Logo
শিরোনাম

২৭৪ কোটি টাকার তেল-ডাল কিনছে টিসিবি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ১০ লাখ টন সয়াবিন তেল এবং ৮ হাজার টন ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে খরচ হবে ২৭৪ কোটি ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৮০০ টাকা। এই তেল ও ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ভার্চ্যুয়ালি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান। তিনি জানান, টিসিবির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৷ ভারতের ইটিসি এগ্রো প্রোসেসিং প্রাইভেট লিমিটেডের (ঢাকায় স্থানীয় এজেন্ট: এক্সপোর্ট ট্রেডিং বিডি লিমিটেড) কাছ থেকে ৭৩ কোটি ৯৬ লাখ ৯৬ হাজার ৮০০ হাজার টাকায় এ ডাল কেনা হবে।

অপর একটি প্রস্তাবে টিসিবির মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এক কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুন শিং এডিবল ওয়েল লিমিটেডের কাছ থেকে ২০০ কোটি ২০ লাখ টাকায় এ তেল কেনা হবে। আগের মূল্য ছিল প্রতি লিটার ১৮৪ দশমিক পাঁচ টাকা। বর্তমানে ১৮২ টাকায় কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সেনা এডিবল অয়েল ইন্ডাস্টির কাছ থেকে ৪৪ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয় ৮১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারের দাম ধরা হয় ১৮৪ টাকা ৫০ পয়সা। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে শুন শিং এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা। এ জন্য ব্যয় ধরা হয় ১০১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারের দাম ধরা হয় ১৮৪ টাকা ৫০ পয়সা। এছাড়া ওই সভায় আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ওমানের জাদ আল রাহিল ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি সুলতানাত থেকে এক কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এ জন্য ব্যয় ধরা হয় ১৫১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারের জন্য খরচ ধরা হয় ১৩৭ টাকা ৯৪ পয়সা।

ফ্যামিলি বা পরিবার কার্ডের আওতায় একজন কার্ডধারীর কাছে সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, এক কেজি মসুর ডাল ৬৫ টাকা ও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে শুধু সিটি করপোরেশন এলাকা ও টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোয়।

নিউজ ট্যাগ: টিসিবি

আরও খবর



মধ্য এশিয়ার ক্লাবে শারীরিক পরীক্ষা দিলেন রোনাল্ডো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলে এমন কোনও ক্লাবে সই করতে চেয়েছিলেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর এজেন্ট জর্জ মেন্ডেস ইউরোপের একাধিক ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগও করেন। কিন্তু সাড়া মেলেনি। শেষ পর্যন্ত হয়ত সৌদি আরবের আল নাসেরেই খেলতে দেখা যাবে পর্তুগালের তারকাকে।

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল রোনাল্ডোর সঙ্গে। তখনই তাঁকে পেতে ঝাঁপায় সৌদির আল নাসের। সে সময় তেমন আগ্রহ দেখাননি রোনাল্ডো। বিশ্বকাপের পর দুদিন পুরনো ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে অনুশীলন করেছিলেন। সেখান থেকে ব্যক্তিগত বিমানে দুবাই হয়ে চলে এসেছিলেন সৌদি আরবে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলে এমন কোনও ক্লাব তাঁকে নিতে আগ্রহ না দেখানোয় সৌদির আল নাসেরকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। চুক্তি সই না হলেও রোনাল্ডোর শারীরিক পরীক্ষা নিয়েছে সৌদির ক্লাবটি। রিয়াধের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা হয়েছে রোনাল্ডোর। আপাতত পরিবারের সঙ্গে বড়দিনের ছুটি কাটাতে বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

সৌদির সংবাদ মাধ্যমের দাবি, রিয়াধের একটি বিলাস বহুল অ্যাপার্টমেন্টে রোনাল্ডোর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব ব্যবস্থা পছন্দ হয়েছে তাঁর। আল নাসেরের সঙ্গে সাত বছরের চুক্তি সই করতে পারেন আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিশ্বের সর্বোচ্চ গোলদাতা। চুক্তির অঙ্ক প্রতি বছর প্রায় ৬২১ কোটি টাকা। খেলা ছাড়াও ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য সৌদি আরবের দাবির সমর্থনে প্রচার করবেন রোনাল্ডো।


আরও খবর



আগুনে পুড়ে বসত ঘর হারানো পরিবারের পাশে ইঞ্জিনিয়ার নোমান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভোলা জেলার লালমোহন থানাধীন ধলীগৌরন নগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মৃত খোরশেদ আলমের পুত্র মোহাম্মদ নূরনবীর বসত ঘড়টি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সেই সাথে পুড়ে যায় তার কষ্টার্জিত নগদ অর্থ ও ঘরের সকল আসবাবপত্র। সকল স্বয় সম্বল হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিবিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার (সিআইপি) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির খোঁজখবর নেন এবং তাদেরকে নতুন একটি গৃহ নির্মাণের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন।

উক্ত প্রদান কৃত অর্থ তার পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে তুলে দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কামাল মাস্টার, ফজলুর রহমান ও সাদেক মিস্ত্রি। গৃহ নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা পেয়ে নূরনবী ও তার পরিবারের সদস্যরা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ে এবং ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার এর জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার (সিআইপি) ভোলা ৩ লালমোহন তজুমদ্দিন এর সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি, তিনি লালমোহন তজুমদ্দিনের মানুষের শিক্ষা স্বাস্থ্য ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছেন, তিনি সংসদীয় আসন ১১৭ ভোলা ৩ এ জননেত্রী শেখ হাসিনা তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




নাশকতার মামলায় বিএনপির ৪২ নেতাকর্মী কারাগারে

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নাশকতা মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামসহ পৃথক দুটি মামলায় ৪২ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আলমাছ হোসেন মৃধা তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন সিকদার বলেন, পৃথক দুই মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, সহসভাপতি জুলফিকার আলী মণ্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রিবভী জর্জ, লোহাগড়া উপজেলা সভাপতি মো. নজরুল জমাদার, বিএনপির, যুবদল, সেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্র দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ পৃথক দুই মামলায় ৪২ জন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক শুনানি শেষে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার কালিয়া ও নড়াগাতি থানার মামলা ও বুধবার সদর ও লোহাগড়া থানার মামলায় দুদিনে শতাধিক নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর রাতে সীমাখালীর মালিবাগ এলাকায় নাশকতা চালায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় ৪ ডিসেম্বর সদর থানায় দায়েরকৃত নাশকতার মামলায় ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে পুলিশ। এরপর আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। গত ১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকায় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে এসব মামলা হয় বলে জানায় বিএনপির নেতারা।


আরও খবর



সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন শামীমা বেগম

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লন্ডন থেকে সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া ব্রিটিশ ছাত্রী শামীমা বেগম একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য-ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দিতে তিনি লন্ডন ছাড়েন বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। কীভাবে ২০১৫ সালে সিরিয়ায় গিয়েছিলেন তার বিস্তারিত বর্ণনা বুধবার প্রথমবারের মতো বিবিসির কাছে দিয়েছেন শামীমা বেগম।

তিনি বলেছেন, আইএস সদস্যরা তাকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা তিনি নিজেও করেছিলেন।  শামীমা বেগম তুরস্ক হয়ে সিরিয়ার রাক্কায় পৌঁছানোর পর একজন ডাচ বংশোদ্ভূত আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করেছিলেন। সেখানে তার তিন সন্তানের জন্ম হয়। পরবর্তীতে তার সন্তানরা মারা গেছে।

আইএসে যোগ দেওয়ার অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার নাগরিকত্ব বাতিল করে তাকে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করে। জিহাদি বধূ হিসেবে সংবাদমাধ্যমে পরিচিত শামীমা বেগম ২০১৯ সালে ইসলামিক স্টেটের স্বঘোষিত খেলাফতের পতন হওয়ার পর থেকেই সিরিয়ার একটি বন্দীশিবিরে বাস করছেন। বর্তমানে তার বয়স ২৩ বছর এবং তিনি নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়া ও লন্ডনে প্রত্যাবর্তনের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সাথে আইনী লড়াই চালাচ্ছেন।

শামীমা বেগম বলেন, তিনি যুক্তরাজ্য থেকে বেরোতে পেরে স্বস্তি বোধ করেছিলেন। যাওয়ার সময় তিনি আর কখনও ব্রিটেনে ফিরে আসবেন এমন আশা করেননি। তার প্রতি ব্রিটিশ জনগণের ক্রোধের কারণ তিনি বুঝতে পেরেছেন। ব্রিটিশরা তাকে তাদের নিরাপত্তা ও জীবনধারার জন্য বিপদ ও ঝুঁকির কারণে হিসেবে দেখেন বলে জানান শামীমা। তারা যা মনে করে আমি আর সেই মানুষ নেই।  তিনি বলেন, তিনি খারাপ মানুষ নন এবং গণমাধ্যমে তাকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে সেকারণেই লোকজন তাকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখেন।

শামীমা বলেন, আমার মনে হয় আমার প্রতি তাদের রাগ যতটা তার চেয়েও বেশি আইএসের প্রতি। যখনই তারা আইএসের কথা ভাবে তখনই আমার কথা মনে হয়। কারণ আমাকে মিডিয়ায় খুব বেশি তুলে ধরা হয়েছে। তিনি যে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছিলেন এটা তিনি মানেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে  শামীমা বেগম বলেন, হ্যাঁ, যোগ দিয়েছিলাম।

আদালতে তার মামলার শুনানির মূল বিষয় ছিল, শামীমা বেগম কি মানবপাচার ও যৌন নিপীড়নের শিকার, নাকি তিনি একজন অঙ্গীকারবদ্ধ আইএস স্বেচ্ছাসেবী ও যুক্তরাজ্যের প্রতি হুমকিস্বরূপ।

যুক্তরাজ্যের সাবেক শিশুবিষয়ক জুনিয়র মন্ত্রী টিম লাটন বলেন, শামীমা বেগম কেন আইএসে যোগ দিয়েছিলেন, কোন শক্তি তার মগজ ধোলাই করেছিল এটা এখনো স্পষ্ট নয়। অনেক লোকই এখন সন্দেহ করে যে শামীমা বেগম যেভাবে হিজাব-পরা মুসলিম তরুণী থেকে পশ্চিমা পোশাক-পরা নারীতে পরিণত হয়েছেন। এটা তার অভিনয়।

বিবিসির জশ বেকার ও জোসেফ লীকে দেওয়া সবশেষ ওই সাক্ষাৎকারে শামীমা বেগম বলেন, পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন থেকে সিরিয়ায় আইএসের রাজধানী রাক্কায় যাওয়ার প্রস্তুতি তিনি ও তার সঙ্গী দুই তরুণী মিলেই করেছিলেন। এ ছাড়াও তার পরিকল্পনার খুঁটিনাটি নির্দেশনা, কি করতে হবে না হবে তার লম্বা তালিকা এসেছিল অনলাইনে আইএসের সদস্যদের কাছ থেকে। কোথাও ধরা পড়লে কি বলতে হবে সেটাও তারা বলে দিয়েছিল। তার সঙ্গী দুই তরুণী পরে সিরিয়াতেই মারা গেছে বলে মনে করা হয়। শামীমা বেগম বলেন তারা ভ্রমণের খরচ, সামান্য তুর্কি ভাষা শেখা ইত্যাদি প্রস্তুতি ইন্টারনেটে খোঁজ করেই নিয়েছিলেন।

শামীমা বেগম ও অন্য দুই তরুণীর পরিবারের আইনজীবী তাসনিম আকুঞ্জি বলেন, তারা পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি লন্ডনে তাদের ঘরে তল্লাশি করেছিলেন, কিন্তু তেমন কোন তথ্যপ্রমাণ পাননি। তারা এত ভালোভাবে সবরকম আলামত সরিয়ে ফেলেছিল যা তিনি কখনো দেখেননি। শুধু একটি কাগজ পাওয়া গিয়েছিল যাতে কিছু জিনিসপত্রের তালিকা ও দাম লেখা ছিল। একটি ফোন ৭৫ পাউণ্ড, মোজা ৪ পাউন্ড, ট্যাক্সি ১০০ পাউণ্ড ইত্যাদি। শামীমা বেগম বলেন, ওই তালিকাটি তার করা নয়। বরং অন্য একটি মেয়ে বোকার মত কাগজটা ফেলে গিয়েছিল।


আরও খবর



ছয় আসনে উপ-নির্বাচন : ৭২ ঘণ্টার জন্য বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ১ ফেব্রুয়ারী বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ৬ সংসদ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনি এলাকায় ৭২ ঘণ্টার জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।তবে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ইতিমধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নির্দেশনাটি তারা বাস্তবায়ন করবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে,উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, জাতীয় সংসদের ৫ ঠাকুরগাঁও-৩,৩৯ বগুড়া-৪, ৪১ বগুড়া-৬, ৪৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, ৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ এবং ২৪৪ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ শূন্য আসনে নির্বাচন তফসিল অনুসারে ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ বুধবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২:০০ টা হতে ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২:০০ টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

সেই সাথে ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২:০০ টা হতে ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। উপরোল্লিখিত নিষেধাজ্ঞা রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী/তাঁদের নির্বাচনি এজেন্ট, দেশি/বিদেশি পর্যবেক্ষকদের (পরিচাপত্র থাকতে হবে) ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য হবে।

তাছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি/বিদেশি সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক এবং কতিপয় জরুরি কাজ যেমন-এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য উল্লিখিত যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে উক্ত নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। এতদ্ব্যতীত জাতীয় মহাসড়ক (Highways), বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এরুপ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।


আরও খবর