Logo
শিরোনাম

৬৩ বছর পরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ভয়েস অব আমেরিকার

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দীর্ঘ ৬৩ বছরের পথচলা শেষে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ভয়েস অব আমেরিকার (ভিওএ) বাংলা বিভাগের বেতার সম্প্রচার কার্যক্রম।

১৭ জুলাইয়ের পর আর বেতারে ভিওএর বাংলা সম্প্রচার শোনা যাবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় এই আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যম।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর টেলিভিশন বাজারে এলেও তখন বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যম বলতে সবাই বেতারকেই চিনত, বেতারই শুনত।

তখনকার প্রেক্ষাপটে ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনের অধীনে থাকা পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাভাষী জনগণের জন্যই মূলত বাংলায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচার শুরু করে ভয়েস অব আমেরিকা। খবর ভয়েস অব আমেরিকার।

বাংলাদেশ ভূখণ্ড ছাড়াও প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের বাংলাভাষীরাও এত বছর ধরে শুনে আসছিলেন ভিওএর সংবাদসহ নানা অনুষ্ঠান।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভয়েস অব আমেরিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেতারে শ্রোতাগোষ্ঠীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় এবং টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শক-অনুসারীর সংখ্যা বাড়ায় তারা বাংলা এফএম ও শর্টওয়েভে বেতার সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই সঙ্গে তারা টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলা দর্শক-শ্রোতাগোষ্ঠীর জন্য নতুন অনুষ্ঠান প্রচার বাড়াবে।


আরও খবর



আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। ৮ সেপ্টেম্বর প্রতি বছরের মতো এবারও অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও দিনটি যথাযথভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য সাক্ষরতা শিখন ক্ষেত্রের প্রসার

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মহাখালীর উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই) অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান।

এছাড়া দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে এদিন ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে আলোচনা এবং মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাণীতে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী দেশের সম্পদ। বাংলাদেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করতে প্রয়োজন শিক্ষিত ও দক্ষ জনগোষ্ঠী। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা দর্শনের আলোকে আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এর সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের সরকারের বিগত সাড়ে ১৩ বছরে গৃহীত বিভিন্ন সময়োপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে শিক্ষা খাতে প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। শিক্ষার হার ২০০৭ সালের ৪৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সরকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ২০১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০২২ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত মোট ৪০০ কোটি ৫৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ৯১১ কপি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করেছে। বিনামূল্যে বই বিতরণের পাশপাশি বিভিন্ন ধরনের মেধাবৃত্তি, উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। উচ্চশিক্ষার সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বহুলাংশে বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউনেসকোর উদ্যোগে ১৯৬৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে দিবসটি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




স্ত্রীর করা মামলায় জামিন পেলেন ক্রিকেটার আল আমিন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্ত্রী-সন্তানদের মাসিক ভরণপোষণ ও সন্তানদের পড়ালেখার খরচের দাবি করে স্ত্রী ইসরাত জাহানের দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার আল-আমিন হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আত্মসমর্পণ করে জামিনের জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর আল-আমিনকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক ইসরাত জাহান ও আল-আমিন বিবাহ করেন। তাদের দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে ইংরেজি ভার্সনে কেজিতে পড়ালেখা করছে। বেশ কিছুদিন যাবৎ আল-আমিন স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণ প্রদান করেন না এবং খোঁজও না নিয়ে এড়িয়ে চলছেন, যোগাযোগও করেন না।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে আল আমিন বাসায় এসে স্ত্রীর কাছে যৌতুকের জন্য ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। ইসরাত জাহান টাকা দিতে অস্বীকার করলে আল-আমিন তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষিসহ লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। তার সঙ্গে আর সংসার করবে না বলে জানায়। ইসরাত জাহান ৯৯৯-এ টেলিফোন করে সাহায্য চাইলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ইসরাত জাহান। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলাও হয়।

এরপর গত ৩ সেপ্টেম্বর আল-আমিন তার মায়ের মাধ্যমে জানান, ইসরাতের সঙ্গে সংসার করবে না এবং সন্তানদের ভরণপোষণ দেবেন না। প্রয়োজনে বাসা থেকে বের করে দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেবেন।

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে আসক্তির কারণেই আল-আমিন এমন কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তার স্ত্রী। তিনি অভিযোগে বলেন, আল-আমিন এক নারীর সঙ্গে ওঠানো ছবি তার কাছে পাঠিয়েছে। তিনি স্ত্রী-সন্তানদের বাসা থেকে বের করে অন্যত্র বিয়ে করবেন বলেও জানিয়েছেন। দুই বছর যাবৎ আসামি বাদীর খোঁজখবর নেয় না এবং বাসায় নিয়মিত থাকে না। যার কারণে ইসরাত তার দুই সন্তানসহ বসতবাড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার অধিকারসহ মাসিক ভরনপোষণ দাবি করে মামলাটি দায়ের করলেন।

ইসরাত জীবন ধারণের জন্য প্রতি মাসে ৪০ হাজার, দুই সন্তানের ভরণপোষণ ও ইংলিশ মিডিয়ামে লেখাপড়া বাবদ ৬০ হাজার টাকা আল-আমিনের কাছে পাওয়ার হকদার বলে মামলায় উল্লেখ করেন।


আরও খবর



বেলুন বিস্ফোরণে কমেডিয়ান আবু হেনা রনিসহ দগ্ধ ৫

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানস্থলের পাশে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে মিরাক্কেলখ্যাত কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনিসহ পাঁচ জন দদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে গাজীপুর জেলা পুলিশ লাইনস মাঠে এ ঘটনা ঘটে। আহত অন্যরা হলেন- ইমরান হোসেন, মোশাররফ হোসেন, জিল্লুর রহমান ও রুবেল হোসেন।

প্রতিষ্ঠার চার বছর পূর্তি উপলক্ষে নাগরিক সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। পরে এসে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, পুলিশের আইজিপি বেনজীর আহমেদ প্রমুখ।

প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, পুলিশ লাইনসে প্রধান অতিথি আসার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় উদ্বোধনী মঞ্চে। ওড়ানোর জন্য সেখানে তার হাতে কিছু বেলুন দেওয়া হয়। বার বার চেষ্টা করেও সেই বেলুন ওড়াতে ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা সেই বেলুনগুলো মঞ্চের পাশে নিয়ে যায়। প্রধান অতিথি মূল মঞ্চে চলে যাওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা বেলুন বিক্রেতাকে ডেকে এনে সেগুলো না ওড়ার কারণ জানতে চান। তখন বিক্রেতা বেলুনে আগুন ধরিয়ে ওড়ানোর চেষ্টার করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাশে বসে থাকা মিরাক্কেলখ্যাত কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনিসহ পাঁচ জন দগ্ধ হয়। 

পুলিশ সদস্যরা তাদের শরীরে পানি ঢেলে আগুন নেভায়। পরে পুলিশের গাড়িতে দ্রুত আহতদের গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর রনি, মোশাররফ হোসেন ও জিল্লুর রহমানকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনিরা আক্তার জানান, অভিনেতা রনির শরীরের ৪০ ভাগ, মোশাররফের ৩০ ও অন্যদের ২০ ভাগ করে দগ্ধ হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডিবি-মিডিয়া) আবু সায়েম নয়ন বলেন, দগ্ধরা আশঙ্কামুক্ত। তিন জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বেলুন বিস্ফোরণ

আরও খবর

গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




চলুন পদ্মা সেতু দেখে আসি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে উদ্বোধন হয়েছে পদ্মা সেতুর। দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষের মধ্যে এক সেতুবন্ধন সৃষ্টি করেছে দেশের বৃহত্তম সেতুটি। সেই সঙ্গে এটি পদ্মার উত্তাল জলের ধারায় দৈত্যাকার ছায়া হয়ে ৪২টি শক্ত খুঁটির ওপর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

প্রকৃতির সঙ্গে পদ্মা সেতুর রূপরেখা মিশে গিয়ে দেখা মিলেছে এক অনন্য দৃশ্যের, যা উপভোগ করতে হাজার হাজার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। রাজধানী ঢাকা থেকে অল্প কিছু দূরে মাওয়া ঘাটের অবস্থান। সেখান থেকে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে অতিক্রম করলেই দেখা মিলবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। অনেকেই লঞ্চ, ট্রলার কিংবা নৌকায় ভেসে দেখতে গিয়েছেন বাংলাদেশের অবিস্মরণীয় এই ইতিহাসকে। আর এখন সুযোগ পাবেন সরাসরি ছুঁয়ে দেখার। সেই সঙ্গে পদ্মার তাজা ইলিশ মাছ ভাজা তো থাকছেই। তাই ছুটির দিনে ঘোরার জন্য অন্যতম জায়গা হবে এ পদ্মা সেতু।

যেভাবে যাবেন: রাজধানীর গুলিস্তান থেকে মাওয়াগামী ইলিশ বাস ছেড়ে যায়। এ ছাড়া ফুলবাড়ীয়া বাস টার্মিনাল থেকেও বিআরটিসি এসি বাসে করেও পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে পৌঁছানো যাবে। আবার ঢাকা ও ঢাকার বাইরের যেকোনো জায়গা থেকে পদ্মা সেতু দেখতে হলে আগে যাত্রাবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে আসতে হবে। সেখান থেকে এসে এসি কিংবা নন এসি বাসে করে যাওয়া যাবে সোজা পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতুকে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। ঢাকা প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত এই এক্সপ্রেসওয়ের দূরত্ব মাত্র ৫৫ কিলোমিটার, যা পার হতে সময় লাগবে আধা ঘণ্টার একটু বেশি। আর ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত যেতে সময় লাগবে আধা ঘণ্টার মতো। যাত্রাবাড়ি থেকে মাওয়া রোডে উঠে এই এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে সোজা চলে যাবেন পদ্মা সেতুর দরজায়।

কী খাবেন: পদ্মায় যাবেন আর ইলিশ ভাজা খাবেন না, তা কি হয়? পদ্মা সেতু ঘুরে আসার পথে মাওয়া ঘাটেই পাবেন ইলিশের বাজার। পদ্মার পাড়ে বসে তাজা ইলিশ মাছ খাওয়ার জন্য এটি বেশ জনপ্রিয় জায়গা। প্রতি বছর বর্ষার মৌসুমে অসংখ্য ভ্রমণপ্রিয় মানুষ এখানে ঘুরতে এসে তরতাজা ইলিশ ভাজা খেয়ে যান। তবে ইলিশ মাছ খেতে হলে আপনাকে যেতে হবে শিমুলিয়া ঘাট বা মাওয়া মাছ বাজারের পেছনে। ইলিশ ভাজার সঙ্গে আরও রয়েছে বিভিন্ন রকম ভর্তা এবং সাথে বেগুন ভাজা। এ ছাড়া ঘুরতে গিয়ে আপনি খেয়ে দেখতে পারেন মাওয়ার ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লাও।

থাকবেন যেখানে: সাধারণত ছুটির দিনে খুব অল্প সময়ে ঘুরে আসার মতো জায়গাটি মূলত এক দিনের ট্যুর। ঢাকাবাসীরা দিনে গিয়ে পদ্মা সেতু দেখে আবার দিনের মধ্যে ফিরতে পারবেন। কিন্তু যাঁরা বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে মাওয়াতে পদ্মা সেতু দেখতে আসবেন, তাঁরা চাইলে পদ্মা সেতুর পাশে অবস্থিত মাওয়া রিসোর্টে থাকতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: পদ্মা সেতু

আরও খবর

সংকটে সীমাবদ্ধ বাগেরহাটের পর্যটন শিল্প

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২

মায়াবী চুম্বক লাউয়াছড়ায়

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




ইউএনও'র কক্ষে তরুণকে পেটালেন আনসার সদস্যরা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর কার্যালয়ে সেবা প্রার্থী এক তরুণকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে কর্মরত দুই আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে।   

মারধরের শিকার তরুণের নাম মো.আহসান হাবিব (২২)। সে উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের মো.এনায়েত উল্যার ছেলে।  

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে কবিরহাট পৌরসভা এলাকার বেশ কয়েকজন যুবক কবিরহাট উপজেলার আনসার ব্যাকে হামলার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে তাদের ফেরত পাঠায়। এ ঘটনায় কবিরহাট পৌর এলাকায় উত্তোজনা বিরাজ করছে। 

ভুক্তভোগী আহসান হাবিব অভিযোগ করে বলেন, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে আমি আমার বন্ধু মনির উদ্দিন সহ উপজেলা কার্যালয়ের যাই ছোট ভাইয়ের জন্মনিবন্ধের নাম সংশোধন করার জন্য। এ সময় সেবা প্রার্থী লোকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় আমাদের সিরিয়িালে লাইনে দাঁড়াতে হয়। একপর্যায়ে মনির উদ্দিন তার আরেকজন বন্ধুর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলা শুরু করেন। যে তুমি দেখ আমি জন্মনিবন্ধরে নাম সংশোধন করার জন্য এসে উপজেলা মাঠে লাইনে দাঁড়িয়েছি। এমন সময় আনসার সদস্য ইউনুস এসে তাকে মুঠোফোনে ভিডিও করার অভিযোগ তুলে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন আমি আনসার সদস্যকে জানাই সে ভিডিও করেনি, ভিডিও কলে কথা বলেছে।  কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আনসার সদস্য রনি এসে লাঠি দিয়ে আমার চোখে আঘাত করে আমাকে মারধর শুরু করে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে আমরা তার কক্ষে প্রবেশ করি। নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিচার দিয়ে ফেরার পথে পুনরায় ইউএনও এর কক্ষে আনসার সদস্য ইউনুস ও রনি আমাকে মারধর করে। পরে ইউএনও তাদেরকে গালমন্দ করে আমাকে তার গাড়িতে করে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে পাঠায়। 

অভিযুক্ত আনসার সদস্য ইউনুস ও রনিকে উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে পাওয় যায়নি। তাই অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউুএনও) ফাতেমা সুলতানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা নিজেরা নিজেরা মাঠে মারামারি করেছে। আমার কক্ষে কাউকে মারধর করা হয়নি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, তবে দুই আনসার সদস্যকে আর এখানে রাখা হবেনা। তাদেরকে জেলায় পাঠিয়ে দেওযা হবে। আহত তরুণকে আমি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।


আরও খবর