Logo
শিরোনাম

আফগানিস্তানে ১০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তায় দাতাগোষ্ঠীর প্রতিশ্রুতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানে ১০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দাতাগোষ্ঠী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জেনেভায় একটি সাহায্য সম্মেলনে জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ অর্থ সহায়তার ঘোষণা দেয় বিশ্ব সম্প্রদায়।

তালেবান কাবুল নিয়ন্ত্রণের আগে থেকেই আফগানিস্তানের এক কোটি ৮০ লাখ মানুষ ত্রাণ সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। আর তালেবানের হাতে দেশটির ক্ষমতা যাওয়ার পর সে সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ।

 এছাড়া অর্থ ও খাদ্য ঘাটতির কারণে এ মাসের শেষ দিকে খাদ্য সরবরাহ শেষ হয়ে যেতে পারে, যার ফলে দেশটির ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ অনাহারে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।

 এ অবস্থায় আফগানিস্তানে মানবিক সঙ্কট এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ১০০ কোটি ডলার সহযোগিতা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সোমবার জেনেভায় আয়োজিত একটি সাহায্য সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ১০০ কোটিরও বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আশা করি এই অর্থ দিয়ে দেশটির বাস্তুচ্যুত মানুষদের খাদ্য ও বাসস্থানের নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব হবে।

 এদিকে পানসিরের পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। সেখানকার প্রতিরোধ বাহিনী তালেবানের কাছে পরাজিত হওয়ার পর, হত্যা নির্যাতন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও, গোষ্ঠীটি কথা রাখেনি বলে জানিয়েছে গণমাধ্যম।

 উপত্যকাটিতে তালেবান সদস্যরা কমপক্ষে ২০ বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। তারা জানায়, তালেবান নিজেদের দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে।

 অন্যদিকে, তালেবানের এক মুখপাত্র জানায়, পানসিরে সব কিছু স্বাভাবিক আছে, দোকানপাটও খুলেছে। তালেবান সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলেও দাবি করা হয়।


আরও খবর



জাল টাকা মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিচার শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ২২ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবত জাল টাকা বাজারজাত করণের উদ্দেশ্যে বহন ও বিপুল পরিমাণ অপরাধলব্ধ অর্থ দেশের বাইরে পাচার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন

জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বিমানবন্দর থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানসহ চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগগঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হলো।

আজ রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের অতিরিক্ত বিচারক হাসিবুল হকের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একইসঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত। এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- পাপিয়া দম্পতির সহযোগী সাব্বির খন্দকার ও শেখ তায়িবা নূর।

এদিন পাপিয়া দম্পতিসহ চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় আসামি পক্ষে তাদের আইনজীবীরা এ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন করে অভিযোগ গঠন করেন।

এর আগে গত বছরের ২৯ নভেম্বর বিমানবন্দর থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, 'আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবত জাল টাকা বাজারজাত করণের উদ্দেশ্যে বহন ও বিপুল পরিমাণ অপরাধলব্ধ অর্থ দেশের বাইরে পাচার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।' এ মামলার অভিযোগপত্রে ২০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশত্যাগের সময় পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন, পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন, সাব্বির খন্দকার ও শেখ তায়্যিবা। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, নগদ দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ ইউএস ডলারসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। পরে বিমানবন্দর থানার জাল টাকা উদ্ধারের মামলা করে র‍্যাব।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ অক্টোবর অস্ত্র আইনের মামলায় পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে ২০ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত।


আরও খবর



মায়ের বুকের দুধে শিশুর যত উপকারিতা

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডেলিভারি বা সিজারের পর বাচ্চাকে নিয়ে মায়েরা একটা স্বাভাবিক সমস্যা থাকে, যে বাচ্চা দুধ পাচ্ছে না। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. দীনা লায়লা হোসেন।

বাচ্চা জন্মের পর সাধারণত যে মেইন মিল্ক লেট ডাউন হয়, সেটা হচ্ছে বাচ্চার জন্মের তিনদিন পর। তাহলে প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিন যে শাল দুধ পাওয়া যায় মায়ের, সেটাই বাচ্চার জন্য উপকারী। বাচ্চার যেটুকু পুষ্টির দরকার, এই শাল দুধ থেকে সে পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া যায়। সুতরাং বাচ্চার জন্মের প্রথম দুই দিন সেই শাল দুধটাই বাচ্চাকে দিতে হবে।

শাল দুধটা পরিমাণে কম থাকে, তবে এটা ধবধবে সাদা থাকে না। সেজন্য মায়েরা একটু বিভ্রান্ত হন। এই দুধ বাচ্চার জন্য কতটা উপকারী হবে, বাচ্চার পেট ভরবে কিনা, এসব ব্যাপারে।

শিশু মায়ের গর্ভে যে সুন্দর পরিবেশে ছিল, সেই সুন্দর পরিবেশ থেকে যখন দুনিয়াতে আসে, তখন দুনিয়ার এইসব ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সব কিছুর বিরুদ্ধে শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, মায়ের বুকের এই শাল দুধ।

তারপর বাচ্চার ইলেকট্রোলাইট দরকার হয়, পানির দরকার হয়, এসব কিছুই শাল দুধ থেকে পাওয়া যায়। এছাড়া বাচ্চার যে পরিমাণ গ্লুকোজ দরকার প্রোটিন দরকার সেটাও শাল দুধে থাকে।

সুতরাং দুধ আসছে না বলে যে সকল মায়েরা অস্থির হয়ে যায়, যে সকল মায়েরা নতুন মা হন তারা তো আসলে বুঝেন না। এক্ষেত্রে পরিবারের আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে যারা বয়স্ক আছেন কিংবা যারা এই সময়টা পার করে এসেছেন তারা নতুন মায়েদের কাউন্সেলিং করবেন। তারা নতুন মায়েদের বোঝাবেন যে, প্রথমে যে দুধ আসে সেটাই বাচ্চার জন্য দরকার, এখান থেকেই বাচ্চা সব ধরনের পুষ্টি পাবে।

কারণ বাচ্চা এখন মাত্র দুনিয়াতে এসেছে, সে যে এখনই খুব বেশি খাবে তা তো নয়। এই বাচ্চার জন্য যতটুকু খাবার দরকার ততটুকু খাবারই আল্লাহ মায়ের কাছে দিয়েছেন। আল্লাহ যদি এর থেকে বেশি দিত এবং সেটা যদি বাচ্চা না খেত, তখন দেখা যেত যে মায়ের বুকে ব্যথা হতো, মায়ের কষ্ট হতো। সুতরাং বাচ্চার জন্মের প্রথম দুইদিন যতটুকু দুধ প্রয়োজন, ততটুকু দুধই বাচ্চার জন্য আসে। এটাই বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। এটা খাওয়ার পরে বাচ্চার যে পুষ্টির প্রয়োজন, তার সবটুকু পূরণ হয়।

তবে কিছু আছে এর থেকে আলাদা। এক্ষেত্রে যেসব মায়েদের আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস থাকে, বাচ্চা অনেক বড় থাকে, সেক্ষেত্রে হয়তোবা আরেকটু বেশি পুষ্টির প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাচ্চার ওজনের উপর ভিত্তি করে, বাচ্চার বাড়তি খাবারের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সেটা শতকরা খুব কমই হয়ে থাকে। যদি দরকার হয় সেক্ষেত্রে ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাধারণত ডেলিভারির পর প্রথম দুই দিন যে শাল দুধ মায়ের থেকে পাওয়া যায় সেটাই বাচ্চার খাবার হিসেবে যথেষ্ট।

মায়ের দুধ পানের সময় বাচ্চা মায়ের নিপল বা বোটা চুষলে মায়ের শরীরে এক ধরণের সুখানুভূতি সৃষ্টি হয়। বাচ্চার এ স্টিমুলেশন বা সুখানুভূতি মায়ের মস্তিষ্কে যায়। ফলে মায়ের শরীর থেকে এক ধরনের হরমোন তৈরি হয়। যার নাম প্রোল্যাকটিন। প্রোল্যাকটিনের কাজ হলো মায়ের বুকে দুধ তৈরি করা। বাচ্চা যত বুকের দুধ টানবে তত মায়ের সুখানুভূতি তৈরি হবে, তত প্রোল্যাকটিন উৎপাদন হবে। ফলে মায়ের বুকের দুধের পরিমাণ বাড়বে।

বাচ্চা কান্নাকাটি করলে অনেকে মনে করেন বাচ্চা দুধ ঠিকমতো পাচ্ছে না। তখন বাচ্চাকে মায়ের দুধ না দিয়ে কৌটার দুধ দেন। মায়ের বুকের দুধ টেনে খেতে বাচ্চার কিন্তু কিছুটা পরিশ্রম করতে হয়। এতে বাচ্চার ভালো হয়। তার মাঢ়ি, চোয়াল গঠিত হয়। কৌটার দুধ দিলে বাচ্চার কষ্ট করতে হয় না। তাই সে এক সময় মায়ের দুধ টেনে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। বাচ্চা না দুধ টানলে মায়ের সুখানুভূতি হয় না এবং হরমোন তৈরি হয় না। ফলে মায়ের বুকের দুধ উৎপাদন কমে যায়।

আরেকটা জিনিস আমার যেটা মনে হয় যে, মাকে খুব অস্থির করে রাখা হয়, বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে না, না খেতে পারলে বাচ্চার কি হবে, তখন নতুন মায়েরা খুব প্যানিক হয়ে যায়। এই জিনিসটা কিন্তু সম্পূর্ণ একটা সার্কেল বা রিদমের ব্যাপার।

বাচ্চা যখন মায়ের বুকে সাক করবে, সেখান থেকে রিফ্লেক্স যাবে ব্রেইনে, ব্রেইন থেকে হরমোন আসবে, দুধ তৈরি হবে এবং নিপল এর মাধ্যমে বাচ্চার কাছে যাবে। যখনই সেখানে হরমোন, নার্ভাল সিস্টেম সবকিছু ইনভলভ থাকে, তখন কিন্তু একটা মাকে পরিবারের সদস্যরা সাপোর্ট দিয়ে স্ট্রেস-ফ্রি রাখতে হবে। মাকে কোন স্ট্রেসের মধ্য দিয়ে যেতে দেয়া যাবে না।

এমনিতেই সে নতুন মা হয়েছে, জীবনের একটা নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে। সবকিছুতে তার মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে। তার মধ্যে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজনরা যদি তাকে স্ট্রেস দিতে থাকে, তখন এই স্ট্রেসফুল কন্ডিশন নতুন মাকে অনেকখানি বাধা দেয়। এটা লাক্টেশন ফেইলিওরের অনেকখানি কারণ।

মায়েদের সাহস দিতে হবে এসময়। মা কে বোঝাতে হবে যে এই বিষয়গুলো স্বাভাবিক। যদি অস্বাভাবিক কিছু হয় তাহলে আমরা ডাক্তার, নার্স তাদের হেল্প নিয়ে ইনশাআল্লাহ এ বিষয়গুলো মোকাবেলা করা সম্ভব।



আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রথম প্রেম দিবস আজ

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




সমুদ্রে নামতে মানতে হবে ১০ নির্দেশনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সমুদ্র সৈকতে গোসলে নামার আগে পর্যটকদের জন্য ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া গুপ্ত গর্ত ও তীব্র স্রোতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টায় সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে পানিতে নামার পূর্বে করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।

নির্দেশনাগুলো হলোসাঁতার জানা না থাকলে সমুদ্রের পানিতে নামার সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করতে হবে, লাল পতাকা চিহ্নিত করা পয়েন্টে কোনোভাবে নামা যাবে না, সৈকত এলাকায় সর্বদা লাইফ গার্ডের নির্দেশনা মানতে হবে, বিকাল ৫টার পর সমুদ্রে নামা যাবে না, সমুদ্রে নামার আগে জোয়ার-ভাটাসহ আবহাওয়ার বর্তমান অবস্থা জেনে নিতে হবে, লাইফগার্ড নির্দেশিত নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোনও পয়েন্ট থেকে সমুদ্রে নামা যাবে না, সমুদ্রে যেকোনও মুহূর্তে তীব্র স্রোত এবং গুপ্ত গর্ত সৃষ্টি হতে পারে, যেকোনও ভাসমান বস্তু পানিতে নামার আগে বাতাসের গতি সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

শিশুকে সৈকতে সব সময় সঙ্গে রাখতে হবে এবং একা সমুদ্রে নামতে দেওয়া যাবে না। অসুস্থ অথবা দুর্বল শরীর নিয়ে সমুদ্রে হাঁটু পানির বেশি নামা যাবে না।

১০ দিনব্যাপী আয়োজিত এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহেদ ইকবাল।

নিউজ ট্যাগ: কক্সবাজার

আরও খবর



রাজশাহী মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে আরও ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে আরও ৭ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে করোনায় ১ এবং উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ নিয়ে ৮৬তম দিনে রামেকে সবমিলিয়ে ১ হাজার ২০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৫ আগস্ট) সকালে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শামীম ইয়াজদানী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৭ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে রাজশাহী ৩, নওগাঁ ২, নাটোর ও কুষ্টিয়া ১ জন করে মারা গিয়েছেন। মৃতদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গেল ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দুই ল্যাবে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৩২৭ জনের আর করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫৮ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৭৩ ভাগ।

এছাড়াও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দফায় দফায় ওয়ার্ড ও শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর পরও উপচে পড়ছে রোগীর সংখ্যা। এখানে করোনা ইউনিটে ২০টি আইসিইউসহ শয্যা সংখ্যা রয়েছে ৪১৮টি এরমধ্যে রোগী ভর্তি রয়েছে ২০৯ জন আর গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন।


আরও খবর

রামেকের করোনা ওয়ার্ডে আরও ৭ জনের প্রাণহানি

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




র‍্যাবের সাথে গুলি বিনিময়ের ঘটনায় অস্ত্রসহ আটক চার

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহে র‍্যাবের সাথে গোলাগুলির পর অস্ত্রসহ চারজনকে আটক করেছে র‌্যাব। গতকাল শুক্রবার দিবাগত ভোর রাতে নগরীর খাগডহর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়ক মো. রোকনুজ্জামান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জঙ্গিদের তৎপরতা ও অবস্থানের কথা জানতে পেরে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল খাগডহর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

র‍্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে জঙ্গিরা গুলি ছুঁড়লে র‍্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। কিছুক্ষণ গুলি বিনিময়ের পর ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের নিকট থেকে গুলিভর্তি একটি বিদেশী রিভলভার, তিনটি চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

তাৎক্ষনিকভাবে আটক চারজনের পরিচয় জানা যায়নি। তবে পরে বিস্তারিত সাংবাদিকদের জানানো হবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।


আরও খবর