Logo
শিরোনাম

৩৩ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু নেই

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৮৮৮ জনে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জন অপরিবর্তিত থাকল।

শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ২১ জন ঢাকার বাইরের ১২ জেলার বাসিন্দা। গত কয়েক সপ্তাহ শুধু ঢাকাসহ দুয়েকটি জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্ত রোগী পাওয়ার কথা জানাচ্ছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার ঢাকার চেয়ে ঢাকার বাইরে রোগী বেশি পাওয়া যায়। বুধবার তা আরও বাড়ল।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর খবর আসেনি। ফলে এ নিয়ে টানা ২১ দিন কোভিডে মৃত্যুহীন থাকল বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ১৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ৩৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

তাদের মধ্যে ১২ জন ঢাকা মহানগর ও জেলার বাসিন্দা। ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ জেলায় একজন করে রোগী পাওয়া গেছে, টাঙ্গাইলে পাওয়া গেছে তিনজন।

এছাড়া চট্টগ্রামে দুজন,  কক্সবাজারে দুজন, কুড়িগ্রামে একজন, যশোরে একজন, খুলনায় চারজন, কুষ্টিয়ায় একজন এবং সিলেট জেলায় তিনজন রোগী পাওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে দৈনিক শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ। আগের দিন এই হার শূন্য দশমিক ৫৪ শতাংশ ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৮৮৮ জন। মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতই ২৯ হাজার ১২৭ জন রয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারীর শুরুর দিকে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে একটানা ২১ দিন কখনোই মৃত্যুহীন ছিল না।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২৪৯ জন। তাদের নিয়ে ১৮ লাখ ৯৮ হাজার ৩১২ সুস্থ্য হয়ে উঠলেন। এই হিসাবে দেশে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৫ হাজার ৪৪৯ জন। অর্থাৎ তারা কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর এখনও সুস্থ হননি। মহামারীর মধ্যে সার্বিক শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। আর মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে গত বছরের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ২০২০ সালের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২০২১ সালের ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৬২ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৫১ কোটি ৮৮ লাখের বেশি।


আরও খবর



আফগানিস্তানে মিনিবাসে বোমা হামলা: নিহত ৯

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানে মিনিবাসে বোমা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্ততপক্ষে ৯ জন। দুটি পৃথক বাসে হওয়া এই হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ১৩ জন। খবর এএফপির। আফগান পুলিশের বরাত দিয়ে করা প্রতিবেদনে এএফপি জানায়, বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরীফে এই হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

আফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের প্রাদেশিক পুলিশের মুখপাত্র আসিফ ওয়াজিরি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মাজার-ই-শরীফের পৃথক জেলায় কয়েক মিনিটের ব্যবধানে বিস্ফোরণগুলো ঘটে। মিনিবাসের যাত্রীরা রোজা ছিলেন এবং ইফতারের জন্য সকলে বাড়ি অভিমুখে যাচ্ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শিয়া যাত্রীদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নিহতের পাশাপাশি হামলায় আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন। আফগানিস্তানের শত্রুরা তাদের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ও বিভেদ সৃষ্টি করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে বলেও এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী তালেবান এতোদিন ধরে দাবি করে আসছে তারা জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে পরাজিত করেছে।

তবে গত আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতাভার নিজের ওপর নেয়ার পর থেকে দেশটিতে বোমা হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।


আরও খবর



আমেরিকায় গর্ভপাত অবৈধ হচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গর্ভপাত অবৈধ হতে চলেছে আমেরিকায়। সুপ্রিম কোর্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতি এই মর্মে একটি খসড়া প্রস্তাবে সই করেছেন বলে দাবি আমেরিকার প্রথম সারির একটি সংবাদ সংস্থার। এই প্রস্তাব গৃহীত হলে পাল্টে যাবে গর্ভপাত সংক্রান্ত সে দেশের প্রায় অর্ধশতক পুরনো আইন।

১৯৭৩-এ রো ভার্সেস ওয়েড মামলায় সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন বিচারপতিরা রায় দিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় বা প্রাদেশিক সরকার গর্ভপাত নিষিদ্ধ করতে পারে না। কিছু শর্ত আরোপ করতে পারে মাত্র। এক জন মহিলার নিজের দেহের উপরে একশো শতাংশ নিয়ন্ত্রণ রাখার অধিকার রয়েছে। তাই সরকারি নিষেধাজ্ঞার চোখরাঙানি এড়িয়ে তাঁরা গর্ভপাত করাতেই পারেন। সেই থেকে আমেরিকার প্রতিটি প্রদেশে গর্ভপাতে অনুমতি দেওয়া হয়।

সব থেকে কড়া শর্ত রয়েছে টেক্সাসে। সেখানে গর্ভসঞ্চারের ছসপ্তাহের পরে আর গর্ভপাত করানো যায় না। কিন্তু ক্যালিফর্নিয়ার মতো প্রদেশে পরিস্থিতি বুঝে যখন হোক গর্ভপাত করানোর অনুমতি দেওয়া রয়েছে। আমেরিকান সংবাদ সংস্থাটির দাবি, সুপ্রিম কোর্টের খসড়া প্রস্তাবে ১৯৭৩-এর সেই রায় সম্পূর্ণ খারিজ করে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি মানুষের নয়, গর্ভপাত সম্বন্ধে বলার অধিকার রয়েছে শুধু সরকারের।

প্রবল দক্ষিণপন্থী বিচারপতি স্যামুয়েল অ্যালিটোর লেখা এই খসড়া প্রস্তাব গৃহীত হলে আগামী এক মাসের মধ্যে কম পক্ষে ২৬টি প্রদেশে গর্ভপাত সম্পূর্ণ অবৈধ হয়ে যাবে বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের। শুধু তা-ই নয়, চাইলে সেই প্রদেশ থেকে সীমানা পেরিয়ে অন্য প্রদেশে গিয়ে গর্ভপাত করানোর বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে প্রাদেশিক সরকারগুলি।

দিন কয়েক আগেই সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা কৃষ্ণাঙ্গ বিচারপতি হিসেবে কেটানজি ব্রাউন জ্যাকসনের নাম মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কিন্তু এখনও দেশের শীর্ষ আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিই দক্ষিণপন্থী রিপাবলিকান এবং তাঁরা বরাবরই গর্ভপাতকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে।

ওই দক্ষিণপন্থী বিচারপতিদের মধ্যে অন্তত তিন জন আবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। এই খসড়া প্রস্তাব লিখেছেন যে বিচারপতি স্যামুয়েল অ্যালিটো তাঁকে আবার মনোনীত করেছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ জুনিয়র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও গর্ভপাতের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং গর্ভপাত যে অবিলম্বে অবৈধ ঘোষণা করা উচিত, সেই মর্মে একাধিক বক্তৃতাও দিয়েছেন।

আদালতের এই খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ্যে আসার পরে সরব হয়েছেন ডেমোক্র্যাটেরা। আজ প্রেসিডেন্ট বাইডেনের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। সেখানে বলা হয়েছে, আদালত যদি সত্যিই (গর্ভপাত বিষয়ে) রো-র সিদ্ধান্ত নাকচ করে দেয়, তা হলে মহিলাদের অধিকার রক্ষা করার দায়িত্ব এসে পড়বে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উপরে। হাউস ও সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধি যদি গর্ভপাতের পক্ষে রায় দেন, তা হলে আমার প্রশাসন নতুন আইন আনার জন্য লড়ে যাবে।

হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার, প্রবীণ ডেমোক্র্যাট নেত্রী ন্যান্সি পেলোসি এবং সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার একটি যৌথ বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, এই রিপোর্ট সত্য হলে, এটি সুপ্রিম কোর্টের অন্যতম জঘন্য সিদ্ধান্ত হবে। শুধু মহিলাদের নয়, এই সিদ্ধান্ত প্রতিটি দেশবাসীর অধিকার খর্ব করবে। রিপাবলিকানদের নিয়োগ করা বিচারপতিদের এই পদক্ষেপের কঠোর বিরোধিতা করছি। গোটা রিপাবলিকান দলের সমালোচনা করে এই বিবৃতিতে উল্লেখ, লিঙ্কন ও আইজেনহাওয়ারের দল এখন ট্রাম্পের দলে পর্যবসিত হয়েছে। যে সব রিপাবলিকান সেনেটর ট্রাম্প-পন্থী বিচারপতিদের মনোনয়নে সায় দিয়েছিলেন, আমেরিকার মানুষের কাছে তাঁরা জবাব দিন।

নিউজ ট্যাগ: গর্ভপাত

আরও খবর



কিয়েভে রকেট হামলা: ব্যর্থতা স্বীকার করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ইউক্রেন সফরের মধ্যে রাজধানী কিয়েভে দুটি মিসাইল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরটির মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার জন্য কিয়েভে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার এ হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছেন মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো।

ভিতালি ক্লিৎসকো বলেছেন, একটি ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের একটি আবাসিক ভবনের নিচতলায় আঘাত হেনেছে। এতে তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে স্টেট ইমার্জেন্সি সার্ভিসের প্রেস সেক্রেটারি সভেৎতলানা ভোদোলাগা বলেছেন, দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি আবাসিক ভবনের কাছের একটি স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এতে কত জন হতাহত হয়েছেন তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

মঙ্গলবার তিন দিনের জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেন সফরে বের হন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সফরের প্রথম দিনে তিনি রাশিয়া গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার ছিল তার সফরের শেষ দিন।


আরও খবর



রাজস্ব আদায়: আরও প্রকট হবে ঘাটতির চাপ

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা মহামারির কারণে সরকারের রাজস্ব আদায় কমেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে অনেক গুণ। অথচ সে হারে আয় বাড়েনি। বরং গত দুই বছরে বেশির ভাগ মানুষের আয় কমেছে। এ অবস্থায় আগের তুলনায় ভোগ-বিলাসের মাত্রা কমিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষ। এতে সরকারের বাজেট বাস্তবায়নও বাধার মুখে পড়েছে।

শুধু তাই নয়, চলতি (২০২১-২২) অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) সার্বিক বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৯০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ৫০ পয়সা) প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত বেশি বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়েনি বাংলাদেশ। ফলে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যেও (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) বড় ধাক্কা লেগেছে।

অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো বলছে, আসন্ন ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ আড়াই লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিশাল আকারের এই ব্যয় মেটাতে রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে এনবিআরকে। সরকারকে ঘাটতির জোগান দিতে হবে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে, একই সঙ্গে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নিতে হবে। করোনাভাইরাসের অভিঘাত এবং ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে দেশে রাজস্ব আদায় কম হওয়ার কারণেই সরকারকে এ পথে যেতে হচ্ছে বলে জানান বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা। এখন পর্যন্ত খসড়া হিসাবে আসছে বাজেটের আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। সে হিসাবে আগামী বছর ঘাটতি বাড়ছে ২৮ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।

এ প্রসঙ্গে দেশবরেণ্য অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এক অনুষ্ঠানে বলেন, গত কয়েক মাসের ব্যবধানে বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়েছে সরকার। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর। খাদ্যপণ্যের আমদানি বেড়ে যাওয়া এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়া এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের খসড়া আকার ঠিক করা হয়েছে। যা মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ৭৫ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা রয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরের বাজেটের ঘাটতিই ধরা হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে প্রাক্কলিত বাজেট ঘাটতি ধরা হতে পারে ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। সে হিসাবে ঘাটতি বাড়ছে ২৮ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।

এদিকে এনবিআরের একটি সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রথম আট মাস জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৪৯১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। যদিও গত অর্থবছরে একই সময়ে রাজস্ব আদায়ের হিসাবে বেশ এগিয়ে এনবিআর। গত বছর একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ১০৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। আর চলতি বছর আয় হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। অর্থবছরের বাকি চার মাস মার্চ থেকে জুন- এই সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৪২ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করতে হবে। এ হিসাবে প্রতিদিন আদায় করতে হবে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা, যা অর্জন করা দুরূহ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। রাজস্ব আদায়ের এই লক্ষ্য অর্জিত না হলে স্বাভাবিকভাবেই রাজস্ব ঘাটতি বাড়বে। ফলে আসছে বছরে বাজেট ঘাটতি আরও প্রকট আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



টিকটক পাবজি নিষিদ্ধ করল তালেবান

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুব সমাজকে পথভ্রষ্ট করছে এমন অভিযোগ এনে ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক ও পাবজি গেম নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। প্রথমবারের মতো কোনও অ্যাপ বন্ধ করার ঘোষণা দিলো তালেবান।  এই আদেশ কবে থেকে কার্যকর হবে সে বিষয়টি এখনও খোলাসা করেনি তালেবান।

বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) এই মর্মে একটি সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এই মোবাইল অ্যাপ এবং গেমের জন্য যুবসমাজ পথভ্রষ্ট হচ্ছে। তাই এদিন থেকে গোটা দেশে এগুলি নিষিদ্ধ করা হল। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। অনৈতিক বিষয় প্রচার করে এমন টিভি চ্যানেল নিষিদ্ধ করা হবে বলেও জানিয়েছে তালেবান। সাম্প্রতিক গান, সিনেমা ও টেলিভিশন সিরিয়াল নিষিদ্ধ করেছে তালেবান প্রশাসন। তালেবান মুখপাত্র ইনামুল্লাহ সামানগানি বলেছেন, তরুণ প্রজন্মের বিপথে যাওয়া ঠেকাতে সবশেষ নিষেধাজ্ঞাগুলো জরুরি ছিল।

প্রসঙ্গত, ইদানীংকালে আফগান তরুণদের মধ্যে টিকটক এবং পাবজির জনপ্রিয়তা তুমুল বেড়েছিল। কারণ, আফগানিস্তানে তালিবানের শাসন পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই গান, বাজনা, সিনেমা, সিরিয়াল সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত ধরনের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের উপরেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। বাদ ছিল টিকটক আর পাবজি। এবার তাতেও তালা পড়ল। স্বাভাবিকভাবেই তালিবানের এই নির্দেশে ক্ষুব্ধ আমআফগানরা। কিন্তু, সেকথা মুখ ফুটে বলার সাহস তাঁদের নেই।


আরও খবর