শিরোনাম

৮ ডিসেম্বর মিরপুর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা মুক্ত দিবস

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
১৯৭১ সালের এই দিনেই পাকহানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাকে শত্রু মুক্ত করে

আজ ৮ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার মিরপুর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা  থানা পাকহানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে বহু ত্যাগের বিনিময়ে জেলার মিরপুর থানা পাকহানাদারমুক্ত হয়েছিল। এ দিনটি মিরপুর থানা পাকহানাদার মুক্ত দিবস হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান পায়।

১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি আফতাব উদ্দিন খানের নেতৃত্বে শতাধিক মুক্তিকামী ছাত্রজনতা বর্তমান মাহামুদা চৌধুরী কলেজ রোড পোস্টঅফিস সংলগ্ন মসজিদে শপথ গ্রহণ করেন। ৩০ মার্চ শেষ রাতে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে প্রতিরোধ যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর জিলা স্কুলে পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শুরু হলে পাকবাহিনী নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে যশোর সেনানিবাসের সাহায্য চায়। কিন্তু সেখান থেকে কোনো সাহায্য না পাঠানোর সংকেত দিলে হানাদার বাহিনী রাতের অন্ধকারে তিনটি গাড়িতে করে গুলিবর্ষণ করতে করতে যশোর সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যায়। এ সময় পাক সৈন্যরা দুটি গাড়ি ঝিনাইদহ জেলার গাড়াগঞ্জের কাছে রাস্তায় কেটে তৈরি মুক্তিবাহিনীর ফাঁদে পড়ে যায় এবং ওই এলাকার ক্ষিপ্ত মুক্তিবাহিনীর হাতে নিহত হয়। পাকবাহিনীর অপর ছয়জন সদস্য ভোরে জিলা স্কুল থেকে মিরপুরের দিকে পালিয়ে আসতে থাকে। প্রথম তারা মশান বাজার সংলগ্ন মাঠের মধ্যে তীব্র প্রতিরোধের মধ্যে পড়ে কিন্তু পাক সৈন্যদের গুলিতে মশানের ডা. আব্দুর রশিদ হিলম্যান, গোলাপ শেখ, আশরাফ আলী ও সোনাউল্লাহ শহীদ হন।

মিরপুর থানার কামারপাড়ায় বিছিন্ন তিন পাকহানাদারের সঙ্গে স্থানীয় মুক্তিকামীদের আবারও যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে মিরপুর থানার সিপাহী মহিউদ্দিন শহীদ হন। অপর পক্ষে পাকবাহিনীর ওই তিন সদস্যও নিহত হয়।

উল্লেখ্য, শহীদ সিপাহী মহিউদ্দিনের কবরের পাশে মিরপুর উপজেলার শহীদ স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর ভোরেই ৯ এর গ্রুপ কমান্ডার আফতাব উদ্দিন খান ১শ ৭০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে মিরপুর থানায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গান স্যালুটের মাধ্যমে উত্তোলন করেন। এর পর ৬৫ জন পাকহানাদার বাহিনীর দোসর ও রাজাকার পাহাড়পুর মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে আত্মসমর্পন করে। মিরপুর হানাদার মুক্ত হওয়ার সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিভিন্ন বয়সের হাজারও নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে আনন্দ উল্লাস করতে থাকে।

একই দিনে দৌলতপুর হানাদার মুক্ত হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে দৌলতপুরকে শত্রু মুক্ত করে থানা চত্বরে বিজয় পতাকা উড়ানোর মধ্য দিয়ে মুক্তিকামী বীর সূর্য সন্তানেরা দৌলতপুরকে হানাদার মুক্ত করেন। দৌলতপুরকে হানাদার মুক্ত করতে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকসেনাদের সম্মুখ যুদ্ধসহ ছোট-বড় ১৬টি যুদ্ধ সংঘঠিত হয়। যুদ্ধে ৩৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ কয়েকশ নারী-পুরুষ শহীদ হন। সবচেয়ে বড় যুদ্ধ সংঘঠিত হয় উপজেলার ধর্মদহ ব্যাংগাড়ী মাঠে। এ যুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৩শ পাকসেনা নিহত হয়। শহীদ হন তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তিনজন ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সদস্য। ৮ ডিসেম্বর সকালে আল্লারদর্গায় পাক সেনারা দৌলতপুর ত্যাগ করার সময় তাদের গুলিতে মুক্তিযোদ্ধা রফিক শহীদ হয়। এরপর দৌলতপুর হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মেজর নুরুন্নবী। 

১৯৭১ সালের এই দিনেই পাকহানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাকে শত্রু মুক্ত করে। এই দিন ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর আবুল মুনছুরের নেতৃত্বে জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদুল আলমর নেতৃত্বে ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে ভোর ৭টার সময় ভেড়ামারা ফারাকপুরে পাকহানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। প্রায় সাত ঘণ্টাব্যাপী এ যুদ্ধে আটজন পাকসেনা নিহত হয়। যুদ্ধের পর পরই মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে প্রায় ৫০/৬০ জন বিহারী নিহত হয়।

এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে ভেড়ামারায় অবস্থানরত পাকবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা মনোবল ভেঙে যায়। তারা সন্ধ্যার আগেই ভেড়ামারা থেকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দিয়ে পালিয়ে যায়। এই দিন রাতে মুক্তিপাগল মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধারা দলে দলে ভেড়ামারায় প্রবেশ করতে থাকেন। তারা বিজয়ের আনন্দে মেতে ওঠে।


আরও খবর

আজ খুলনা মুক্ত দিবস

শুক্রবার ১৭ ডিসেম্বর ২০২১

মঙ্গলবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

সোমবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২১




দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ১৩টি সামরিক যান উপহার দিয়েছে

মালদ্বীপে ছয়দিনের দ্বিপক্ষীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী গত ২২ ডিসেম্বর মালদ্বীপে যান। এরপর গত ২৩ ডিসেম্বর তার সফরের দ্বিতীয় দিন দক্ষ স্বাস্থ্য পেশাদারদের নিয়োগ এবং যুব ও ক্রীড়া উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক ও দ্বৈত আয়কর বিলোপের জন্য একটি চুক্তি সই হয়। এছাড়া বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নবায়ন হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ১৩টি সামরিক যান উপহার দিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও উপকরণ হস্তান্তর অনুষ্ঠানের পর একটি যৌথ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল নাসিম, পিপলস মজলিসের স্পিকার (জাতীয় সংসদ) মোহাম্মদ নাশিদ ও প্রধান বিচারপতি উজ আহমেদ মুথাসিম আদনানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।

২৩ ডিসেম্বর বিকেলে মালদ্বীপের সংসদে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা তার সম্মানে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ও দেশটির ফার্স্ট লেডি আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় যোগ দেন। ২৪ ডিসেম্বর তিনি মালেতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া এক সংবর্ধনায় ভার্চুয়ালি যোগ দেন।


আরও খবর



শরীয়তপুরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শরীয়তপুর সদর উপজেলার কুড়াশী দীঘির পশ্চিম পাশের একটি আমগাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার সকালে পালং মডেল থানা পুলিশ এ লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই যুবকের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তার পরনে ছিল টি-শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট। এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, লাশটির ব্যাপারে তদন্ত চলছে। শিগগিরই এ বিষয়ে জানা যাবে।


আরও খবর



নরসিংদীতে অস্ত্র ও গুলিসহ তিনজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদীতে পৃথক অভিযানে দুটি অস্ত্র ও গুলিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ১১। মঙ্গলবার ভোরে নরসিংদী সদর থানার ব্রাহ্মণপাড়া ও উত্তর নাগরিয়াকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- নরসিংদী পৌর এলাকার কাউরিয়াপাড়া মহল্লার মোঃ হারন মিয়ার ছেলে প্রিন্স আহমেদ (২২), মৃত হবিল মিয়ার ছেলে আসিফ মিয়া (২১) ও ব্রাহ্মণপাড়া (ঘোষপাড়া) এলাকার মোঃ মিন্টু মিয়ার ছেলে খায়রল আহমেদ (২০)।

র‌্যাব ১১ সিপিএসসি নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার তৌহিদুল মবিন খান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য র‌্যাবের একটি দল নরসিংদী পৌর এলাকার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ০১টি বিদেশী পিস্তল ও ০৬ রাউন্ড গুলিসহ সন্ত্রাসী হারন ও খায়রলকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে উত্তর নাগরিয়াকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি বিদেশী রিভলভারসহ সন্ত্রাসী আসিফ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তৌহিদুল মবিন খান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তারা বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র প্রদর্শন করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করতো। গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরদ্ধে এর আগেও অস্ত্র মামলা রয়েছে।


আরও খবর



অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ ডিসেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাবনার ঈশ্বরদীতে ছয় মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন সুমন আলী (৩০) নামে এক যুবক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন গৃহবধূর স্বামী। ঘটনার পরপর হামলাকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মুনশিদপুর গ্রামে দাশুড়িয়া হাইস্কুলের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত  ওই গৃহবধূর নাম শারমীন শিলা (৩২)। তিনি একই গ্রামের রানাউর রহমানের স্ত্রী।

অভিযুক্ত সুমন আলী একই উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের সরাইকান্দি গ্রামের মৃত আজগর আলীর ছেলে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির বলেন, সকালে গৃহবধূ শারমীন শিলা সাংসারিক কাজ করছিলেন। স্বামী ঘুমিয়ে ছিলেন। তার শ্বশুড়- শাশুড়ি  হাঁটতে বের হয়েছিলেন। এ সময় তাদের বাড়ির প্রধান দরজা খেলা ছিল। অভিযুক্ত সুমন এ সুযোগে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূ শারমীনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপাতে থাকেন। তার চিৎকারে স্বামী রানাউর রহমান স্ত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাকেও আঘাত করে হামলাকারী। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে হামলাকারী সুমনকে তিনতলা বাড়ির ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেন রানাউর রহমান। পরে এলাকাবাসী তাকে আহত অবস্থায় আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এদিকে হামলার ঘটনায় ঘটনাস্থলেই শারমীনের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত সুমনকে আটক ও গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। আহত রানাউর রহমানকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সুমনকে আহত অবস্থায় পুলিশি পাহারায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির বলেন, হত্যার সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব কোনো শত্রুতার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তারপরও বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর

পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২




হলি ফ্যামিলি মেডিকেল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির এইচএফ-১৬ ব্যাচের এক ছাত্রী ফার্মাকোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছেন।

ওই ছাত্রীর অভিযোগ, শিক্ষক ডা. সালাউদ্দিন বিভিন্নভাবে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছেন এবং আলাদাভাবে দেখা করতে বলেছেন। এতে রাজি না হওয়ায় নানাভাবে হুমকি প্রদান করেছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি অভিযুক্ত শিক্ষক।

ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। এর আগের দিন তিনি উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ডা. সালাউদ্দিন ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। কলেজের পড়া দেখিয়ে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নেন। এরপর পড়ানোর জন্য বাসায় যেতে বলেন। এতে রাজি না হয়ে তাকে এড়িয়ে যাওয়া শুরু করলে ফোনে ও ম্যাসেঞ্জারে নক দেন এবং কলেজে ডেকে বিব্রত করা শুরু করেন শিক্ষক সালাউদ্দিন।

পরবর্তী ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রী বলেন, দীর্ঘদিন পরিবার ও নিজের মান-সম্মানের ভয়ে চুপ ছিলাম। কিন্তু দিন দিন অবস্থা খারাপই হচ্ছে। তাই এখন সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে তিনি গত ২২ ডিসেম্বর আমাকে কলেজ থেকে বিতাড়িত করার ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। তার জন্য আমার কলেজে পড়ালেখা চরম হুমকির মুখে। আমি এর প্রতিকার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নিয়ে যেহেতু অভিযোগ এসেছে এবং অফিশিয়ালি দেখা হচ্ছে, তাই আপাতত এটা নিয়ে কথা বলা নিষেধ

অভিযোগের সত্যতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একজন অভিযোগ দিলেই তো সেটা সত্য হয়ে গেল না। এখানে তো আমারও বক্তব্য থাকতেই পারে, তাই না?

বক্তব্য কী- জানতে চাইলে ডা. সালাউদ্দিন বলেন, যেটা বললাম সেটাই

হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. দৌলতুজ্জামান বলেন, গত ২৩ ডিসেম্বর দুপুরের পর আমরা অভিযোগটি পেয়েছি। এরপর দুইদিন বন্ধ ছিল। রোববার সকালেই এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্দেশিত যে যৌন নিপীড়নবিরোধী কমিটি রয়েছে, তারা অভিযোগটির বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে

জিডির বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস বলেন, ছাত্রী জিডি করার পর কোর্টে তদন্তের অনুমতির জন্য পাঠানো হয়েছে। কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আরও খবর