Logo
শিরোনাম

৬ মাসে অ্যালকোহল বিক্রি থেকে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অ্যালকোহল বিক্রি করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কেরু অ্যান্ড কোম্পানি জুলাই ২০২২ থেকে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত ৬ মাসে আয় করেছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১% বেশি।

এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৬ মাসে কোম্পানিটির মদ বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড এটি। কোম্পানিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদেশি মদ আমদানিতে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও বিক্রি উভয়ই বেড়েছে।

শুল্ক ফাঁকি রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২১ সালে মদ আমদানির ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে। ফলে আইনি মাধ্যমে মদ আমদানি কমেছে। আর এটিই দেশীয় কোম্পানিটির মুনাফা অর্জনে সহায়তা করেছে।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানির সিনিয়র কর্মকর্তা সৈয়দ মাসুদুল হক বলেছেন, অনুমোদিত বারগুলোতে বিদেশী মদের ঘাটতি রয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় দেশীয় কোম্পানি থেকে মদ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এই কারণে, মদ বিক্রি এবং আয় উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।

কোম্পানির তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অ্যালকোহল বিক্রি থেকে আয় হয়েছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় হয়েছিল ১৯২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে। আয় বেড়েছে ২১%।

এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে পুরো সময়ে সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড ছিল কোম্পানিটির। সেই সময় কোম্পানিটি আয় করে ৪২৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ওই বছর রাজস্ব আদায় ও কোম্পানি পরিচালনাসহ সব খরচ বাদে কোম্পানি প্রকৃত মুনাফা করে ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তার আগের ২০২০-২১ পুরো অর্থবছরে অ্যালকোহল বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৩১৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে এই আয় আরও বাড়বে। কারণ প্রতিষ্ঠানটি একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়িয়েছে একই সঙ্গে দেশজুড়ে বিক্রয় ও বিক্রয় কেন্দ্র বাড়িয়েছে। দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার ৮৪ বছরের পুরোনো একমাত্র অ্যালকোহল উৎপাদনকারী কেরু মোট ৯টি ব্যান্ডের অ্যালকোহল উৎপাদন করে।

কোম্পানিটির হিসাব অনুযায়ী, প্রতিমাসে প্রায় ২১ হাজার কেসেরও বেশি অ্যালকোহল বিক্রি করছে কেরু। প্রতিষ্ঠানটি ১৭৫ মিলিলিটার, ৩৭৫ মিলিলিটার ও ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলে অ্যালকোহল বাজারজাত করে। একটি কেসে ৭৫০ মিলিলিটারের ১২টি, ৩৭৫ মিলিলিটারের ২৪টি এবং ১৭৫ মিলিলিটারের ৪৮টি বোতল থাকে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেরুর উৎপাদিত অ্যালকোহল বিক্রির পরিমাণও বেড়েছে। গত বছর কোম্পানি প্রতি মাসে গড়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার কেস বিক্রি করেছিল। বিগত ৬ মাসে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।

সারা দেশে কেরুর ১৩টি ওয়্যারহাউস ও ৩টি বিক্রয়কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে কক্সবাজারে একটি নতুন বিক্রয় কেন্দ্র চালু হয়েছে। এছাড়া রূপপুর ও কুয়াকাটায় ১টি করে বিক্রয় কেন্দ্র এবং রাজশাহী ও রামুতে ১টি করে ওয়্যারহাউস নির্মাণের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে ওেকাম্পানিটির।

কেরুর কর্মকর্তারা বলছেন, চুয়াডাঙার দর্শনায় অবস্থিত কারখানা আরও বেশি উৎপাদনে সক্ষম। বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫০% ব্যবহৃত হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তারা। এ নিয়ে ১০২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের কাজ চলমান। অ্যালকোহলের পাশাপাশি ভিনেগার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সার, চিনি ও গুড়ের মতো অন্যান্য পণ্যও উৎপাদন করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (ফাইন্যান্স) সাইফুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, গত দুই বছরে মদের উৎপাদন ও চাহিদা বেড়েছে। আগে কেরু অফ সিজনে নিজস্ব ও পার্শ্ববর্তী চিনিকল থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করত। কিন্তু বর্তমানে, কোম্পানিটি মদের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অধীনে সমস্ত চিনিকল থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করছে।

তিনি আরও বলেন, এইভাবে চাহিদা বাড়লে মদের জন্য আরও কাঁচামালের প্রয়োজন হবে। এ জন্য কৃষকদের উচ্চ উৎপাদনশীল আখ চাষে উৎসাহিত করা দরকার। সেটি করা হচ্ছে।


আরও খবর



নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী নিহত, স্ত্রী হাসপাতালে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক রহমান (২৫) নামে উত্তরা ইপিজেডের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন তার স্ত্রী মাহফুজা বেগম।

তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে নীলফামারী সৈয়দপুর সড়কের শিমুলতলী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতরা সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের নতুন হাট এলাকার বাসিন্দা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ। তিনি জানান, নিহত তারেক উত্তরা ইপিজেজের সনিক বাংলাদেশে কাজ করতেন। তার স্ত্রীকে রংপুরে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্র জানায়, মোটরসাইকেলযোগে স্ত্রীকে নিয়ে বোতলাগাড়ি থেকে উত্তরা ইপিজেডে যাচ্ছিলেন তারেক রহমান। ঘটনাস্থলে বিপরীত দিক থেকে বালুবোঝাই একটি ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারেক।

গুরুতর আহত মাহফুজাকে উদ্ধার করে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল এবং পরে সেখান থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মেট্রোরেল: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রথম ও বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেল উদ্বোধন করেছেন। এই প্রকল্পের অন্যতম অংশীদার জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, মেট্রোরেলের এই মুহূর্তটি জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য মাহেন্দ্রক্ষণ। দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে এটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

বক্তব্যের শুরুতেই উপস্থিত জনতাকে সালাম দিয়ে রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, শুভ অপরাহ্ণ।এ সময় সমাবেশে উপস্থিত অতিথিরা করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

মেট্রোরেলের ফলক উন্মোচন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশের সকল মানুষকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইওয়ামা কিমিনোরি। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রকল্প।

প্রসঙ্গত, মেট্রোরেলের এই নির্মাণের সঙ্গে শুরু থেকে জড়িত ছিল জাপান। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে ১৩ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। এ ছাড়া ঋণ নেওয়া হয়েছে ১৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা, যা আসছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে।


আরও খবর



কামরাঙ্গীরচরে কলহের জেরে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে কলহের জেরে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন করেছেন এক গৃহবধূ। গতকাল সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

আহত মো. সাইফুল্লাহর (৩৫) বন্ধু জাবেদ জানান, সাইফুল্লাহ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার বাবা আব্দুল আউয়ালও একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। স্ত্রীর ফাতেমা আক্তারের (২৬) সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার পারিবারিক কলহ চলে আসছে। তারই জের ধরে আজ তাকে চেতনানাশক কিছু খাইয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে দেন ফাতেমা।

তিনি জানান, ঘটনার পর ফাতেমা তার শ্বশুর আবদুল্লাহ আওয়ালকে ফোন করে বলেন, আপনার ছেলেকে বাসায় অচেতন অবস্থায় তালাবদ্ধ করে রেখে এসেছি। তাকে গিয়ে উদ্ধার করে মেডিকেলে নিয়ে যান।

এর কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে বলেন, আমি তার গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছি এবং তাকে ঘরে তালাদ্ধ করে রেখে এসেছি। আমার তিন ছেলে-মেয়েকে নিয়ে এসেছি। আপনি এসে আপনার সন্তানকে বাঁচান।

জাবেদ আরও জানান, পরে তিনি ও সাইফুল্লাহর বাবা দ্রুত কামরাঙ্গীরচর ছাতা মসজিদ রোড এলাকার শাজাহান ভিলার চতুর্থ তলায় সাইফল্লাহর বাসা যান। এরপর থানায় খবর দিলে পুলিশের সহযোগিতায় ঘরের তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ঢামেকে আনা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর থেকে সাইফল্লাহর স্ত্রী পলাতক।


আরও খবর

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




কোন পথে মোড় নিচ্ছে ব্রিটেন ও ইইউ সম্পর্ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইউরোপের ২৮টি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ২০১৬ সালের ২৩ জুন ব্রিটেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়া বা সিদ্ধান্ত হলো ব্রিটিশ এক্সিট বা ব্রেক্সিট। গত ১০ বছরে নানা গোলযোগের মধ্য দিয়ে গেছে ইইউ ও ব্রিটেনের সম্পর্ক। কীভাবে আগামী ১০ বছরে ইইউর সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক ভালো হতে পারে সে নিয়ে একটি সম্যক ধারণা তুলে ধরা হয়েছে দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণে।

দশ বছর আগে, জানুয়ারি মাসে ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গের লন্ডন সদর দপ্তরে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। এতে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তার সুচতুর পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। ডেভিড ক্যামেরন নেতৃত্বে আসার পর থেকেই মূলত মৌলিক সংস্কার কাজ শুরু করেন। তার দলকে ইউরোপবিষয়ক একঘেয়ে দ্বন্দ্ব থেকে বের করে আনার চেষ্টা করেন ব্রিটেনের সদস্যপদ নিয়ে অন্তর্বর্তী গণভোটের মাধ্যমে। কিন্তু ২০১৬ সালে এই ব্লক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ভোট ব্রিটেনের অর্থনৈতিক অস্বস্তি বাড়িয়ে তোলে, বাণিজ্যের গতি বানচাল এবং বিনিয়োগ শিথিল করে। এটি প্রকৃত মিত্রদের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ককে আরও খারাপ করে এবং তার নিজস্ব ইউনিয়নের বন্ধনকেও দুর্বল করে। সর্বোপরি, এটি খারাপ হয় যখন ব্রিটিশ রাজনীতিকে জাদুকরি চিন্তার ধ্বংসাত্মক রুপে ধারণ করে। ক্যামেরন নিজেই এর ভুক্তভোগী ছিলেন। ব্রিটেনের সঙ্গে মানানসই করার জন্য মৌলিক নীতিগুলো পরিবর্তন করতে ইইউ-এর ইচ্ছাকে খারাপভাবে অতিমূল্যায়ন করার কারণে এমনটি ঘটেছে।

ব্রেক্সিটের পক্ষে যারা শুরু থেকেই তাদের নিজস্ব ধোঁয়াশার ওপর ঝুঁকে ছিল ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য। ফলে যে লাভ হতে পারে তা বা আইরিশ সীমান্তের ইস্যুটি সরিয়ে নেওয়া হোক, যে কোন উপায়ে সেটিই তারা চাচ্ছিলেন। অবশিষ্টরাও, যদি মনে করেন বিভক্তিটি কেবল পূর্বাবস্থায় ফেরানো যেতে পারে তবে তারাও বেকায়দায় পড়বেন।

দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইউরোপের সঙ্গে ব্রিটেনের আরও ভালো সম্পর্কের বিকল্প পথ রয়েছে। এখন অনেক ব্রিটিশ নাগরিক ব্লক ছাড়ার সিদ্ধান্তকে ভুল বলে মনে করছে। ইইউ তার জটিল প্রতিবেশীর সঙ্গেও আরও ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু সেই পথ অবলম্বন করতে গেলে যাদু বাস্তবতার অবসান ঘটাতে হবে। এই পথ হতে হবে ধীরগতির ও ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এটি আবেগপ্রবণ হলেও বিপ্লবী নয়। গণভোট আয়োজন এবং ব্রাসেলসে আল্টিমেটাম উপস্থাপন করার পরিবর্তে আস্থা ও ঐকমত্য লালন করতে হবে। বলা যায়, যে কেউ পাহাড় থেকে লাফ দিতে পারে। কিন্তু পাহাড়ে চড়া কঠিন কাজ। ব্রেক্সিটপন্থিদের জন্য অর্থ দাঁড়াবে, ব্রেক্সিট যে ক্ষতি করেছে তা অকপটে স্বীকার করে নেওয়া। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের অনুমান বলছে, ব্রেক্সিট ২০২১ থেকে গত পাঁচ বছরে প্রায় ২৫ শতাংশ বিনিয়োগে হতাশা সৃষ্টি করেছে। একটি থিংক-ট্যাংক মনে করে ব্রিটেন ইউরোপে থাকলে অর্থনীতি এখন ৫ শতাংশের বেশি বড় হতো।

তবুও ব্রেক্সিটের মধ্যে বিশ্বস্ত সত্য-কথন এখনও পরষ্পর বিরোধী। গত ডিসেম্বরে কনজারভেটিভ সরকার ব্রেক্সিট লভ্যাংশ হিসাবে আর্থিক-পরিষেবা শিল্পে নমনীয় সংস্কারের পথ দেখিয়েছিল। যদিও তখন অনেক পরিবর্তন ইইউ-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। সরকার এখনও ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ সমস্ত ইইউ আইন প্রতিস্থাপন বা বাতিল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও এটি লক্ষ্যহীন। অবশিষ্টদের জন্য, বাস্তববাদের অর্থ হলো ব্লকে পুনরায় যোগদানের ধারণাগুলোকে দূরে রাখা। যদি দ্য ইকোনমিস্টের কাছে একটি জাদুর কাঠি থাকে, তাহলে এটি আনন্দের সঙ্গে ঘড়ির কাঁটা ২০১৬-তে ফিরিয়ে দেবে, যখন ব্রিটেন একটি প্রভাবশালী ইউরোপীয় সদস্য হিসাবে একটি বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত মর্যাদা উপভোগ করেছিল। একই সঙ্গে অনেকগুলো ভালো কাজের সাক্ষী ছিল। কিন্তু সদস্যপদ পাওয়ার পক্ষে একটি কঠিন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐকমত্য না হওয়া পর্যন্ত ইইউ সরকারগুলো পুনরায় যোগদানে ভেটো দেবে। বিভিন্ন জরিপ থেকে দেখা যায় যে,, ব্রিটিশরা ইউরোপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায়। কিন্তু রাজনৈতিক একত্রীকরণের প্রকল্প হিসেবে ইউরোপের উৎসাহ অনেক কম। এখন সদস্য প্রশ্নে ফিরে যাওয়া ব্রেক্সিট বছরের বিষাক্ত মেরুকরণকে পুনরুজ্জীবিত করবে।

ইউরোপের সঙ্গে একটি ভালো সম্পর্কের জন্য বাস্তবসম্মত পথ তিনটি পর্যায়ে গঠিত হবে। এসব উপাদান হচ্ছে, স্বাভাবিককরণ, নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ। প্রথমত, ব্রিটেনকে ব্রাসেলসের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এরইমধ্যে ভালোর করার জন্য কৃতিত্বের দাবিদার। উত্তর সাগর থেকে অভিবাসন পর্যন্ত সব ইস্যুতে সহযোগিতার সুবাতাস বইছে। কিন্তু উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রোটোকলে যদি তিনি একটি কার্যকরী চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারেন তবে এটি সামান্যই গণ্য হবে। এটি করলে বৈজ্ঞানিক-গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার জন্য আরও ভালো কিছু ঘটবে। পরবর্তী ধাপ হলো নির্মাণ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের আলোচিত সহজ বাণিজ্য ও সহযোগিতাবিষয়ক চুক্তি (টিসিএ) ২০২৬ সালে পুনরায় পর্যালোচনা হবে। চুক্তি কার্যকর করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। লেবার পার্টি, তখন ক্ষমতায় থাকতে পারে। লেবার পার্টিকে অবশ্যই জাদুকরি চিন্তাধারার প্রতি তার নিজস্ব প্রবণতা দেখতে হবে। ধরে নিতে হবে যে টোরিস না হওয়াই ইউরোপীয় দল জয়ের জন্য যথেষ্ট হবে। কিন্তু কঠোর কূটনৈতিক দুর্নীতি সত্ত্বেও, টিসিএ প্রসারিত করা সম্ভব।

এই সংশোধনগুলো ইইউ ত্যাগ করার ফলে যে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে তা সামান্য পূরণ করবে। এই দশকের দ্বিতীয়ার্ধের দিকে, ব্রিটেন-ইউ সম্পর্ককে নতুন করে ভালো করার জন্য কাজ শুরু করতে হবে। ইইউর বাইরে নরওয়ের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হচ্ছে ব্রিটেন। নরওয়ের চুক্তি বিকল্প হিসেবে ব্লক থেকে বেরিয়ে আসায় ব্রিটেনের জন্য একটি বুদ্ধিমান কাজ। কিন্তু এই চুক্তি নরওয়ের জন্য উপযুক্ত। কারণ একটি ছোট, স্থিতিশীল জায়গা যার প্রধান রপ্তানি হলো তেল, গ্যাস এবং মাছ। ব্রিটেনের মতো বৃহৎ পরিষেবাভিত্তিক অর্থনীতির জন্য অনেক কম অবদান রাখতে পারবে এটি। এদিকে, ব্রেক্সিট ভোটের পরে থেরেসা মে যে ভূখণ্ড তৈরি করেন তা আরও প্রতিশ্রুতিশীল। সেটি হচ্ছে, সেবাখাতে স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখে ইউরোপীয় আইন গ্রহণের বিনিময়ে পণ্য ও কৃষির মতো ক্ষেত্রে বাজারের প্রবেশাধিকার আরও গভীর করা। কাস্টমস ইউনিয়নে পুনরায় যোগদান শেষ পর্যন্ত সম্ভব হতেও পারে। এটি জাদুকরি চিন্তাভাবনার আরেকটি রূপ হিসাবে অনেককে আঘাত করতে পারে। এটা অবশ্যই উভয় পক্ষের জন্য কঠিন হবে। ব্রিটিশদের জন্য, এর অর্থ হবে কৌশলগত স্বার্থে ইউরোপীয় আইনের প্রতি গোঁড়ামি ত্যাগ করা। টোরিদের জন্য, এটি বিশ্বাসঘাতকতার মতো শোনাবে। তবে যদি তাদের প্রকল্পের জন্য জনসমর্থন দরকার না হয়, তবুও অর্থনীতির বৃদ্ধি প্রয়োজন। সেকারণে ব্রিটেনের বৃহত্তম রপ্তানি বাজারে আরও গভীর প্রবেশাধিকার প্রয়োজন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য এটির অর্থ হলো একক বাজারের ব্রিটেন চেরি-পিকিংয়ের ধারণার প্রতি তার বিদ্বেষকে নরম করা। কিন্তু ব্রিটেনের একটি গতিশীল সিঙ্গাপুর-অন-টেমস হয়ে ওঠার দৃশ্যকল্প এখনও দূরভিসন্ধী। রাসায়নিক, কৃষি বা রাষ্ট্রীয় কোনো সাহায্যের জন্য ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শাসনে আবদ্ধ করা একটি নিয়ন্ত্রক পরাশক্তির ব্লকের জন্য আশীর্বাদ হবে। কেননা, ব্রিটেনের সঙ্গে আরও গঠনমূলক ও সম্মানজনক সম্পর্কের সুবিধাগুলো কেবল অর্থনৈতিক নয়, যেমন ইউক্রেন যুদ্ধ। ব্রিটেনের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সম্পর্ক ইউরোপের স্থাপত্যের বিস্তৃত পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আগামী দশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে চিন্তা করতে হবে কীভাবে ইউক্রেন ও পশ্চিম বলকান রাষ্ট্রের আকাঙ্খা পরিচালনা করা যায়। বহু মাত্রিক ও বহু-গতিসম্পন্ন ইউরোপ সম্পর্কে পুরোনো বিতর্কগুলোকে ফেলে নতুন করে প্রেরণা যোগাতে হবে। ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তুলতে সময়, কঠোর পরিশ্রম ও বাস্তবসম্মত ধারণা লাগবে। যদিও কল্পনা করার জায়গা এখনও জিইয়ে আছে।


আরও খবর



আজ সরস্বতী পূজা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি)। ধর্মীয় বিধান অনুসারে, শ্বেত হংসের পিঠে চড়ে পৃথিবীতে নেমে আসবেন বিদ্যা ও ললিতকলার দেবী। কৃপা লাভের আশায় দেবীকে আহ্বান করবেন ভক্তরা। রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে পূজার, ঢাকা-ঢোল-কাঁসর, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ।

শাস্ত্র অনুসারে, মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা হয়। এ তিথি বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। শ্বেত-শুভ্র বসনা স্বরসতী দেবীর এক হাতে বেদ, অন্য হাতে বীণা। এজন্য তাকে বীণাপানিও বলা হয়। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জ্ঞান ও বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী তার আশীর্বাদের মাধ্যমে মানুষের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করতে প্রতি বছর আবির্ভূত হন ভক্তদের মাঝে। সরস্বতী খুশি হলে বিদ্যা ও বুদ্ধি অর্জিত হবে। ঐশ্বর্যদায়িনী, বুদ্ধিদায়িনী, জ্ঞানদায়িনী, সিদ্ধিদায়িনী, মোক্ষদায়িনী এবং শক্তির আঁধার হিসেবে সরস্বতী দেবীর আরাধনা করা হয়। তিনি বাগদেবী, বাগদেবী অর্থে তিনি নব হৃদ পবিত্র করেন। তিনি সুন্দর ও মর্ত্যবাক্যের প্রেরণকাত্রী। তিনি মহাসমুদ্রের মতো পরমাত্মার প্রকাশ করেন। তিনি সমুদয় মানব-মানবীর হৃদয়ে জ্যোতি সঞ্চারিত করেন।পরমাত্মার মুখ থেকে তার আবির্ভাব।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ তার বাণীতে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দুদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি সম্প্রীতির সুমহান ঐতিহ্য সুদৃঢ় করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে আহ্বান জানান অবদান রাখার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে হিন্দুদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে জ্ঞানার্জনে ব্রতী হয়ে দেশের অগ্রযাত্রায় সবাইকে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বাণী অর্চনাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের মন্দির ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূজা ছাড়াও অন্যান্য অনুষ্ঠানের মধ্যে আছে-পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা আরতি, আলোকসজ্জা ইত্যাদি।

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনের কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এখানে পূজার কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ভোর ৬টায় প্রতিমা স্থাপন, ৯টায় পূজা, ১১টায় পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, দুপুর ১২টায় প্রসাদ বিতরণ, সন্ধ্যা ৬টায় আরতি এবং রাতে আলোকসজ্জা। গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ পূজামণ্ডপেও অনুরূপ অনুষ্ঠান থাকছে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, বেগম রোকেয়া হল, শামসুন্নাহার হল, কুয়েত মৈত্রী হল এবং ফজিলাতুননেছা মুজিব হলসহ বিভিন্ন হলে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। জগন্নাথ হলে কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপ ছাড়াও মাঠে এবার ৬২টি বিভাগ মিলিয়ে ৭০টি পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের উদ্যোগে সংসদ ভবনসংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেও সরস্বতী পূজা হবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করবেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে দ্বিতীয়বারের মতো এদিন সরস্বতী পূজার আয়োজন হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম, ইসকন মন্দির, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, রামসীতা মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপে সরস্বতী পূজা এবং পুষ্পাঞ্জলি প্রদান ছাড়াও প্রসাদ বিতরণ করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: সরস্বতী পূজা

আরও খবর

শবে মেরাজ ১৯ ফেব্রুয়ারি

সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩

শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩