Logo
শিরোনাম

৩১ জুলাই কারখানা খুলতে চান গার্মেন্টস মালিকরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঈদের পর তৈরি পোশাক কারখানা খোলা থাকবে এমনটিই আশা করছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। তৈরি পোশাক কারখানার মালিকরা বলছেন, আগামীকাল (সোমবার) অথবা ঈদের আগের দিন তারা গার্মেন্টস কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত পাবেন।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসানসহ সংগঠনটির সাবেক সভাপতিরাও আশাবাদী, আগামী ২৩ জুলাই থেকে দেশ কঠোর লকডাউনে গেলেও গার্মেন্ট কারখানা এর আওতার বাইরে থাকবে।

এ প্রসঙ্গে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, দেশের অর্থনীতি গতিশীল রাখার পাশাপাশি গার্মেন্টস শ্রমিকদের করোনা থেকে দূরে রাখতে আশা করছি, কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত আসবে। এই সিদ্ধান্ত আগামীকাল অথবা ঈদের আগে যেকোনও সময় আসতে পারে। তিনি আশাবাদী, শুধু ব্যবসা নয়, সর্বোপরি দেশের বৃহত্তর স্বার্থে গার্মেন্ট কারখানা খোলা রাখা হবে। বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের মতো কারখানা খোলা রাখা হবে বলে আশা করেন আরেক সাবেক সভাপতি ড. রুবানা হক। তিনিও মনে করেন, শ্রমিকদের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা ও অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে সরকার গার্মেন্টস কারখানা লকডাউনের আওতার বাইরে রাখবে।

বিজিএমইএর বর্তমান সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আগামী লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবেএমন  তথ্য আন্তর্জাতিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারের কারণে ব্র্যান্ড এবং ক্রেতারা আবারও রফতানি আদেশ কমিয়ে দিতে শুরু করেছেন। বিষয়টি নিশ্চয়ই সরকার সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করে গার্মেন্টস খোলা রাখার ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত জানাবেন। তার আশা, ঈদের ছুটি সংক্ষিপ্ত করা হবে এবং লকডাউনের সময় আগের মতোই বস্ত্র ও পোশাক কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা সরকারের ঘোষণার অপেক্ষায় আছি।

অবশ্য  শনিবার (১৭ জুলাই) লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে গার্মেন্ট মালিকরা কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে আগের মতো জোরালোভাবে কিছু বলতে পারছেন না।

গার্মেন্ট কারখানার মালিকরা বলেছেন, আমরা নিশ্চিত, সরকার পোশাক ও বস্ত্র খাতের চাওয়া-পাওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। এর আগে সরকার তাদের চাওয়া পাওয়ার গুরুত্ব দিয়েছে। যে কারণে এই খাত  বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রভাব থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। গার্মেন্টস খাতের ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, ঈদের পর যদি কারখানা খোলা রাখা না হয়, তাহলে আবারও বড় ধরনের সংকটে পড়বে রফতানি খাত।

শনিবার চুয়াডাঙ্গায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবে এমন মন্তব্যকে ব্যক্তিগত অভিমত বলে মনে করেন এই খাতের উদ্যোক্তারা। এ বিষয়ে এখনও সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তারা।  উদ্যোক্তাদের আশা, আজ  রবিবার সরকারি ছুটি শেষে অথবা আগামীকাল ইতিবাচক বার্তা আসবে।

উদ্যোক্তারা বলছেন, সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে পোশাক রফতানিতে এ খাত ভালো করেছে। ভারত, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমারের পোশাক ক্রেতাদের কিছু অংশ বাংলাদেশে আসছেন এবং নতুন অর্ডার দিচ্ছেন। এ সময় কারখানা দীর্ঘ মেয়াদে বন্ধ থাকলে শীত মৌসুমের কার্যাদেশ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ডিসকাউন্টে (ছাড়ে) বা উড়োজাহাজে তাদের পণ্য পাঠানো লাগতে  পারে। এ জন্য তাদের বড় ধরনের সংকটে পড়তে হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

এর আগে সচিবালয়ে গত বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) বিকালে পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে। এ সময় কারখানা খোলা রাখার যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি চিঠি দেয় প্রতিনিধি দল।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সিদ্দিকুর রহমান, নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে বিজিএমইএর সভাপতি মো. ফারুক হাসান বলেন, তারা আশাবাদী, সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কঠোর লকডাউনকালে আগের মতোই বস্ত্র ও পোশাক কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ, শিল্প-কারখানা খোলা রাখা না হলে অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বৈঠক শেষে বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে ঈদের পর কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে কারখানা খোলা রাখার যৌক্তিকতা তুলে ধরেছি আমরা। সচিব আমাদের আশ্বস্ত করছেন, তিনি আমাদের চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবেন।

প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সরকার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রফতানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্প কারখানা উৎপাদন চালু রাখার সুযোগ পায়। সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১ জুলাই শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে পোশাকসহ অন্যান্য শিল্প কারখানা চালু থাকে।

তবে  সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঈদ-পরবর্তী ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ চলবে। এই কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে সব ধরনের শিল্প কারখানা বন্ধ থাকবে। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের পর দুশ্চিন্তায় পড়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকেরা।

এদিকে ঈদের পর দুই সপ্তাহের লকডাউনে পোশাক ও বস্ত্র কারখানা চালু রাখার যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীকে যৌথভাবে চিঠি দিয়েছেন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান, বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ টেরি টাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিটিএলএমইএ) চেয়ারম্যান এম শাহদাৎ হোসেন ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি আবদুল কাদের খান।

ব্যবসায়ী নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বলেছেন, পোশাক শিল্পের শ্রমিকেরা নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে কাজ করেন। দিনের অধিকাংশ সময় (মধ্যাহ্ন বিরতিসহ ১১ ঘণ্টা) কর্মক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে থাকেন তারা। গত রোজার ঈদে কাজের চাপ কম থাকায় ছুটিও কিছুটা শিথিল ছিল। কিন্তু এখন কাজের প্রচুর চাপ থাকায় ঈদে লম্বা ছুটির সুযোগ নেই। কিন্তু ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকার ঘোষিত ১৪ দিন, ঈদের ছুটি ৩ দিন ও ফিরে আসতে ২ থেকে ৩ দিন, অর্থাৎ মোট ১৯-২০ দিন কারখানা বন্ধ থাকলে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ধরে রাখা যাবে না। তারা ছুটে যাবেন উত্তরাঞ্চল-দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, যেগুলো এখন করোনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে,  বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ওই সব অঞ্চল থেকে কর্মস্থলে ফিরে এলে কোভিড সংক্রমণের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এ ছাড়া ২০ দিন বন্ধের পর কারখানা খুললে জুলাই মাসের বেতন পরিশোধ করার প্রসঙ্গ আসবে। তখন বেতন পরিশোধ করা কঠিন হয়ে যাবে। এসব বিষয় বিবেচনা করে ঈদের পর দ্রুত কারখানা খুলে দেওয়া হলে রফতানিমুখী শিল্প বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকে রক্ষা পাবে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনায় গত ১৫ মাসে বিদেশি ক্রেতারা অনৈতিকভাবে পণ্যের উৎপাদন খরচের চেয়ে কম মূল্য দিয়েছেন। তারপরও বাজার ধরে রাখা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা চালিয়ে রাখার স্বার্থে লোকসান দিয়েও কারখানা চালানো হয়েছে। এ সময়ে অনেকেই ধাক্কা সামলাতে না পেরে কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। এখন ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। ইউরোপ, আমেরিকাসহ সব দেশ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ফলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের হাতে পর্যাপ্ত কার্যাদেশ আছে। এমন সময়ে ঈদের ছুটিসহ ১৮-২০ দিন কারখানা বন্ধ থাকলে গ্রীষ্ম, বড়দিন ও শীতের ক্রয়াদেশ হাতছাড়া হয়ে যাবে।



আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




ফোন করে বিরক্ত করলে গুনতে হবে এক লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বারবার ফোন করে কাউকে বিরক্ত করলে অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।এজন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ এর সংশ্লিষ্ট ধারাটি মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর তফসিলে যুক্ত করা হয়েছে।

গত ২৯ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীনের স্বাক্ষর করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর তফসিলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর ধারা ৭০ (১) সংযোজিত হবে।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের ৭০ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত যদি অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট এইরূপে বারবার টেলিফোন করেন যে, উহা উক্ত অন্য ব্যক্তির জন্য বিরক্তিকর হয় বা অসুবিধার সৃষ্টি করে, তাহা হইলে এইরূপে টেলিফোন করা একটি অপরাধ হইবে এবং উহার জন্য দোষী ব্যক্তি অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে এবং উহা অনাদায়ে অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে করোনা, ২৪ ঘণ্টায় ১৫ মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে কুষ্টিয়ায়। লকডাউনেও থেমে নেই মৃত্যুর মিছিল। শনিবার (০৩ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে রবিবার (০৪ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে করোনায় ১৩ জন ও উপসর্গে ছয়জন এবং কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনায় একজন ও নিজ বাড়িতে করোনায় একজন মারা গেছেন। জেলায় ২৪ ঘণ্টায় এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ সময় ৬০৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৯৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

রবিবার (৪ জুলাই) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার।

এদিকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন করোনায় আক্রান্ত একজন এবং বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন করোনা রোগী মারা গেছেন। মৃত দুজনের বাড়িই উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নে। কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আকুল উদ্দিন করোনা আক্রান্ত দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। নতুন করে শনাক্ত হওয়া ১৯৩ জনের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের ৩৬ জন, দৌলতপুরের ৪৫ জন, কুমারখালীর ৩১ জন, ভেড়ামারার ২৭ জন, মিরপুরের ২৩ জন এবং খোকসার ৩১ জন রয়েছেন।

এখন পর্যন্ত জেলায় ৬৪ হাজার ৫৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে ৬১ হাজার ৯৯৪ জনের। বাকিরা নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন। জেলায় এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৪৭৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৭৬২ জন।

বর্তমানে কুষ্টিয়ায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৯৩ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২৬৫ জন এবং হোম আইসোলেশনে আছেন ২ হাজার ২২৮ জন।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে বর্তমানে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড হচ্ছে। সব উপজেলায় হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা। লকডাউনের মধ্যেও কেউ কেউ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে রাস্তাঘাটে চলাচল করছে। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। ফলে লকডাউনের সুফল মিলবে না। জনসাধারণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলার প্রবণতার কারণে সংক্রমণ আরো বাড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। করোনার সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া বেশ কঠিন হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।



আরও খবর



ওবায়দুল কাদেরসহ ৩ জনকে ‘মেরে ফেলার হুমকি’ কাদের মির্জার

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ১০০জন দেখেছেন
Image
কি কোরবেন আমাকে জেল দিবেন। দেন, অভ্যাস আছে। আমনেও রেডি অন,সময় মত যাইবেন। আমনে আমারে ঢুকাবেন, আমনে বুঝি বাঁচি যাইবেন। আরে মারি আলাইবেন। আমি রেডি করি যাবু। কারে রেডি করি যাবু বলতে পারবোনা। সেগুলোর পারিবারিক দায়িত্ব নিয়ের বলি দিছি। তিন জনের নাম বলেছি। আমাকে মারলে, তিনজনকে মেরে ফেলবি। আপনে,আপনার বউ আর একরাম। তিনটা মারি ফেলবি

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বাংলাদেশ আলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা বলেছেন,ঘরের শক্রু বিভীষণ। আজকে ঘরের শক্র আমাকে শেষ করে দিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের সাহেব আজকে আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কি জন্য নিয়েছে, সেটাও খুঁজে পেয়েছি। আমি ওনার এবং ওনার স্ত্রীর অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি। ওবায়দুল কাদের সাহেবের কথাগুলো বলব। এতো ন্যাক্কারজনক, এতো ছোট মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তি, আমার পরিবারে আমার আত্নীয় স্বজন ইতিমধ্যে সবাইকে অর্থ দিয়ে মন্ত্রীত্বের প্রভাব খাটিয়ে আমার বিপক্ষে নিয়েছে।

শনিবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, আপনি যেমন বাহিরের কারে কারো সহযোগিতায় এখানে রাজনীতি করেন। আমরাও পিঁছিয়ে নেই। স্পষ্ট ভাষায় বলে দিচ্ছি। চোখ রাঙাবেননা, মুখ সামলান, যা ইচ্ছা তা করবেন হোতে পারেনা। একরামকে নিজামকে কে নোয়াখালী ফেনীর রাজনীতিতে পুনর্বাসন করেছে। আমার নানা কি শান্তি কমিটির প্রধান ছিল? আমার আব্বা কি রাজাকার ছিল। আপনি ডোন মাইন্ড ফ্যামিলির ছেলে। আপনি মেনে নিতে পারেন। আমি মেনে নিতে পারিনা। আমি যদি বেঁচে থাকি এর প্রতিশোধ আমি নেব। আপনি পারবেননা। একরাম আজকে বলে আমি ওবায়দুল কাদেরকে মাসোহারা দি। নিশ্চয় কোথাও আপনার দুর্বলতা আছে।

কাদের মির্জা বলেন, কি কোরবেন আমাকে জেল দিবেন। দেন, অভ্যাস আছে। আমনেও রেডি অন,সময় মত যাইবেন। আমনে আমারে ঢুকাবেন, আমনে বুঝি বাঁচি যাইবেন। আরে মারি আলাইবেন। আমি রেডি করি যাবু। কারে রেডি করি যাবু বলতে পারবোনা। সেগুলোর পারিবারিক দায়িত্ব নিয়ের বলি দিছি। তিন জনের নাম বলেছি। আমাকে মারলে, তিনজনকে মেরে ফেলবি। আপনে,আপনার বউ আর একরাম। তিনটা মারি ফেলবি। জেলে দেক, আমাদেরকে হত্যা করবে বলে হুমকি দিছে বলে আর বিরুদ্ধে মামলা করুক, কোরবে জানি। আমারে করলে কইছি। আমার বিরুদ্ধে অস্ত্র যখন গত পরশু দিন ধরা পড়ল। ট্রলারসহ আসছে মাল। র‌্যাব যদি সেখানে না যেত তাহলে হয়তো আজকে আমার জীবন বিপন্ন হত।

তিনি আরও বলেন, সাতবার আমাকে মারার পরিকল্পনা করছে। আপনার কাছে কোন বিচার পায় নাই। আমি প্রশাসনকে বলছি তারা টাকা পয়সা খাই সরে গেছে। এটাতো আমি বুঝি আপনি আমাকে মারতে চান। আপনার স্ত্রীকে এখানে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য,এটা স্পষ্ট। আমনে মারি পালাইলে মারি পালান। আমি আপনার স্ত্রীর ভোট করতে পারবনা। আমিও আর কখনো ভোটেও দাঁড়াবো না। আমি কোন ভোটে দল থেকে নমিনেশন চাইলে জিহ্বা কেটে দিবেন। ওবায়দুল কাদের সাহেব ৬-৭ জন ছাড়া এরাকি আমার বিরুদ্ধে যায়। সব আপনি নিছেন। আমার কাছে প্রমাণ আছে। আমি একটা একটা করে প্রমাণ করে দেব। না করতে পারলে হিজরত করুম। আমি আপনার বিরুদ্ধে এমনে বলতেছিনা। ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে কখন বলে। যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। তখন বলে, এর আগে বলার সুযোগ থাকেনা। আপনাকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছেন। আপনার স্ত্রীর কারণে। কোথায় যান দেখবেন। এখানে মওদুদের শোকসভা বন্ধ করেদি,আপনার শোকসভায় কত লোক আসবেনা, এটা দেখবেন। আপনিতো মারা গেলে দেখবেননা। আপনার স্ত্রী ও আপনার লোকজন দেখবে।


আরও খবর



সীমিত পরিসরে চালু হচ্ছে বিআরটিএ'র সেবা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সেবা কার্যক্রম সীমিত পরিসরে আগামীকাল সোমবার থেকে চালু হচ্ছে।

আজ রবিবার বিআরটিএ পরিচালক (প্রকৌশল) শীতাংশু শেখর বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, লকডাউন চলাকালে বিআরটিএ কর্তৃক মোটরযানের কর ও ফি আদায় করতে অনলাইন ব্যাংকিং চালু রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমিত পরিসরে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২৬ জুলাই (সোমবার) থেকে শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় বিআরটিএর বিভিন্ন মেট্রো ও জেলা সার্কেল অফিস থেকে মোটরযান রেজিস্ট্রেশন এবং বিভিন্ন অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ যেমন- রুট পারমিট সনদ নবায়ন, অস্থায়ী মোটরযান চালনার অনুমতিপত্রের মেয়াদ, মালিকানা বদলির আবেদন, মোটরযান রেজিস্ট্রেশন সনদ প্রাপ্তি ইত্যাদি কার্যক্রমের মেয়াদ বর্ধিতকরণ চালু থাকবে।

বিআরটিএ আরও জানিয়েছে, অন্যান্য সেবা কার্যক্রম যেমন- সব পেন্ডিং কাজ নিষ্পত্তি, মোটরযানের ফিটনেস নবায়ন, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে বৈধ আবেদনপত্র গ্রহণ, রুট পারমিট নবায়নের বৈধ আবেদনপত্র গ্রহণ, লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু, ড্রাইভিং কমিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের পরীক্ষা গ্রহণ, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক গ্রহণ, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য মোটরযান মালিকের বায়োমেট্রিক গ্রহণ, মোটরযানে রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি ট্যাগ সংযোজন ইত্যাদি পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের নির্দেশনার আলোকে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।


আরও খবর



করোনা: মৌলভীবাজারে শনাক্ত হার ১০০ শতাংশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ৫৯৫টি নমুনা পরীক্ষায় ২২৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ১৩৬ জন সিলেট জেলার

মৌলভীবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ জনের করোনা নমুনা পরীক্ষায় সবারই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অর্থাৎ জেলাটিতে পরীক্ষা বিবেচনায় করোনাভাইরাসের শনাক্ত হার ১০০ শতাংশ।

রবিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুরশেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে পুরো সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ৩৮.৩২ শতাংশ। এছাড়া বিভাগের ৪ জেলার মধ্যে মৌলভীবাজারেই সবচেয়ে কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এদিকে সিলেট জেলায় শনাক্ত হার ৩৫.৩৭ শতাংশ, সুনামগঞ্জে ৪১.৪৬ শতাংশ ও হবিগঞ্জে ৩৭.৯৩ শতাংশ।

জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ৫৯৫টি নমুনা পরীক্ষায় ২২৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ১৩৬ জন সিলেট জেলার। সুনামগঞ্জ জেলার ১৭ জন, হবিগঞ্জের ২২ জন ও মৌলভীবাজারের ২১ জন। পাশাপাশি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে মোট মৃত্যু বেড়ে ৪৮৩ জন হয়েছে। সর্বমোট সিলেটে ২৬ হাজার ৭১৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৩ হাজার ৯৮০ জন সুস্থ হয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: মৌলভীবাজার

আরও খবর

বিরল প্রজাতির ২টি ‘ধুম কাছিম’ অবমুক্ত

মঙ্গলবার ০৫ জানুয়ারী ২০২১