Logo
শিরোনাম

২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু: জয়

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণে যাওয়ার পরপরই ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমন তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র।

'বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম' শিরোনামে লেখা পোস্টটিতে জয় লিখেছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদের ফাঁদে না পড়ার জন্য আগবাড়িয়ে আক্রমণে যাননি বঙ্গবন্ধু। ওয়্যারলেসের বিশেষ ফ্রিকোয়েন্সিতে সম্প্রচার করা হয় বঙ্গবন্ধুর সেই স্বাধীনতার ঘোষণা, যা চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থানকারী বিদেশি জাহাজগুলোর ওয়্যারলেস এবং পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের ওয়্যারলেস থেকে স্পষ্ট শোনা যায়। কিন্তু পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণে যাওয়ার পরপরই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু।

প্রধানমন্ত্রীর পুত্রের লেখা ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

ইয়াহিয়া খান চেয়েছিল, অপারেশন সার্চলাইটের নামে এক বীভৎস গণহত্যা চালাতে, যাতে বাঙালি জাতি আর কোনোদিন স্বাধীনতার কথা মুখেও না আনে। বেলুচিস্তানে গণহত্যা চালানো টিক্কা খানকে তাই বাংলাদেশে গণহত্যা চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। জেনারেল টিক্কা খানের নির্দেশে ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে ঘুমন্ত বাঙালির ওপর হামলে পড়ে পাকিস্তানি সেনারা। তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা সিদ্দিক সালিক জানান, ''২৫ মার্চ দুপুরে মেজর জেনারেল খাদিম হুসেইনকে ফোন করে টিক্কা খান। সরাসরি জানায় ''খাদিম, আজই করতে হবে কাজটা। 'খাদিম এই নির্দেশের জন্যেই অপেক্ষাই করছিল। সঙ্গে সঙ্গে নিজের কর্মচারীদের ওই আদেশ পালনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেয় সে।''

উইটনেস টু সারেন্ডার বইতে সিদ্দিক সালিক আরো লিখেছেন, "ক্র্যাকডাউনের সময় ঠিক করা হয়েছিল ২৬ মার্চ রাত ১টায়। কিন্তু ২৫ মার্চ সন্ধ্যার পর একজন কমান্ডার টিক্কা খানকে ক্র্যাকডাউনের সময় এগিয়ে আনার পরামর্শ দেয়। এরপর রাত সাড়ে ১১টায় পুরো শহরে হামলা চালায় পাকিস্তানি বাহিনী।"

নিজস্ব সূত্রে বঙ্গবন্ধুও পাকিস্তানিদের এই পরিকল্পনা খবর জানতে পারেন। ২৫শে মার্চ সন্ধ্যায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে টেলিফোনে সারা দেশে যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশনা দেন তিনি। সেদিনের ঘটনার ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুর সহকারী সাক্ষাৎকারে জানান, "পঁচিশ তারিখ সন্ধ্যার দিকে আমরা রিপোর্ট পাওয়া শুরু করলাম যে, সব ট্যাংক ক্যান্টনমেন্টে লাইন আপ করা হচ্ছে, আক্রমণ করার প্রস্তুতি চলছে। আমরা এটা বঙ্গবন্ধুকে রিপোর্ট করলাম। এরপর বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ ছিল খুবই সুস্পষ্ট। তিনি বললেন- যে মুহূর্তে তারা আক্রমণ শুরু করবে, সেই মুহূর্ত থেকে আমরা স্বাধীন।'

বিচ্ছিন্নতাবাদের ফাঁদে না পড়ার জন্য আগবাড়িয়ে আক্রমণে যাননি বঙ্গবন্ধু। কিন্তু পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণে যাওয়ার পরপরই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তিনি। ওয়্যারলেসের বিশেষ ফ্রিকোয়েন্সিতে সম্প্রচার করা হয় বঙ্গবন্ধুর সেই স্বাধীনতার ঘোষণা, যা চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থানকারী বিদেশি জাহাজগুলোর ওয়্যারলেস এবং পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের ওয়্যারলেস থেকে স্পষ্ট শোনা যায়। বঙ্গবন্ধুর কন্ঠেই স্বাধীনতার ঘোষণাটি এম ভি সালভিস্তা, এম ভি মিনি লা ট্রিয়া, এম ভি ভি ভি গিরিসহ আরো বেশ কয়েকটি জাহাজের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে প্রেরণ করা হয়। এরপরেই বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানি সেনারা। কসাই টিক্কা খান পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে এবং সিদ্দিক সালিক তার বইতেও বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা নিজের কানে শোনার কথা উল্লেখ করেছেন।


আরও খবর

ফের ফেসবুকে নিষিদ্ধ তসলিমা নাসরিন

বুধবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২




আসছে মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত প্রথম আন্তর্জাতিক সিনেমা

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে সহায়তার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানাজন নানাভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। যার অনেক ঘটনাই রয়েছে আমাদের অজানা। ঠিক তেমনি এক ঘটনা ফরাসি এক যুবক জ্যঁ কুয়ের বিমান ছিনতাইয়ের।

১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ফ্রান্সের প্যারিসের অর্লি বিমানবন্দরে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই করেন জ্যঁ কুয়ে।

তার দাবি ছিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য ২০ টন ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী ওই বিমানে তুলে দিতে হবে এবং তাহলেই কেবল মুক্তি পাবে বিমানের সব যাত্রী।এই ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত প্রথম আন্তর্জাতিক সিনেমা জেকে ১৯৭১

ছবিটি নির্মাণ করেছেন ফাখরুল আরেফীন খান। সম্প্রতি সিনেমাটির দৃশ্যধারণ, সম্পাদনা, ডাবিং, কালার কারেকশন, ভিএফএক্সের কাজ শেষ হয়েছে।

পরিচালক বলেন, আমরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের, আফগান যুদ্ধ এমনকি সোমালিয়ার যুদ্ধ নিয়ে নির্মিত সিনেমা দেখি। কিন্তু আন্তর্জাতিক দর্শকদের দেখানোর জন্য ইংরেজিতে আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের কোনো সিনেমা নেই। তাই আমরা এই সিনেমাটি বানানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। এরই মধ্যে আমরা ছবির সব কাজ শেষ করেছি। আশা করছি খুব শিগগির ছবিটি মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

গড়াই ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সৌরভ শুভ্র দাশ। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা ফ্রান্সিসকো রেমন্ড এবং রাশিয়ান অভিনেত্রী ডেরিয়া গভ্রুসেনকো ও অভিনেতা নিকোলাই নভোমিনাস্কি, পশ্চিমবঙ্গের সব্যসাচী চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীলসহ আরো ৩৬ জন অভিনয়শিল্পী।

নিউজ ট্যাগ: জেকে ১৯৭১

আরও খবর



এক কোটি পরিবার পাবে ১১০ টাকা মূল্যে সয়াবিন তেল

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের এক কোটি পরিবারকে দেওয়া হবে ১১০ টাকা দরে সয়াবিন তেল। সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আগামী জুন থেকে ন্যায্যমূল্যে এ তেল বিক্রি করবে কার্ডধারীদের কাছে। রোববার (৮ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ এ তথ্য জানান।

বাণিজ্য সচিব বলেন, আগামী জুন থেকে এক কোটি কার্ডধারী পরিবারের কাছে ১১০ টাকা দামে সয়াবিন তেল বিক্রি করা হবে। সরকার টিসিবির মাধ্যমে সরাসরি সয়াবিন তেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে। এই বিষয়ে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যেই সয়াবিন তেল কেনার জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে।

সম্প্রতি সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি ৩৮ টাকা বেড়ে ১৯৮ টাকা হওয়ায় এবং চাহিদা অনুযায়ী বাজারে সয়াবিন তেল সরবরাহ না থাকায় সরকার সর্বনিম্ন মূল্যে এই তেল সরবরাহ নিশ্চিতের চেষ্টা করছে।

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স ও বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮০ টাকা, যা এতদিন ১৪০ টাকা ছিল। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৮ টাকা করা হয়েছে। ৫ লিটারের বোতলের দাম ৭৬০ টাকা থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৮৫ টাকায়।  নতুন এ দাম শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।


আরও খবর



জরুরি পরিষেবা ছাড়া ঢাকায় রাত ৮টার পর কিছু খোলা থাকবে না: মেয়র তাপস

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, যানজট নিরসনের লক্ষ্যে জরুরি পরিষেবা ছাড়া রাত ৮টার পর রাজধানীতে সব দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ থাকবে। আমরা এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করব। সোমবার (১৬ মে) মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের দুই বছর পূর্তিতে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, শহর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনাকে একটি সময়সীমায় আওতায় নিয়ে আসতে হবে, সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে হবে। শহর কখন জেগে উঠবে, কখন ঘুমাবে সে বিষয়ে পৃথিবীর অন্যান্য শহরের মতোই সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঢাকা শহরের জন্যও থাকা আবশ্যক। সুতরাং আমরা মনে করি, ঢাকা শহরকে একটি বাসযোগ্য ও উন্নত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে অন্যান্য অনুষঙ্গের পাশাপাশি রাত আটটার মধ্যে বেসরকারি অফিস, দোকান-পাট, বাজার (মার্কেট), শপিং মল ইত্যাদি বন্ধ করতে হবে।

খাবার হোটেল রাত ১০টার পর খোলা রাখা যাবে না। ঔষধালয়, চিকিৎসালয় ইত্যাদি একান্ত জরুরি সেবা ও প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের পর খোলা রাখতে হলে করপোরেশনের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। এতে যেমন শহরের কার্যক্রম শৃঙ্খলায় আসবে তেমনি লোকজনও তাদের পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটাতে পারবে, পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন মজবুত ভিত্তি লাভ করবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকার ধারণক্ষমতা সব সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে গেছে। এ থেকে দ্রুত পরিত্রাণ ছাড়া উপায় নাই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পয়ঃনিষ্কাশন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত এ সমস্যা সমাধান করতে। এজন্য রাত আটটার মধ্যেই ঢাকার সব দোকানপাট, শপিং মল বন্ধ করতে হবে। শুধু খাবারের দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

মেয়র তাপস বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তিতে দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই দুর্নীতি মুক্তির দিক থেকে আমরা আমাদের অবস্থান তৈরি করেছি। যদি সরকারের পক্ষ থেকে তালিকা করা হয়, তাহলে নিশ্চিত করে বলতে পারি এই দুর্নীতি মুক্তির দিক থেকে এক নম্বর প্রতিষ্ঠান হবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। অগ্রযাত্রার দিক থেকে ডিএসসিসিকে কেউ দাবায় রাখতে পারবে না।


আরও খবর



ঈদযাত্রায় সড়ক-রেল-নৌ পথে দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪৩

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরে যাতায়াতে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ৩৭২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট ৪১৬ জন নিহত এবং ৮৪৪ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে, সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সম্মিলিতভাবে ৪০২টি দুর্ঘটনায় ৪৪৩ জন নিহত এবং ৮৬৮ জন আহত হয়েছেন।

ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২৬ এপ্রিল থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ১০ মে পর্যন্ত বিগত ১৫ দিনে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের ঈদে করোনা মুক্তির কারনে বেশি মানুষের যাতায়াত হয়। বিগত দুই বছর করোনা সংকটের কারণে গণপরিবহন বন্ধ-চালুর ফাঁকে প্রায় ১০ লাখ মোটরসাইকেল ও ২০ লাখ ইজিবাইক রাস্তায় নামে। ফলে এবারের ঈদযাত্রায় ২৫ লাখ মোটরসাইকেল, ৪০ লাখ ইজিবাইক বহরে থাকার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার উল্লেখযোগ্য তৎপরতার কারণে ঈদ যাত্রা খানিকটা স্বস্তিদায়ক হলেও সড়ক দুর্ঘটনা বরাবরের মতো বেড়েছে।

বিগত ২০২১ সালের ঈদুল ফিতরে যাতায়াতের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ১৪ দশমিক ৫১ শতাংশ, নিহত ২২ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং আহত ২৬ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়েছে। উল্লেখিত সময়ে রেলপথে ২৭টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত এবং ৩০৪ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ৩টি দুর্ঘটনায় ২জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১৬৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৪৫ জন নিহত এবং ১১০ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৪৪ দশমিক ০৮ শতাংশ, নিহতের ৩৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং আহতের ১৩ দশমিক ০৩ শতাংশ

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্যরা বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন দৈনিক এ প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার এই চিত্রকে একটি প্রতীকী চিত্র বলা চলে। প্রকৃতপক্ষে দেশে বর্তমানে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক ক্যান্সারের মতো বেড়ে যাওয়ার কারণে পঙ্গু হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ পঙ্গু রোগী ভর্তি হলেও ঈদের এই সময়ে ২০০ থেকে ২৫০ জন হারে প্রতিদিন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার ৬০ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৫ শতাংশ ইজিবাইক দুর্ঘটনায় শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, এছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ২ শতাধিক সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছেন। দেশের বিভাগীয় হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৮০ থেকে ১০০ সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছেন। সদর হাসপাতালেও আক্রান্ত রোগীর যে ধরণের ভয়াবহ চিত্র দেখা যায় প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের চিত্র সংবাদপত্রে উঠে আসে না বলেই আমরাও এই ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরতে পারি না।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



শেহনাজ গিলকে প্রস্তাব দিলেন সালমান খান

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বলিউডে বেশ কয়েকজন নায়িকাকে নিয়ে এসেছেন সালমান খান। তার হাত ধরে পরিচিতি পেয়েছেন জারিন খান কিংবা এই সময়ের সাই মাঞ্জেরকরসহ আরও অনেকে। এবার ভাইজানের চোখ পড়েছে টিভি জগতের জনপ্রিয় তারকা শেহনাজ গিলের ওপর। সুদর্শনা এই রমণীকেই এবার সিনেমার পর্দায় নিয়ে আসতে চলেছেন তিনি।

শোনা যাচ্ছে, সালমান খানের নতুন সিনেমা কাভি ঈদ কাভি দিওয়ালিতে দেখা যেতে পারে শেহনাজকে। সাল্লু নিজেই নাকি প্রস্তাব দিয়েছেন। এই সিনেমায় সালমানের ভগ্নীপতি আয়ুষ শর্মাও থাকছেন। তার বিপরীতে দেখা যাবে শেহনাজকে।

সুপারস্টারের সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় পা রাখতে চলেছেন শেহনাজ। এর জন্য কত পারিশ্রমিক পাচ্ছেন? শোনা যাচ্ছে, সালমান কোনো অংক বলেননি। বরং শেহনাজের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি যতটা চান, তাই পাবেন। শুধু তাই নয়, শুটিং শিডিউলও নাকি নিজের পছন্দসই তারিখে নিতে বলেছেন সালমান।

তবে কি শেহনাজে মন গলেছ ভাইজানের? সে প্রশ্ন তোলা থাক। তবে সালমানের বিগ বস অনুষ্ঠানের ১৩তম আসরে ছিলেন শেহনাজ। তখন থেকেই তাকে পছন্দ করেন অভিনেতা। জীবনের বিভিন্ন ওঠা-নামার মাঝেও তার অবিকৃত সারল্য ও সততা মুগ্ধ করে সাল্লুকে।

টিভি তারকা সিদ্ধার্থ শুক্লার সঙ্গে গভীর প্রেম ছিল শেহনাজ গিলের। তাদের বিয়ে করার কথাও ছিল। তবে গত বছর হঠাৎ মারা যান সিদ্ধার্থ। এরপর একেবারে ভেঙে পড়েন শেহনাজ। কয়েক মাস হলো অভিনেত্রী স্বাভাবিক হয়ে কাজে ফিরেছেন।


আরও খবর