবর আমিরাতে প্রথম কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

জন্ম:

৮৮৫ - জাপানের সম্রাট ডাইগো জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৫৪ - মার্কিন বিজ্ঞানী টমাস আউগুস্তুস ওয়াটসন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের সহকারী এবং টেলিফোন আবিষ্কারের অন্যতম প্রবর্তক হিসেবে স্বীকৃত।

১৮৬৭ - নিকারাগুয়ার কবি রুবেন দারিওর জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭৮ - সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৮২ -  এ. এ. মিলনে, ইংরেজ লেখক, কবি ও নাট্যকার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৭ - আজিজুর রহমান, বাংলাদেশী কবি এবং গীতিকার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২১ -  নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি আমেরিকান পদার্থবিদ ইয়োইচিরো নাম্বু জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৭ -  নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ জন হিউম জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৫ - একুশে পদক জয়ী বাংলাদেশি সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫৪ - প্রখ্যাত মূকাভিনয় শিল্পী পার্থ প্রতীম মজুমদার জন্মগ্রহণ করেন।

 ১৯৮৪ -  জাপানি ফুটবলার মাকটো হাসেবে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৮ -  জার্মান টেনিস খেলোয়াড় আঙ্গেলিকুয়ে কেরবের জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯০ - বাংলাদেশি তরুন প্রজন্মের সঙ্গীত শিল্পী হৃদয় খান জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু:

৪৭৪  -  বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সম্রাট প্রথম লিও এর এর মৃত্যু হয়।

১৩৬৭ - পর্তুগালের রাজা প্রথম পিটার এর মৃত্যু হয়।

১৬৭৭ -  ডাচ রাজনীতিবিদ ও কেপ টাউনের প্রতিষ্ঠাতা জান ভান রিয়েবেকের মৃত্যু হয়।

১৮৬২ - যুক্তরাষ্ট্রের দশম রাষ্ট্রপতি জন টাইলার এর মৃত্যু হয়।

১৯৩৬ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ লেখক ও কবি রুডইয়ার্ড কিপলিং এর মৃত্যু হয়।

১৯৫৫ -  পাকিস্তানি লেখক ও চিত্রনাট্যকার সাদাত হাসান মান্টোর মৃত্যু হয়।

১৯৯২ - রাজনীতি ও আইনজীবী হামিদুল হক চৌধুরী ইন্তেকাল করেন।

১৯৯৫ -  নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ আডল্‌ফ ফ্রিড্‌রিশ ইয়োহান বুটেনান্ড্‌ট এর মৃত্যু হয়।

১৯৯৬ -  ভারতীয় অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, রাজনীতিবিদ, অন্ধ্রপ্রদেশ-এর ১০ তম মুখ্যমন্ত্রীএন. টি. রামা রাও এর মৃত্যু হয়।

নিউজ ট্যাগ: ইতিহাসে এই দিনে

আরও খবর

২০ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

সোমবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০23

১৯ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে

রবিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩